হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার সুনেশ্বর গ্রামে দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর প্রায় ১২টায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সুনেশ্বর গ্রামের জালাল মিয়া ও রশম আলীর গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বাকবিতণ্ডা চলে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
লাখাই থানার ওসি (তদন্ত) কৃষ্ণ চন্দ্র মিত্র বলেন, ‘দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।’
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে ভর্তিও করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রামে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার সুনেশ্বর গ্রামে দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুর প্রায় ১২টায় এ সংঘর্ষ শুরু হয়। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সুনেশ্বর গ্রামের জালাল মিয়া ও রশম আলীর গোষ্ঠীর লোকজনের মধ্যে দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বাকবিতণ্ডা চলে। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে একে অপরের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী এ সংঘর্ষে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
খবর পেয়ে লাখাই থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় নতুন করে সংঘর্ষ এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
লাখাই থানার ওসি (তদন্ত) কৃষ্ণ চন্দ্র মিত্র বলেন, ‘দোকানের পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিক তথ্যে জানা যায়, এতে উভয় পক্ষের ২৫ জন আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে আছে।’
তিনি আরও জানান, এখন পর্যন্ত কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। কয়েকজনকে ভর্তিও করা হয়েছে। এ ঘটনায় গ্রামে এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন