সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

এপ্রিলের মধ্যেই কৃষকের হাতে পৌঁছাবে স্পেশাল কার্ড

কৃষক কার্ডের অগ্রগতি কতদূর? মাঠপর্যায়ের তথ্য চাইলেন প্রধানমন্ত্রী


প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬

কৃষক কার্ডের অগ্রগতি কতদূর? মাঠপর্যায়ের তথ্য চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

দেশের কৃষি কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে পদক্ষেপ হিসেবেকৃষক কার্ডচালুর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

কৃষক কার্ড চালুর বিষয়ে গঠিত বিশেষ কমিটির কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি মাঠপর্যায়ের তথ্য জানতেই মূলত এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব সরকারের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কৃষক কার্ড বিতরণের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কমিটির সদস্যদের কাছে জানতে চান, মাঠপর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন এবং কার্ড তৈরির কাজ কতদূর এগিয়েছে।

মূলত প্রান্তিক চাষিদের সরাসরি সরকারি সহায়তার আওতায় আনতেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার চায় প্রকৃত কৃষকরা যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ভতুর্কি গ্রহণ করতে পারেন।

এর আগে, চলতি মাসের ১০ তারিখে সারা দেশের ৩৭ হাজার পরিবারের নারী প্রধানের হাতেফ্যামিলি কার্ডতুলে দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্যও বিশেষ কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

সরকার পর্যায়ক্রমে দেশের চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় কৃষক ভাইদের জন্য আলাদা করে বিশেষ এই কার্ড প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকার কৃষকদের কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এর আগেই গত সপ্তাহে সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করারঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন, কৃষি কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আগামী মাসের মধ্যেই যেন কৃষক ভাইদের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়। এই কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা ভবিষ্যতে সার, বীজ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের ভর্তুকি সরাসরি নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশের কৃষি খাতে এক নতুন বিপ্লব সূচিত হবে এবং কৃষকরা সরাসরি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করবেন। কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক সমাপ্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬


কৃষক কার্ডের অগ্রগতি কতদূর? মাঠপর্যায়ের তথ্য চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

দেশের কৃষি কৃষকের ভাগ্যোন্নয়নে পদক্ষেপ হিসেবেকৃষক কার্ডচালুর কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার সচিবালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

কৃষক কার্ড চালুর বিষয়ে গঠিত বিশেষ কমিটির কার্যক্রমের সর্বশেষ অগ্রগতি মাঠপর্যায়ের তথ্য জানতেই মূলত এই বৈঠকের আয়োজন করা হয়। বৈঠকে কৃষিমন্ত্রী আমিনুর রশিদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব সরকারের নীতি-নির্ধারক পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে কৃষক কার্ড বিতরণের সার্বিক প্রস্তুতি পর্যালোচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে কমিটির সদস্যদের কাছে জানতে চান, মাঠপর্যায়ে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা প্রণয়ন এবং কার্ড তৈরির কাজ কতদূর এগিয়েছে।

মূলত প্রান্তিক চাষিদের সরাসরি সরকারি সহায়তার আওতায় আনতেই এই বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। সরকার চায় প্রকৃত কৃষকরা যেন কোনো মধ্যস্বত্বভোগীর ঝামেলা ছাড়াই সরাসরি আধুনিক সুযোগ-সুবিধা ভতুর্কি গ্রহণ করতে পারেন।

এর আগে, চলতি মাসের ১০ তারিখে সারা দেশের ৩৭ হাজার পরিবারের নারী প্রধানের হাতেফ্যামিলি কার্ডতুলে দেওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের জন্যও বিশেষ কার্ডের ঘোষণা দিয়েছিলেন।

সরকার পর্যায়ক্রমে দেশের চার কোটি পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় কৃষক ভাইদের জন্য আলাদা করে বিশেষ এই কার্ড প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী বৈঠকে উপস্থিত কর্মকর্তাদের স্মরণ করিয়ে দেন যে, সরকার কৃষকদের কল্যাণে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

এর আগেই গত সপ্তাহে সরকারের পক্ষ থেকে কৃষকদের জন্য ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করারঐতিহাসিক’ সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে স্পষ্ট করেছেন, কৃষি কৃষকের উন্নয়ন ছাড়া দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্ভব নয়। তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে বলেন, আগামী মাসের মধ্যেই যেন কৃষক ভাইদের হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার কাজ শুরু করা হয়। এই কার্ড ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষকরা ভবিষ্যতে সার, বীজ বিভিন্ন কৃষি উপকরণের ভর্তুকি সরাসরি নিজ নিজ অ্যাকাউন্টে পাবেন।

প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এই উদ্যোগের ফলে দেশের কৃষি খাতে এক নতুন বিপ্লব সূচিত হবে এবং কৃষকরা সরাসরি রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করবেন। কর্মকর্তাদের কাজের গতি বাড়ানোর নির্দেশ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বৈঠক সমাপ্ত করেন।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত