জাতীয় সংসদকে দেশের সকল কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি
মনে করেন, সংসদ যদি পূর্ণাঙ্গভাবে
ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে
পরিচালিত হয়, তবেই সারা
দেশে ইনসাফ কায়েম করা সম্ভব হবে।
রবিবার
জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে
নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাতে
গিয়ে তিনি এ সব কথা
বলেন।
সংসদ
অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের সূচনা বক্তব্যের পর তাকে স্বাগত
জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, ডেপুটি স্পিকারের এই আসনটি ন্যায়বিচার
ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এই
চেয়ারে বসে ব্যারিস্টার কায়সার
কামাল যে নিরপেক্ষভাবে সংসদ
পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং ইনসাফের বার্তা
দিয়েছেন, তাকে জামায়াত আমির
সাধুবাদ জানান।
তিনি
আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার
সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখবেন, যা
গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।
বক্তব্য
চলাকালে বিরোধীদলীয় এই নেতা নবনিযুক্ত
ডেপুটি স্পিকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি উল্লেখ
করেন, সংসদীয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দেশের মানুষের
আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে তার দল সম্ভাব্য
সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
শফিকুর
রহমান আরও বলেন, মানুষ
হিসেবে যে কেউ ভুলের
ঊর্ধ্বে নয়। দায়িত্ব পালনকালে
সংসদীয় আসন থেকে যদি
কখনও কোনো ভুল সিদ্ধান্ত
বা বিচ্যুতি ঘটে, তবে বিরোধী
দল হিসেবে তারা সেই ভুলগুলো
গঠনমূলকভাবে ধরিয়ে দেবেন।
সংসদকে
প্রাণবন্ত রাখতে এবং সঠিক পথে
পরিচালিত করতে তারা সবসময়
সজাগ থাকবেন বলে তিনি অঙ্গীকার
করেন।
পরিশেষে
তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন,
আইনসভার অভিভাবক হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন
করছেন, তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন ইনসাফের মানদণ্ডে
উত্তীর্ণ হয়। সংসদ থেকে
যদি ইনসাফের চর্চা শুরু হয়, তবে
তার ইতিবাচক প্রভাব পুরো রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায়
পড়বে।
একটি
সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ
গড়তে সংসদকে কার্যকর ও জনমুখী করার
ওপর গুরুত্বারোপ করেন জামায়াত আমির।
ডেপুটি স্পিকারের সফল মেয়াদের জন্য
দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে
তিনি তার বক্তব্য শেষ
করেন।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
জাতীয় সংসদকে দেশের সকল কর্মকাণ্ডের মূল কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদীয় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি
মনে করেন, সংসদ যদি পূর্ণাঙ্গভাবে
ইনসাফ বা ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে
পরিচালিত হয়, তবেই সারা
দেশে ইনসাফ কায়েম করা সম্ভব হবে।
রবিবার
জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে
নবনিযুক্ত ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামালকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাতে
গিয়ে তিনি এ সব কথা
বলেন।
সংসদ
অধিবেশনে ডেপুটি স্পিকারের সূচনা বক্তব্যের পর তাকে স্বাগত
জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান
বলেন, ডেপুটি স্পিকারের এই আসনটি ন্যায়বিচার
ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখার জন্য
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান। এই
চেয়ারে বসে ব্যারিস্টার কায়সার
কামাল যে নিরপেক্ষভাবে সংসদ
পরিচালনার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন এবং ইনসাফের বার্তা
দিয়েছেন, তাকে জামায়াত আমির
সাধুবাদ জানান।
তিনি
আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সংসদীয় কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে স্পিকার এবং ডেপুটি স্পিকার
সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা বজায় রাখবেন, যা
গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী করবে।
বক্তব্য
চলাকালে বিরোধীদলীয় এই নেতা নবনিযুক্ত
ডেপুটি স্পিকারকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন। তিনি উল্লেখ
করেন, সংসদীয় কার্যক্রমে শৃঙ্খলা রক্ষা এবং দেশের মানুষের
আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে তার দল সম্ভাব্য
সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করবে।
শফিকুর
রহমান আরও বলেন, মানুষ
হিসেবে যে কেউ ভুলের
ঊর্ধ্বে নয়। দায়িত্ব পালনকালে
সংসদীয় আসন থেকে যদি
কখনও কোনো ভুল সিদ্ধান্ত
বা বিচ্যুতি ঘটে, তবে বিরোধী
দল হিসেবে তারা সেই ভুলগুলো
গঠনমূলকভাবে ধরিয়ে দেবেন।
সংসদকে
প্রাণবন্ত রাখতে এবং সঠিক পথে
পরিচালিত করতে তারা সবসময়
সজাগ থাকবেন বলে তিনি অঙ্গীকার
করেন।
পরিশেষে
তিনি আবারও জোর দিয়ে বলেন,
আইনসভার অভিভাবক হিসেবে যারা দায়িত্ব পালন
করছেন, তাদের প্রতিটি পদক্ষেপ যেন ইনসাফের মানদণ্ডে
উত্তীর্ণ হয়। সংসদ থেকে
যদি ইনসাফের চর্চা শুরু হয়, তবে
তার ইতিবাচক প্রভাব পুরো রাষ্ট্রের শাসনব্যবস্থায়
পড়বে।
একটি
সমৃদ্ধ ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ
গড়তে সংসদকে কার্যকর ও জনমুখী করার
ওপর গুরুত্বারোপ করেন জামায়াত আমির।
ডেপুটি স্পিকারের সফল মেয়াদের জন্য
দোয়া ও শুভকামনা জানিয়ে
তিনি তার বক্তব্য শেষ
করেন।

আপনার মতামত লিখুন