সুনামগঞ্জ শহরের ব্যস্ততম প্রাণকেন্দ্র ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন হক সুপার মার্কেটে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।
শহরের পুরাতন শহীদ মিনারের উল্টো পাশে জুতার মার্কেটেও আগুন লেগেছে। পাশে থাকা একটি ম্যাচলাইটের গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা মার্কেটের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। আগুনের তীব্রতা এতই বেশি যে দূর-দূরান্ত থেকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে।
জনবহুল এই এলাকায় আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করলেও আগুনের ভয়াবহতা ও সরু গলির কারণে তারা বেশ বেগ পোহাচ্ছেন। বাজারের দাহ্য পদার্থ ও ঘনবসতিপূর্ণ কাঠামোর কারণে আগুনের তীব্রতা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে।
প্রাথমিক অবস্থায় কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানানো হয়েছে, পানির স্বল্পতা এবং বাতাসের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে, তবে তারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। স্থানীয় জনসাধারণও অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের সাথে আগুন নেভানোর লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) মধ্যরাতের এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
সুনামগঞ্জ শহরের ব্যস্ততম প্রাণকেন্দ্র ট্রাফিক পয়েন্ট সংলগ্ন হক সুপার মার্কেটে এক ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়েছে।
শহরের পুরাতন শহীদ মিনারের উল্টো পাশে জুতার মার্কেটেও আগুন লেগেছে। পাশে থাকা একটি ম্যাচলাইটের গোডাউন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আকস্মিক এই অগ্নিকাণ্ডে মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের লেলিহান শিখা মার্কেটের চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এবং বেশ কয়েকটি দোকান ভস্মীভূত হয়েছে। আগুনের তীব্রতা এতই বেশি যে দূর-দূরান্ত থেকেও ধোঁয়ার কুণ্ডলী দেখা যাচ্ছে।
জনবহুল এই এলাকায় আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মাঝে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে।
ঘটনার পরপরই ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা শুরু করলেও আগুনের ভয়াবহতা ও সরু গলির কারণে তারা বেশ বেগ পোহাচ্ছেন। বাজারের দাহ্য পদার্থ ও ঘনবসতিপূর্ণ কাঠামোর কারণে আগুনের তীব্রতা ক্রমান্বয়ে বেড়েই চলেছে।
প্রাথমিক অবস্থায় কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে যাওয়ার খবর পাওয়া গেছে এবং ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানানো হয়েছে, পানির স্বল্পতা এবং বাতাসের কারণে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে সময় লাগছে, তবে তারা তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা অব্যাহত রেখেছেন। স্থানীয় জনসাধারণও অগ্নিনির্বাপক কর্মীদের সাথে আগুন নেভানোর লড়াইয়ে শামিল হয়েছেন।
সোমবার (৩০ মার্চ) মধ্যরাতের এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

আপনার মতামত লিখুন