টাঙ্গাইলের সখীপুরে মুক্তা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। তার ছেলে মুরাদ পলাতক থাকায় সন্দেহের তীর এখন তার দিকে। সোমবার (৩০ মার্চ) উপজেলার গজারিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নিহত মুক্তা বেগমের স্বামী আলহাজ্ব মিয়া প্রায় তিন বছর ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। রোববার স্বামী মোবাইলে কিছু টাকা পাঠান। পরে ছেলে মুরাদ গোপনে মায়ের মোবাইল চুরি করে ক্যাশ আউট করে। এরপর মাদকাসক্ত মুরাদ তার মায়ের উপর হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
ঘটনার দিন সকালে মুরাদ তার ছোট বোনকে নিয়ে নানীর বাড়িতে চলে যায়। এরপর নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ঘরে ঢুকে দেখেন মুক্তা বেগমের নিথর দেহ এক কোণে পড়ে আছে।
নিহতের বাবার বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেছেন, মুক্তা বেগমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং এর পেছনে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জড়িত থাকতে পারে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ হেলাল উদ্দিন পিপিএম বলেন, মৃত ব্যক্তির মাথায় আঘাত পাওয়া গেছে, তাই প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে। পলাতক ছেলে মুরাদকে খুঁজে পাওয়া গেলে ঘটনার আসল রহস্য উন্মোচিত হতে পারে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
টাঙ্গাইলের সখীপুরে মুক্তা বেগম (৩৫) নামে এক গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার করেছে সখীপুর থানা পুলিশ। তার ছেলে মুরাদ পলাতক থাকায় সন্দেহের তীর এখন তার দিকে। সোমবার (৩০ মার্চ) উপজেলার গজারিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, নিহত মুক্তা বেগমের স্বামী আলহাজ্ব মিয়া প্রায় তিন বছর ধরে কাতারে অবস্থান করছেন। রোববার স্বামী মোবাইলে কিছু টাকা পাঠান। পরে ছেলে মুরাদ গোপনে মায়ের মোবাইল চুরি করে ক্যাশ আউট করে। এরপর মাদকাসক্ত মুরাদ তার মায়ের উপর হামলা চালিয়ে হত্যা করেছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছেন।
ঘটনার দিন সকালে মুরাদ তার ছোট বোনকে নিয়ে নানীর বাড়িতে চলে যায়। এরপর নিখোঁজ হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা ঘরে ঢুকে দেখেন মুক্তা বেগমের নিথর দেহ এক কোণে পড়ে আছে।
নিহতের বাবার বাড়ির লোকজন অভিযোগ করেছেন, মুক্তা বেগমকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং এর পেছনে শ্বশুরবাড়ির লোকজন জড়িত থাকতে পারে।
সখীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি মোঃ হেলাল উদ্দিন পিপিএম বলেন, মৃত ব্যক্তির মাথায় আঘাত পাওয়া গেছে, তাই প্রাথমিকভাবে এটি একটি হত্যাকাণ্ড মনে হচ্ছে। পলাতক ছেলে মুরাদকে খুঁজে পাওয়া গেলে ঘটনার আসল রহস্য উন্মোচিত হতে পারে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন