নওগাঁ জেলা থেকে মোট ৩৮টি নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে হাম-রুবেলা রোগ শনাক্তের জন্য। এর মধ্যে ৩০টির ফলাফল এসেছে; পাঁচজন হাম এবং একজন রুবেলায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। বাকি আটটি পরীক্ষার ফলাফল এখনও আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বয়স ৬–৯ মাসের মধ্যে, এবং তারা নওগাঁ সদর, পোরশা, নিয়ামতপুর, সাপাহার, আত্রাই ও মান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হামের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই; তাই উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা যেমন জ্বর নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত পানি, পুষ্টিকর খাবার এবং ভিটামিন ‘এ’ প্রদান গুরুত্বপূর্ণ। জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে মাঠপর্যায়ে দেখা গেছে, অনেক সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন সুবিধার অভাব রয়েছে, যা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করছে। অভিভাবকরা চিকিৎসা সেবার সীমাবদ্ধতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নওগাঁ সদর হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞরা জানান, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ; উপযুক্ত টিকাদান না হলে শিশুরা ঝুঁকিতে থাকে।
সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নওগাঁ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। আক্রান্তদের আশপাশের ৪০টি বাড়ির শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ দেওয়া হচ্ছে, এবং অন্যান্য উপজেলাগুলোতে বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
আগামী মে মাসে সারাদেশে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিশুদের এমআর টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত পৃথক চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার, পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন, অন্যথায় সংক্রমণ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
নওগাঁ জেলা থেকে মোট ৩৮টি নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে হাম-রুবেলা রোগ শনাক্তের জন্য। এর মধ্যে ৩০টির ফলাফল এসেছে; পাঁচজন হাম এবং একজন রুবেলায় আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন। বাকি আটটি পরীক্ষার ফলাফল এখনও আগমনের অপেক্ষায় রয়েছে। আক্রান্ত শিশুদের বয়স ৬–৯ মাসের মধ্যে, এবং তারা নওগাঁ সদর, পোরশা, নিয়ামতপুর, সাপাহার, আত্রাই ও মান্দা উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা।
স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, হামের কোনো নির্দিষ্ট অ্যান্টিভাইরাল চিকিৎসা নেই; তাই উপসর্গভিত্তিক চিকিৎসা যেমন জ্বর নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত পানি, পুষ্টিকর খাবার এবং ভিটামিন ‘এ’ প্রদান গুরুত্বপূর্ণ। জটিলতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
তবে মাঠপর্যায়ে দেখা গেছে, অনেক সরকারি হাসপাতালে আইসোলেশন সুবিধার অভাব রয়েছে, যা সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি করছে। অভিভাবকরা চিকিৎসা সেবার সীমাবদ্ধতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। নওগাঁ সদর হাসপাতালের শিশু রোগ বিশেষজ্ঞরা জানান, হাম অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ; উপযুক্ত টিকাদান না হলে শিশুরা ঝুঁকিতে থাকে।
সিভিল সার্জন ডা. আমিনুল ইসলাম জানিয়েছেন, জেলা সদর হাসপাতাল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে আইসোলেশন বেড প্রস্তুত রাখা হয়েছে। নওগাঁ পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড এবং নিয়ামতপুর উপজেলার ভাবিচা ইউনিয়নের একটি ওয়ার্ডে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা গেছে। আক্রান্তদের আশপাশের ৪০টি বাড়ির শিশুদের ভিটামিন ‘এ’ দেওয়া হচ্ছে, এবং অন্যান্য উপজেলাগুলোতে বিশেষ নজরদারি কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
আগামী মে মাসে সারাদেশে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচির অংশ হিসেবে শিশুদের এমআর টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া হবে। বিশেষজ্ঞরা দ্রুত পৃথক চিকিৎসা ব্যবস্থা জোরদার, পর্যাপ্ত পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন, অন্যথায় সংক্রমণ আরও বিস্তার লাভ করতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন