কক্সবাজারের চকরিয়ায় একটি বন্য হাতিকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাসখানেক আগে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হাতির মৃতদেহের গন্ধের সূত্র ধরে বন বিভাগ এর কঙ্কাল ও দেহাবশেষ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা গুলি করে অথবা জেনারেটরের বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হাতিটিকে হত্যা করেছে। এরপর মরদেহ গোপন করতে মাটিচাপা দেয় এবং ওপরে একটি ছোট কাঁচা ঘর তুলে দেয়।
পাহাড়ের ঢালে আবাদি জমির ফসল খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করার জন্য হাতিটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বন্যপ্রাণী নিধন আইনে দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অজ্ঞাতনামা হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এই ঘটনা বনে নজরদারির দুর্বলতা তুলে ধরেছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো বলছে, নিয়মিত টহল ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ থাকলে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হতো। একটি বিশাল প্রাণীর মরদেহ দীর্ঘদিন মাটিচাপা অবস্থায় থাকা এবং তার ওপর ঘর নির্মাণের মতো বিষয় বনকর্মীদের নজরে না আসা দায়িত্ব অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।
কক্সবাজারের বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বন উজাড়, অবৈধ দখল ও খাদ্য সংকটের কারণে হাতির আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে হাতির পাল প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। মানুষ-হাতি সংঘাত বাড়ছে। এই সংঘাত কমাতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
হাতি হত্যার জন্য দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারের চকরিয়ায় একটি বন্য হাতিকে হত্যা করে মাটিতে পুঁতে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ধারণা করা হচ্ছে, মাসখানেক আগে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। হাতির মৃতদেহের গন্ধের সূত্র ধরে বন বিভাগ এর কঙ্কাল ও দেহাবশেষ উদ্ধার করে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা গুলি করে অথবা জেনারেটরের বৈদ্যুতিক শক দিয়ে হাতিটিকে হত্যা করেছে। এরপর মরদেহ গোপন করতে মাটিচাপা দেয় এবং ওপরে একটি ছোট কাঁচা ঘর তুলে দেয়।
পাহাড়ের ঢালে আবাদি জমির ফসল খেয়ে ও মাড়িয়ে নষ্ট করার জন্য হাতিটিকে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে। বন বিভাগের ফাঁসিয়াখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বন্যপ্রাণী নিধন আইনে দায়ীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। অজ্ঞাতনামা হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।
এই ঘটনা বনে নজরদারির দুর্বলতা তুলে ধরেছে। স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনগুলো বলছে, নিয়মিত টহল ও কার্যকর পর্যবেক্ষণ থাকলে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা সম্ভব হতো। একটি বিশাল প্রাণীর মরদেহ দীর্ঘদিন মাটিচাপা অবস্থায় থাকা এবং তার ওপর ঘর নির্মাণের মতো বিষয় বনকর্মীদের নজরে না আসা দায়িত্ব অবহেলার ইঙ্গিত দেয়।
কক্সবাজারের বনাঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরে বন উজাড়, অবৈধ দখল ও খাদ্য সংকটের কারণে হাতির আবাসস্থল সংকুচিত হয়ে পড়েছে। ফলে হাতির পাল প্রায়ই লোকালয়ে চলে আসছে। মানুষ-হাতি সংঘাত বাড়ছে। এই সংঘাত কমাতে সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন।
হাতি হত্যার জন্য দোষীদের দ্রুত শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন