মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত কয়েক ঘণ্টায় ইরান ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যৌথভাবে ইসরায়েলের উত্তর অংশে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ইসরায়েলের ১০০টিরও বেশি শহর ও এলাকায় বিপদসংকেত (সাইরেন) বেজে ওঠে।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, ইরানের সরাসরি হামলার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে হিজবুল্লাহ রকেট ও ড্রোন হামলা চালায়। বিশেষ করে সাফেদ শহরের কাছে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের উত্তরের গ্যালিলি প্যানহ্যান্ডল ও মেতুলা এলাকায়ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা এ হামলার জবাবে ইরান ও লেবাননে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ নামক এই অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর কমান্ড সেন্টারসহ মোট ২৫০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
শুধু ইরান ও লেবানন নয়, এই সংঘাত এখন আরও বিস্তৃত হয়েছে। ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলের ওপর প্রথমবারের মতো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় হামলার দায় স্বীকার করেছে।
বিশ্ব নেতারা এখন এই সংঘাত যাতে আরও না ছড়ায়, সেজন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। পাকিস্তানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর একটি জরুরি বৈঠক বসেছে। তবে ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষই তাদের হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যা গোটা অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। গত কয়েক ঘণ্টায় ইরান ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ যৌথভাবে ইসরায়েলের উত্তর অংশে ব্যাপক হামলা চালিয়েছে। এই হামলায় ইসরায়েলের ১০০টিরও বেশি শহর ও এলাকায় বিপদসংকেত (সাইরেন) বেজে ওঠে।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, ইরানের সরাসরি হামলার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে হিজবুল্লাহ রকেট ও ড্রোন হামলা চালায়। বিশেষ করে সাফেদ শহরের কাছে ইসরায়েলি সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় হিজবুল্লাহ। ইসরায়েলের উত্তরের গ্যালিলি প্যানহ্যান্ডল ও মেতুলা এলাকায়ও হামলার ঘটনা ঘটেছে।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) জানিয়েছে, তারা এ হামলার জবাবে ইরান ও লেবাননে ব্যাপক পাল্টা হামলা চালিয়েছে। ‘অপারেশন রোরিং লায়ন’ নামক এই অভিযানে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির কারখানা, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং লেবাননে হিজবুল্লাহর কমান্ড সেন্টারসহ মোট ২৫০টির বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে।
শুধু ইরান ও লেবানন নয়, এই সংঘাত এখন আরও বিস্তৃত হয়েছে। ইরান-সমর্থিত ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরাও ইসরায়েলের ওপর প্রথমবারের মতো ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে, ইরান সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে অ্যালুমিনিয়াম কারখানায় হামলার দায় স্বীকার করেছে।
বিশ্ব নেতারা এখন এই সংঘাত যাতে আরও না ছড়ায়, সেজন্য কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। পাকিস্তানে সৌদি আরব, তুরস্ক ও মিশরসহ আঞ্চলিক শক্তিগুলোর একটি জরুরি বৈঠক বসেছে। তবে ইরান ও ইসরায়েল উভয় পক্ষই তাদের হামলা চালিয়ে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যা গোটা অঞ্চলকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন