আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। বাংলা ও ইংরেজির মতো এ বিষয়টিও মূল বিষয়ের মর্যাদা পাবে।
শিশুদের ডিজিটাল আসক্তি থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনতে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই উদ্যোগ কার্যকর হবে। শুরুতে সাতটি খেলা বা ডিসিপ্লিন দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরে পর্যায়ক্রমে আরও খেলা যুক্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাসায় ফেরার পর অনেক শিশু ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনা এবং একটি সক্রিয় জীবনধারায় উৎসাহিত করা।’
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক- উভয় পদ্ধতিতে হবে। তবে মাঠে সক্রিয় অংশগ্রহণই হবে মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, তরুণদের খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে।
পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় খেলার মাঠ উন্নয়ন করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে খেলাধুলা বাধ্যতামূলক হচ্ছে। বাংলা ও ইংরেজির মতো এ বিষয়টিও মূল বিষয়ের মর্যাদা পাবে।
শিশুদের ডিজিটাল আসক্তি থেকে মাঠে ফিরিয়ে আনতে এবং মাদকমুক্ত সমাজ গঠনেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।
মঙ্গলবার (২৯ মার্চ) জাতীয় সংসদে চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জহিরুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ ঘোষণা দেন।
প্রতিমন্ত্রী জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকেই এই উদ্যোগ কার্যকর হবে। শুরুতে সাতটি খেলা বা ডিসিপ্লিন দিয়ে এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পরে পর্যায়ক্রমে আরও খেলা যুক্ত করা হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বাসায় ফেরার পর অনেক শিশু ডিজিটাল ডিভাইসের ওপর বেশি নির্ভরশীল হয়ে পড়ছে। এই উদ্যোগের লক্ষ্য হলো তাদের মাঠে ফিরিয়ে আনা এবং একটি সক্রিয় জীবনধারায় উৎসাহিত করা।’
শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক- উভয় পদ্ধতিতে হবে। তবে মাঠে সক্রিয় অংশগ্রহণই হবে মূল্যায়নের প্রধান ভিত্তি। যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, তরুণদের খেলাধুলায় ব্যস্ত রাখার মাধ্যমে একটি মাদকমুক্ত সমাজ গড়া সম্ভব হবে।
পরিকাঠামো উন্নয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের ৪৯৫টি উপজেলায় খেলার মাঠ উন্নয়ন করবে সরকার। প্রধানমন্ত্রী ইতিমধ্যেই এই উদ্যোগ বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছেন।

আপনার মতামত লিখুন