সুনামগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র ট্রাফিক পয়েন্টসংলগ্ন হক সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুতই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোতে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়লে পার্শ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুর ও শান্তিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ইউনিট যোগ দেয়। মোট পাঁচটি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে পপুলার ইলেকট্রনিকস, আজাদ সুজ, মৌ সুজ, বেবী সুজ, বিক্রমপুর সুজসহ অন্তত ১০টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে।
পপুলার ইলেকট্রনিকসের মালিক এ বি এম জাকির হোসেন পারভেজ বলেন, “পৌনে ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় গিয়ে খেতে বসেছিলাম। তখনই আগুন লাগার খবর পাই। গিয়ে দেখি সব শেষ। আমার দোকানে অনেক মালামাল ছিল, কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
বিক্রমপুর শো স্টোরের মালিক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “দোকান বন্ধ করে বাসার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর আগুন লাগার খবর পাই। এসে দেখি আমাদের দোকানসহ কয়েকটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আমার প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জালাল আহমদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, যাতে কোনো লুটপাটের ঘটনা না ঘটে। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারত।
সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সামছুল হক বলেন, “রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বেশ কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।”

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
সুনামগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র ট্রাফিক পয়েন্টসংলগ্ন হক সুপার মার্কেটে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ১০টি দোকান পুড়ে গেছে। এতে প্রাথমিকভাবে প্রায় ১০ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গতকাল রোববার (২৯ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় ১১টার দিকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দ্রুতই আগুনের লেলিহান শিখা ছড়িয়ে পড়ে আশপাশের দোকানগুলোতে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পরে আগুনের তীব্রতা বাড়লে পার্শ্ববর্তী বিশ্বম্ভরপুর ও শান্তিগঞ্জ ফায়ার স্টেশন থেকে আরও ইউনিট যোগ দেয়। মোট পাঁচটি ইউনিটের প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত ১টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে পপুলার ইলেকট্রনিকস, আজাদ সুজ, মৌ সুজ, বেবী সুজ, বিক্রমপুর সুজসহ অন্তত ১০টি দোকান সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হয়েছে।
পপুলার ইলেকট্রনিকসের মালিক এ বি এম জাকির হোসেন পারভেজ বলেন, “পৌনে ১১টার দিকে দোকান বন্ধ করে বাসায় গিয়ে খেতে বসেছিলাম। তখনই আগুন লাগার খবর পাই। গিয়ে দেখি সব শেষ। আমার দোকানে অনেক মালামাল ছিল, কিছুই রক্ষা করতে পারিনি। অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
বিক্রমপুর শো স্টোরের মালিক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, “দোকান বন্ধ করে বাসার উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ পর আগুন লাগার খবর পাই। এসে দেখি আমাদের দোকানসহ কয়েকটি দোকানে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আমার প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।”
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার জালাল আহমদ বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে।
সুনামগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সময় পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল, যাতে কোনো লুটপাটের ঘটনা না ঘটে। আগুন দ্রুত নিয়ন্ত্রণে না এলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়তে পারত।
সুনামগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি সামছুল হক বলেন, “রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বেশ কয়েকটি দোকান সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনেক। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।”

আপনার মতামত লিখুন