জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত আরও দুটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম দুই তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ হওয়ার পর খায়রুল হকের পক্ষে জামিন আবেদন করা
হলে আদালত তা নাকচ করে দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানায়
দায়ের করা পৃথক দুটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল।
আজ শুনানির সময় সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে আদালতে হাজির
করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে পিপি ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে অংশ নেন। আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট
মোনায়েম কবীর (শাহিন) জামিন চাইলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে প্রথম
গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তখন তাকে পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলাগুলোতে
নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। গত বছরের ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট
জামিন প্রশ্নে রুল জারি করার মাধ্যমে ওই পাঁচ মামলার আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।
এর মধ্যেই নতুন এই দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের
১৭ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন
আপিল বেঞ্চই ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিয়েছিল,
যার ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।
পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘ সময় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে
দায়িত্ব পালন করেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে
তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
জুলাই আন্দোলনের সময় সংঘটিত আরও দুটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামশেদ আলম দুই তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
ঢাকা মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) ওমর ফারুক ফারুকী বিষয়টি
নিশ্চিত করেছেন। গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ হওয়ার পর খায়রুল হকের পক্ষে জামিন আবেদন করা
হলে আদালত তা নাকচ করে দেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও আদাবর থানায়
দায়ের করা পৃথক দুটি হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছিল।
আজ শুনানির সময় সাবেক এই প্রধান বিচারপতিকে আদালতে হাজির
করা হয়। রাষ্ট্রপক্ষে পিপি ওমর ফারুক ফারুকী শুনানিতে অংশ নেন। আসামিপক্ষে অ্যাডভোকেট
মোনায়েম কবীর (শাহিন) জামিন চাইলে আদালত তা নামঞ্জুর করেন।
২০২৪ সালের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসা থেকে খায়রুল হককে প্রথম
গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তখন তাকে পাঁচটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। ওই মামলাগুলোতে
নিম্ন আদালতে জামিন না পেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। গত বছরের ২৬ অক্টোবর হাইকোর্ট
জামিন প্রশ্নে রুল জারি করার মাধ্যমে ওই পাঁচ মামলার আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়।
এর মধ্যেই নতুন এই দুই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হলো।
এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০১১ সালের
১৭ মে পর্যন্ত বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর নেতৃত্বাধীন
আপিল বেঞ্চই ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দিয়েছিল,
যার ফলে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে যায়।
পরবর্তীতে তিনি দীর্ঘ সময় আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে
দায়িত্ব পালন করেন। গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে
তিনি আইন কমিশন থেকে পদত্যাগ করেন।

আপনার মতামত লিখুন