বাগেরহাটের শরণখোলায় বাইজিদ মোল্লা (১৫) নামে এক ওয়ার্কশপ শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শ্রমিক উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পূর্ব রাজৈর গ্রামের মৃত জলিল মোল্লার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রমিক বাইজিদ শরণখোলা থানার সামনের মেসার্স মা স্টিল অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্কশপে কাজ করতেন। দুপুরের দিকে ওয়ার্কশপের মালিক সাইফুল ইসলাম বাইজিদসহ আরও কয়েকজন শ্রমিককে উপজেলার কদমতলা গ্রামের রফিকুল জমাদ্দারের বাড়িতে ঘরের চালায় লোহার অ্যাঙ্গেল ও টিন লাগাতে পাঠান। সেখানে অ্যাঙ্গেল ঝালাই করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বাইজিদ।
সহকর্মীরা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা ইব্রাহিম মোল্লা ভাতিজার মৃত্যু রহস্যজনক দাবি করে বলেন, তার মুখ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি।
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নওশিন রিজওয়ানা বলেন, বাইজিদ নামের যুবককে মৃত অবস্থায় তার সহকর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশকে জানানো হয় বিষয়টি।
শরণখোলা থানার ওসি মো. শামিনুল হক বলেন, যুবকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের সন্দেহ থাকায় মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
বাগেরহাটের শরণখোলায় বাইজিদ মোল্লা (১৫) নামে এক ওয়ার্কশপ শ্রমিকের রহস্যজনক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল চারটার দিকে হাসপাতাল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত শ্রমিক উপজেলার খোন্তাকাটা ইউনিয়নের পূর্ব রাজৈর গ্রামের মৃত জলিল মোল্লার ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শ্রমিক বাইজিদ শরণখোলা থানার সামনের মেসার্স মা স্টিল অ্যান্ড থাই অ্যালুমিনিয়াম ওয়ার্কশপে কাজ করতেন। দুপুরের দিকে ওয়ার্কশপের মালিক সাইফুল ইসলাম বাইজিদসহ আরও কয়েকজন শ্রমিককে উপজেলার কদমতলা গ্রামের রফিকুল জমাদ্দারের বাড়িতে ঘরের চালায় লোহার অ্যাঙ্গেল ও টিন লাগাতে পাঠান। সেখানে অ্যাঙ্গেল ঝালাই করতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন বাইজিদ।
সহকর্মীরা উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের চাচা ইব্রাহিম মোল্লা ভাতিজার মৃত্যু রহস্যজনক দাবি করে বলেন, তার মুখ ও শরীরে আঘাতের চিহ্ন দেখা গেছে। এ বিষয়ে সঠিক তদন্ত দাবি করেন তিনি।
শরণখোলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. নওশিন রিজওয়ানা বলেন, বাইজিদ নামের যুবককে মৃত অবস্থায় তার সহকর্মীরা হাসপাতালে নিয়ে আসেন। পরে পুলিশকে জানানো হয় বিষয়টি।
শরণখোলা থানার ওসি মো. শামিনুল হক বলেন, যুবকের মৃত্যু নিয়ে পরিবারের সন্দেহ থাকায় মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় একটি অপমৃত্যু রেকর্ড করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন