সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙার ডাক বায়রা ঐক্য ফ্রন্টের


প্রকাশ: ২৯ মার্চ ২০২৬

মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙার ডাক বায়রা ঐক্য ফ্রন্টের

মালয়েশিয়াগামী শ্রমবাজারকে ঘিরে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ আর অনিয়মের বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার হয়েছেন রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা।

রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী ঐক্য ফ্রন্ট’ এর উদ্যোগে এক মানববন্ধনে বক্তারা মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের বিতর্কিত সিন্ডিকেট অবিলম্বে ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান।
বিগত সরকারের আমলে এই বাজারে যে ভয়াবহ দুর্নীতি ও অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছিল, তার তীব্র সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ এই চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি তোলেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত সাধারণ এজেন্সি মালিকরা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন প্রেস ক্লাব এলাকা, যেখানে মূল সুর ছিল; শ্রমবাজার হবে সবার জন্য উন্মুক্ত, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর পকেটে নয়।
​বক্তারা সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করায় বর্তমান সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, কেবল একজন নয়, বরং এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যে থাকা নিজাম হাজারী, বেনজীর আহমদ, লোটাস কামাল, কালা ফিরোজ, মনসুর কালাম, কাজী মফিজ এবং রুহুল আমিন স্বপন ও দাতো আমিনের মতো কুশীলবদের যতক্ষণ গ্রেপ্তার করা না হচ্ছে, ততক্ষণ এই খাত কলঙ্কমুক্ত হবে না।
নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাওয়া অন্য ১৪টি দেশের মতো বাংলাদেশেও সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত করতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সিন্ডিকেটের হাতে সাধারণ কর্মীদের ভাগ্য জিম্মি থাকা মানেই অভিবাসন ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়া।
​এ সময় নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আবেদন জানিয়ে ঐক্য ফ্রন্টের নেতারা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো প্রকার সিন্ডিকেটকে প্রশ্রয় না দিয়ে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধনে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সমন্বয়ক এম এ সালাম, সিনিয়র সদস্য কাজী শাখাওয়াত হোসেন লিন্টু, মফিজ উদ্দীন, আকবার হোসেন মঞ্জু ও মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।
এ ছাড়া মাহবুবুল করিম সিদ্দিকী জাফর, এনামুল হক, আলতাব হোসেন ও হক জহিরুল জুঁইসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ সদস্য এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন, শ্রমবাজার নিয়ে আর কোনো লুটপাট সহ্য করা হবে না।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬


মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের সিন্ডিকেট ভাঙার ডাক বায়রা ঐক্য ফ্রন্টের

প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬

featured Image

মালয়েশিয়াগামী শ্রমবাজারকে ঘিরে দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ক্ষোভ আর অনিয়মের বিরুদ্ধে রাজপথে সোচ্চার হয়েছেন রিক্রুটিং এজেন্সির মালিকরা।

রবিবার (২৯ মার্চ) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘বায়রা সিন্ডিকেট বিরোধী ঐক্য ফ্রন্ট’ এর উদ্যোগে এক মানববন্ধনে বক্তারা মালয়েশিয়া শ্রমবাজারের বিতর্কিত সিন্ডিকেট অবিলম্বে ভেঙে দেওয়ার দাবি জানান।
বিগত সরকারের আমলে এই বাজারে যে ভয়াবহ দুর্নীতি ও অরাজকতা সৃষ্টি হয়েছিল, তার তীব্র সমালোচনা করে নেতৃবৃন্দ এই চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি তোলেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত সাধারণ এজেন্সি মালিকরা স্লোগানে স্লোগানে মুখরিত করে তোলেন প্রেস ক্লাব এলাকা, যেখানে মূল সুর ছিল; শ্রমবাজার হবে সবার জন্য উন্মুক্ত, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর পকেটে নয়।
​বক্তারা সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করায় বর্তমান সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। তবে তারা সতর্ক করে বলেন, কেবল একজন নয়, বরং এই সিন্ডিকেটের নেপথ্যে থাকা নিজাম হাজারী, বেনজীর আহমদ, লোটাস কামাল, কালা ফিরোজ, মনসুর কালাম, কাজী মফিজ এবং রুহুল আমিন স্বপন ও দাতো আমিনের মতো কুশীলবদের যতক্ষণ গ্রেপ্তার করা না হচ্ছে, ততক্ষণ এই খাত কলঙ্কমুক্ত হবে না।
নেতৃবৃন্দ দাবি করেন, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর সুযোগ পাওয়া অন্য ১৪টি দেশের মতো বাংলাদেশেও সকল বৈধ রিক্রুটিং এজেন্সির জন্য বাজার উন্মুক্ত করতে হবে। কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা সিন্ডিকেটের হাতে সাধারণ কর্মীদের ভাগ্য জিম্মি থাকা মানেই অভিবাসন ব্যয় বৃদ্ধি এবং দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হওয়া।
​এ সময় নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতি আবেদন জানিয়ে ঐক্য ফ্রন্টের নেতারা বলেন, রাষ্ট্র সংস্কারের কোনো প্রকার সিন্ডিকেটকে প্রশ্রয় না দিয়ে একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়ায় কর্মী পাঠানোর ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।
মানববন্ধনে বায়রার সাবেক যুগ্ম মহাসচিব ও বাগেরহাট জেলা বিএনপির সমন্বয়ক এম এ সালাম, সিনিয়র সদস্য কাজী শাখাওয়াত হোসেন লিন্টু, মফিজ উদ্দীন, আকবার হোসেন মঞ্জু ও মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামসহ শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন।
এ ছাড়া মাহবুবুল করিম সিদ্দিকী জাফর, এনামুল হক, আলতাব হোসেন ও হক জহিরুল জুঁইসহ বিপুল সংখ্যক সাধারণ সদস্য এই কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে স্পষ্ট বার্তা দেন, শ্রমবাজার নিয়ে আর কোনো লুটপাট সহ্য করা হবে না।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত