কুষ্টিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম আজমের (৫২) শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে স্থিতিশীল। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার সন্ধ্যায় মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের সদরপুর বাজারে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে তাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।
শফিকুল ইসলাম একই ইউনিয়নের বিল আমলা গ্রামের মৃত আবুল মন্ডলের ছেলে। তিনি আমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড তাজা গুলি, একটি ম্যাগাজিন এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় শফিকুল ইসলাম সদরপুর বাজারে অবস্থিত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। তখন কয়েকজন তাকে প্রতিষ্ঠানের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যে লক্ষ্যভেদে গুলি ছোঁড়া হয় এবং দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা হোসেন ইমাম জানান, তার ডান চোখ, বাম চোয়াল এবং উপরের পেটে গুলি লাগে। পেটে লাগা গুলিতে ভেতরের রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে রাতে গুলিবিদ্ধ নেতা আজমকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সহকারী পুলিশ সুপার (মিরপুর সার্কেল) মুহাম্মদ মাহমুদুল হক মজুমদার জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
কুষ্টিয়ায় দুর্বৃত্তদের ছোড়া গুলিতে মারাত্মকভাবে আহত আওয়ামী লীগ নেতা শফিকুল ইসলাম আজমের (৫২) শারীরিক অবস্থা ধীরে ধীরে স্থিতিশীল। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে তার পরিবারের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
রোববার সন্ধ্যায় মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের সদরপুর বাজারে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান থেকে ডেকে নিয়ে তাকে গুলি করে দুর্বৃত্তরা।
শফিকুল ইসলাম একই ইউনিয়নের বিল আমলা গ্রামের মৃত আবুল মন্ডলের ছেলে। তিনি আমলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড তাজা গুলি, একটি ম্যাগাজিন এবং একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সন্ধ্যায় শফিকুল ইসলাম সদরপুর বাজারে অবস্থিত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে ছিলেন। তখন কয়েকজন তাকে প্রতিষ্ঠানের বাইরে ডেকে নিয়ে যান। কিছুক্ষণের মধ্যে লক্ষ্যভেদে গুলি ছোঁড়া হয় এবং দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা হোসেন ইমাম জানান, তার ডান চোখ, বাম চোয়াল এবং উপরের পেটে গুলি লাগে। পেটে লাগা গুলিতে ভেতরের রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় প্রচুর রক্তক্ষরণের কারণে আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে রাতে গুলিবিদ্ধ নেতা আজমকে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
এদিকে সহকারী পুলিশ সুপার (মিরপুর সার্কেল) মুহাম্মদ মাহমুদুল হক মজুমদার জানান, ঘটনার তদন্ত চলছে। ঘটনাস্থল থেকে তিন রাউন্ড তাজা গুলি ও একটি ম্যাগাজিন উদ্ধার করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন