আসন্ন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। রোববার (২৯ মার্চ) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি এবারের নববর্ষের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার’।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নেতাই রায় চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নববর্ষ উদযাপনকে সার্বজনীন, সুশৃঙ্খল ও তাৎপর্যপূর্ণ করতে নিম্নোক্ত চার দফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—
১. পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
২. ছায়ানটের উদ্যোগে রমনা বটমূলে বরাবরের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। এটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বেসরকারি চ্যানেলগুলো বিটিভির ফিড ব্যবহার করবে।
৩. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে নববর্ষের বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
৪. রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় নববর্ষ উদযাপনে যথাযথ কর্মসূচি আয়োজন করবে শিল্পকলা একাডেমি, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন। এতে জাতীয়তাবাদ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থাকে (জাসাস) সম্পৃক্ত করা হবে।
সভায় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বাংলা নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, ঢাবির চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ, ছায়ানট প্রতিনিধি অধ্যাপক কাওসার হাসান টগর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ।
সভায় মোট ৬০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। জেলা ও অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ মার্চ ২০২৬
আসন্ন পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বাংলা নববর্ষ উদযাপনে চার দফা নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। রোববার (২৯ মার্চ) সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি এবারের নববর্ষের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘নববর্ষের ঐক্যতান, গণতন্ত্রের পুনরুদ্ধার’।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নেতাই রায় চৌধুরী। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে নববর্ষ উদযাপনকে সার্বজনীন, সুশৃঙ্খল ও তাৎপর্যপূর্ণ করতে নিম্নোক্ত চার দফা সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়—
১. পহেলা বৈশাখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে ঐতিহ্যবাহী শোভাযাত্রা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে কর্তৃপক্ষ। নিরাপত্তায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
২. ছায়ানটের উদ্যোগে রমনা বটমূলে বরাবরের মতো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবে। এটি বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচার করা হবে। বেসরকারি চ্যানেলগুলো বিটিভির ফিড ব্যবহার করবে।
৩. বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিসহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান নিজস্ব উদ্যোগে নববর্ষের বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করবে।
৪. রাজধানী ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় নববর্ষ উদযাপনে যথাযথ কর্মসূচি আয়োজন করবে শিল্পকলা একাডেমি, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসন। এতে জাতীয়তাবাদ সামাজিক সাংস্কৃতিক সংস্থাকে (জাসাস) সম্পৃক্ত করা হবে।
সভায় সর্বস্তরের মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বাংলা নববর্ষকে বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐক্য ও সংস্কৃতির প্রতীক হিসেবে উদযাপনের আহ্বান জানানো হয়।
সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মফিদুর রহমানের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, ঢাবির চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আজহারুল ইসলাম শেখ, ছায়ানট প্রতিনিধি অধ্যাপক কাওসার হাসান টগর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন, বিএনপি মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান প্রমুখ।
সভায় মোট ৬০ জন প্রতিনিধি অংশ নেন। জেলা ও অধিদপ্তরের প্রতিনিধিরা অনলাইনে যুক্ত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন