ইরানের তেলসম্পদ এবং ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার (২৯ মার্চ) ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া, কিন্তু (যদি আমি তা শুরু করি তাহলে) যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক বলবে, ‘আপনি এটা কেন করছেন?’ তবে তারা নির্বোধ।”
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, না ও নিতে পারিৃএমনও হতে পারে যে খার্গ দ্বীপের দখল নিয়ে আমরা সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থানও নিতে পারি— আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।”
ইরান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।
আর পারস্য উপসাগরের ইরানের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের চালান এই দ্বীপ থেকেই বহির্বিশ্বে যায়। কৌশলগতভাবেও এ দ্বীপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ইরানের তেলসম্পদ এবং ‘অর্থনীতির মেরুদণ্ড’ নামে পরিচিত খার্গ দ্বীপের দখল নিতে চায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় গতকাল রোববার (২৯ মার্চ) ব্রিটিশ দৈনিক ফিন্যান্সিয়াল টাইমস কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এ কথা জানিয়েছেন তিনি।
সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, “সত্যি বলতে কি, আমার সবচেয়ে পছন্দের কাজ হলো ইরান থেকে তেল নেওয়া, কিন্তু (যদি আমি তা শুরু করি তাহলে) যুক্তরাষ্ট্রের কিছু নির্বোধ লোক বলবে, ‘আপনি এটা কেন করছেন?’ তবে তারা নির্বোধ।”
খার্গ দ্বীপের দখল নেওয়া প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, “আমরা খার্গ দ্বীপের দখল নিতে পারি, না ও নিতে পারিৃএমনও হতে পারে যে খার্গ দ্বীপের দখল নিয়ে আমরা সেখানে কিছু সময়ের জন্য অবস্থানও নিতে পারি— আমাদের হাতে অনেক বিকল্প আছে।”
ইরান বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ তেল উৎপাদনকারী দেশ। তথ্য অনুযায়ী, ইরানর খনিগুলোতে মজুত তেলের পরিমাণ কমপক্ষে ২০৮.৬ বিলিয়ন ব্যারেল, যা বিশ্বের মোট মজুদের প্রায় ১১.৮২%। ভেনেজুয়েলা ও সৌদি আরবের পর এটি বিশ্বের তৃতীয় বৃহত্তম তেলের মজুদ। ইরানের অর্থনীতি অনেকাংশে তেল রপ্তানির ওপর নির্ভরশীল এবং এর সিংহভাগ (প্রায় ৯০%) তেল চীনে রপ্তানি করা হয়।
আর পারস্য উপসাগরের ইরানের উপকূল থেকে ২৬ কিলোমিটার এবং হরমুজ প্রণালি থেকে ৪৮৩ কিলোমিটার উত্তরপশ্চিমে অবস্থিত ৫ বর্গমাইল আয়তনের খার্গ দ্বীপ ইরানের জ্বালানি বাণিজ্যের ‘প্রাণ’ হিসেবে পরিচিত। দেশটির ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এবং তরল গ্যাসের চালান এই দ্বীপ থেকেই বহির্বিশ্বে যায়। কৌশলগতভাবেও এ দ্বীপটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার মতামত লিখুন