জাতীয় সংসদকে জাতির দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান সংসদ গণতন্ত্রের আশা-আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রতীক।
দীর্ঘ
১৩ দিনের বিরতি শেষে রোববার বিকেলে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকে সভাপতিত্বকালে তিনি এই মন্তব্য
করেন।
তিনি
সংসদ সদস্যদের ত্যাগের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন,
এই সংসদে এমন অনেক সদস্য
রয়েছেন যারা এক সময়
ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে
এসেছেন, কেউ গুমের শিকার
হয়েছিলেন আবার কেউ দীর্ঘ
সময় কারাগারে থেকে মজলুম হিসেবে
আজ জনগণের প্রতিনিধি হয়ে সংসদে বসেছেন।
লড়াকু ও ত্যাগের পটভূমি
থেকে উঠে আসা জনপ্রতিনিধিদের
নিয়ে গঠিত এমন সংসদ
বর্তমান বিশ্বের বুকে এক বিরল
দৃষ্টান্ত।
নিজের
রাজনৈতিক জীবনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডেপুটি
স্পিকার জানান, একজন সাধারণ কৃষক
পরিবারের সন্তান হিসেবে আজ এই মহান
সংসদের গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসতে পারা
তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের।
তাকে
নির্বাচিত করার জন্য তিনি
সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী এবং নিজ নির্বাচনী
এলাকা নেত্রকোনা-১ আসনের জনগণের
প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন।
তিনি
স্মরণ করিয়ে দেন, দেশের প্রতিটি
মানুষ আজ সংসদের দিকে
তাকিয়ে আছে যাতে করে
এখানে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও প্রত্যাশার সঠিক
প্রতিফলন ঘটে।
বক্তব্যের
এক পর্যায়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বাংলাদেশের ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্টগুলো শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক
ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম এবং
সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার প্রশংসা
করে তাকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে
অভিহিত করেন।
সবশেষে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানকে বর্তমান সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেন ডেপুটি স্পিকার।
তিনি বলেন, আবু সাঈদ, ওয়াসিম
আকরাম ও মীর মুগ্ধসহ
শত শত শহীদের আত্মত্যাগের
বিনিময়ে আজ ফ্যাসিবাদের পতন
ঘটেছে এবং গণতন্ত্রের নতুন
দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
জুলাই
বিপ্লবে যারা পঙ্গুত্ব বরণ
করেছেন কিংবা এখনো চিকিৎসাধীন আছেন,
তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে
তিনি বলেন, জনগণের শক্তিই যে গণতন্ত্রের মূল
চালিকাশক্তি, গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়।
নতুন এই সংসদকে সেই
ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
জাতীয় সংসদকে জাতির দর্পণ হিসেবে উল্লেখ করে ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান সংসদ গণতন্ত্রের আশা-আকাঙ্ক্ষার এক অনন্য প্রতীক।
দীর্ঘ
১৩ দিনের বিরতি শেষে রোববার বিকেলে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের মুলতবি বৈঠকে সভাপতিত্বকালে তিনি এই মন্তব্য
করেন।
তিনি
সংসদ সদস্যদের ত্যাগের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে বলেন,
এই সংসদে এমন অনেক সদস্য
রয়েছেন যারা এক সময়
ফাঁসির মঞ্চ থেকে ফিরে
এসেছেন, কেউ গুমের শিকার
হয়েছিলেন আবার কেউ দীর্ঘ
সময় কারাগারে থেকে মজলুম হিসেবে
আজ জনগণের প্রতিনিধি হয়ে সংসদে বসেছেন।
লড়াকু ও ত্যাগের পটভূমি
থেকে উঠে আসা জনপ্রতিনিধিদের
নিয়ে গঠিত এমন সংসদ
বর্তমান বিশ্বের বুকে এক বিরল
দৃষ্টান্ত।
নিজের
রাজনৈতিক জীবনের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে ডেপুটি
স্পিকার জানান, একজন সাধারণ কৃষক
পরিবারের সন্তান হিসেবে আজ এই মহান
সংসদের গুরুত্বপূর্ণ আসনে বসতে পারা
তার জন্য অত্যন্ত সম্মানের।
তাকে
নির্বাচিত করার জন্য তিনি
সংসদ নেতা, প্রধানমন্ত্রী এবং নিজ নির্বাচনী
এলাকা নেত্রকোনা-১ আসনের জনগণের
প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
করেন।
তিনি
স্মরণ করিয়ে দেন, দেশের প্রতিটি
মানুষ আজ সংসদের দিকে
তাকিয়ে আছে যাতে করে
এখানে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার ও প্রত্যাশার সঠিক
প্রতিফলন ঘটে।
বক্তব্যের
এক পর্যায়ে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বাংলাদেশের ইতিহাসের টার্নিং পয়েন্টগুলো শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর
শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি তিনি স্বাধীনতার ঘোষক
ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করেন।
একই সঙ্গে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রাম এবং
সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তার ভূমিকার প্রশংসা
করে তাকে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ হিসেবে
অভিহিত করেন।
সবশেষে
২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-গণঅভ্যুত্থানকে বর্তমান সংসদীয় গণতন্ত্রের ভিত্তি হিসেবে বর্ণনা করেন ডেপুটি স্পিকার।
তিনি বলেন, আবু সাঈদ, ওয়াসিম
আকরাম ও মীর মুগ্ধসহ
শত শত শহীদের আত্মত্যাগের
বিনিময়ে আজ ফ্যাসিবাদের পতন
ঘটেছে এবং গণতন্ত্রের নতুন
দুয়ার উন্মোচিত হয়েছে।
জুলাই
বিপ্লবে যারা পঙ্গুত্ব বরণ
করেছেন কিংবা এখনো চিকিৎসাধীন আছেন,
তাদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে
তিনি বলেন, জনগণের শক্তিই যে গণতন্ত্রের মূল
চালিকাশক্তি, গণঅভ্যুত্থান আমাদের সেই শিক্ষাই দেয়।
নতুন এই সংসদকে সেই
ত্যাগের মহিমায় সমুজ্জ্বল রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি।

আপনার মতামত লিখুন