দেশের জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সংকট নিরসন এবং তেল আমদানি ও সরবরাহে সরকারি প্রতিষ্ঠানের একক নিয়ন্ত্রণ বা মনোপলি বাতিলের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রবিবার মানবাধিকার
সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ব্যারিস্টার
মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার ই-মেইল ও ডাকযোগে এই নোটিশ
পাঠান।
নোটিশে বলা হয়েছে,
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ হুমকির মুখে
পড়েছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির
অসাধু মজুতদার ও কালোবাজারি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
বিভিন্ন অভিযানে
বন্ধ থাকা পাম্পগুলোতে হাজার হাজার লিটার তেল পাওয়া গেলেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী মজুতদারি ও কালোবাজারির
সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার বিধান থাকলেও বর্তমানে নামমাত্র
জরিমানার মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে, যা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ
হচ্ছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ে নোটিশে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও
পেট্রো বাংলা জ্বালানি আমদানির বিপরীতে রাষ্ট্রের প্রাপ্য প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকার
বিশাল অংকের রাজস্ব বকেয়া রেখেছে। এই বিশাল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নোটিশদাতাদের মতে, রাষ্ট্রের পাওনা পরিশোধ
না করা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি।
নোটিশে আরও উল্লেখ
করা হয়, জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের
একক নিয়ন্ত্রণ বা একাধিপত্য বজায় রাখা সংবিধান ও জনস্বার্থের বিরোধী। প্রতিযোগিতামূলক
বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই একাধিপত্য ভাঙা জরুরি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিপিসি চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্টদের
এই নোটিশের বিবাদী করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তেল মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
গ্রহণ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বাতিলের পদক্ষেপ না নিলে উচ্চ আদালতে
রিট আবেদনসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
দেশের জ্বালানি খাতে বিদ্যমান সংকট নিরসন এবং তেল আমদানি ও সরবরাহে সরকারি প্রতিষ্ঠানের একক নিয়ন্ত্রণ বা মনোপলি বাতিলের দাবিতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট ভাঙতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
রবিবার মানবাধিকার
সংগঠন ল অ্যান্ড লাইফ ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী ব্যারিস্টার
মোহাম্মদ হুমায়ন কবির পল্লব ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ কাওছার ই-মেইল ও ডাকযোগে এই নোটিশ
পাঠান।
নোটিশে বলা হয়েছে,
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ হুমকির মুখে
পড়েছে, যার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশের বাজারেও। এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে এক শ্রেণির
অসাধু মজুতদার ও কালোবাজারি কৃত্রিম সংকট তৈরি করে তেলের বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি করছে।
বিভিন্ন অভিযানে
বন্ধ থাকা পাম্পগুলোতে হাজার হাজার লিটার তেল পাওয়া গেলেও অপরাধীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তির অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। বিশেষ ক্ষমতা আইন ১৯৭৪ অনুযায়ী মজুতদারি ও কালোবাজারির
সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার বিধান থাকলেও বর্তমানে নামমাত্র
জরিমানার মাধ্যমে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে, যা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ
হচ্ছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ
বিষয়ে নোটিশে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) ও
পেট্রো বাংলা জ্বালানি আমদানির বিপরীতে রাষ্ট্রের প্রাপ্য প্রায় ৩৪ হাজার কোটি টাকার
বিশাল অংকের রাজস্ব বকেয়া রেখেছে। এই বিশাল পরিমাণ রাজস্ব আদায়ে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে অনুরোধ জানানো হয়েছে। নোটিশদাতাদের মতে, রাষ্ট্রের পাওনা পরিশোধ
না করা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থি।
নোটিশে আরও উল্লেখ
করা হয়, জ্বালানি তেল আমদানি ও সরবরাহের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের
একক নিয়ন্ত্রণ বা একাধিপত্য বজায় রাখা সংবিধান ও জনস্বার্থের বিরোধী। প্রতিযোগিতামূলক
বাজার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে এই একাধিপত্য ভাঙা জরুরি।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি
সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, বিপিসি চেয়ারম্যান এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরসহ সংশ্লিষ্টদের
এই নোটিশের বিবাদী করা হয়েছে। আগামী ১৫ দিনের মধ্যে তেল মজুতদারদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা
গ্রহণ এবং সরকারি প্রতিষ্ঠানের একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বাতিলের পদক্ষেপ না নিলে উচ্চ আদালতে
রিট আবেদনসহ পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন