সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

‘মব কালচার’ নিয়ে প্রশ্ন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন রুমিন


নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
নিজস্ব বার্তা পরিবেশক
প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬

‘মব কালচার’ নিয়ে প্রশ্ন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন রুমিন
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা

দেশে প্রচলিত মব কালচার বন্ধে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

প্রশ্নের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসা করে রুমিন ফারহানা বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের কপাল এমন যে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা সব সময়ই থাকে। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, উনি অত্যন্ত দক্ষ, যোগ্য ব্যক্তি। উনি সংবিধান যেমন ভালো জানেন, আমি নিশ্চিত উনি উনার মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারেও অনেক বেশি জানেন। সে কারণেই একেবারে সম্পূরক প্রশ্ন ঠিক ওই মূল প্রশ্নের আঙ্গিকে না হলেও আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, দীর্ঘ ১৫ বছর গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন, নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙে ফেলা, অসুস্থ করে দেওয়া—এই কালচার ছিল।”

রুমিন ফারহানা বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছর গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন, নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙে ফেলা, অসুস্থ করে দেওয়া এই কালচার ছিল। এরপরে অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় আমরা দেখলাম মব কালচার। ২০২৪-এর সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬-এর জানুয়ারি পর্যন্ত আমাদের যেই পরিসংখ্যান, সেটা বলছে যে ২৫০ থেকে ৩০০ এর ওপরে মানুষ নিহত হয়েছে এই মবের খপ্পরে পড়ে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে রুমিন ফারহানা বলেন, “যেহেতু একটা খারাপ কালচার বাংলাদেশের শুরু হয়েছে এবং আমি নিজেও ২১ ফেব্রুয়ারি সেটার একজন ভুক্তভোগী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ব্যাপারে কী কী পদক্ষেপ নেবেন?” 

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মব কালচারের ইস্যুটি একটা ডিফারেন্ট ডিবেট, আলাদা ডিবেট হতে পারতো। যত পরিসংখ্যান তিনি দিয়েছেন, ২৪-এর ৫ আগস্টের পর থেকে এই ২৬-এর জানুয়ারি পর্যন্ত, সে পরিসংখ্যানটা আমার কাছে নাই। তবে আমাদের কাছে অনুমান আছে। আমরা সরকারের দায়িত্ব পেয়েছি— আমরা এই রেসপন্সিবিলিটি পেয়েছি। এই দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে আজকে আমরা প্রায় ৪৫ দিনও এখনো হয়নি।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এর মধ্যে ঠিক মব নয়, মবের মতো—কারণ এখানে ডেফিনিশন আলাদা করতে হবে। গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে থানায় গিয়ে হামলা, সেটা কি মব হবে? না কি ২১ ফেব্রুয়ারিতে সংসদ সদস্যের (রুমিন ফারহানা) ওপর হামলা হয়েছে, সেটা কি মব হবে? নাকি উত্তরা একটা বিজনেস সেন্টার, উত্তরা স্কয়ারে ঘেরাও করে দোকানপাট বন্ধ করেছে, সেটা কি মব হবে? সবকিছুকে মব বলা ঠিক হবে না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “কিছু আছে সংগঠিত, পরিকল্পিত অপরাধ। তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং সেটা তদন্ত হয়, গ্রেপ্তার হয় এবং বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়। কিন্তু স্পষ্ট উচ্চারণ আমরা করেছি দায়িত্ব নেয়ার পরে—বাংলাদেশে কোনো রকমের মব কালচার আর থাকবে না।”

মহাসড়ক-সড়ক অবরোধ কলে দাবি আদায়ের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাস্তাতে যেকোনো দাবি নিয়ে মহাসড়ক-সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের যে প্রবণতা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেখা গিয়েছে, ক্ষেত্রবিশেষে সরকারের দুর্বলতার কারণে ইন্সপায়ার্ড হয়েছে, সেটাকে আমরা আর কখনো অ্যালাউ করব না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি থাকবে সেই দাবির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মন্ত্রণালয়ের কাছে ডিপার্টমেন্টের কাছে অবশ্যই দাবিনামা স্মারকলিপি দেওয়া যাবে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “কিছু আছে সংগঠিত পরিকল্পিত অপরাধ তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং সেটা তদন্ত হয়। গ্রেফতার হয় এবং বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়। কিন্তু স্পষ্ট উচ্চারণ আমরা করেছি দায়িত্ব নেয়ার পরে বাংলাদেশে কোনো রকমের মব কালচার আর থাকবে না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাস্তাতে যেকোনো দাবি নিয়ে মহাসড়ক সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের যে প্রবণতা ইন্টারিম গভমেন্টের সময় দেখা গিয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে সেই গভর্নমেন্টের দুর্বলতার কারণে ইন্সপায়ারড হয়েছে সেটাকে আমরা আর কখনো এলাও করব না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি থাকবে, সেই দাবির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে, মন্ত্রণালয়ের কাছে, ডিপার্টমেন্টের কাছে অবশ্যই দাবিনামা স্মারকলিপি দেয়া যাবে। সেজন্য জনমত সৃষ্টির জন্য সেমিনার, সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। প্রয়োজনে সেটা একটা জনসভার মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে। রাইট টু অ্যাসোসিয়েশন, রাইট টু স্পিক—এগুলো আমরা এনশিওর করবো। সেটা করা যাবে, ইটস ডেমোক্র্যাটিক কালচার।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কিন্তু মবের মাধ্যমে যেন আমরা সবাই এই সমস্ত দাবি আদায়ের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসি। যখন সেটা মব হবে, মবের ডেফিনিশন আলাদা। স্পেসিফিক ক্রাইম হবে, ক্রাইমের ডেফিনিশন আলাদা। কোথাও থানায় গিয়ে আক্রমণ হবে সেটা আলাদা।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমি এই প্রসঙ্গটা এখানে তুলছি না। কারণ এটা একটা রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে যাবে তখন। কোনোদিন যদি সেই বিষয়ে কেউ নোটিশ দেয়, সেটা করবো। অথবা আমারও ইচ্ছা আছে দুই-একদিন পরে ৩০০ বিধিতে আমি একটা বিবৃতি দেব।”

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬


‘মব কালচার’ নিয়ে প্রশ্ন, সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসা করলেন রুমিন

প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬

featured Image

দেশে প্রচলিত মব কালচার বন্ধে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করবে- এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের কাছে প্রশ্ন রেখেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

প্রশ্নের শুরুতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসা করে রুমিন ফারহানা বলেন, “বাংলাদেশের মানুষের কপাল এমন যে মরার ওপর খাঁড়ার ঘা সব সময়ই থাকে। আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, উনি অত্যন্ত দক্ষ, যোগ্য ব্যক্তি। উনি সংবিধান যেমন ভালো জানেন, আমি নিশ্চিত উনি উনার মন্ত্রণালয়ের ব্যাপারেও অনেক বেশি জানেন। সে কারণেই একেবারে সম্পূরক প্রশ্ন ঠিক ওই মূল প্রশ্নের আঙ্গিকে না হলেও আমি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, দীর্ঘ ১৫ বছর গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন, নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙে ফেলা, অসুস্থ করে দেওয়া—এই কালচার ছিল।”

রুমিন ফারহানা বলেন, “দীর্ঘ ১৫ বছর গুম, বিচার বহির্ভূত হত্যা, হেফাজতে নির্যাতন, নেতাকর্মীদের ধরে নিয়ে গিয়ে পা ভেঙে ফেলা, অসুস্থ করে দেওয়া এই কালচার ছিল। এরপরে অন্তবর্তীকালীন সরকারের সময় আমরা দেখলাম মব কালচার। ২০২৪-এর সেপ্টেম্বর থেকে ২০২৬-এর জানুয়ারি পর্যন্ত আমাদের যেই পরিসংখ্যান, সেটা বলছে যে ২৫০ থেকে ৩০০ এর ওপরে মানুষ নিহত হয়েছে এই মবের খপ্পরে পড়ে।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন রেখে রুমিন ফারহানা বলেন, “যেহেতু একটা খারাপ কালচার বাংলাদেশের শুরু হয়েছে এবং আমি নিজেও ২১ ফেব্রুয়ারি সেটার একজন ভুক্তভোগী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ব্যাপারে কী কী পদক্ষেপ নেবেন?” 

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “মব কালচারের ইস্যুটি একটা ডিফারেন্ট ডিবেট, আলাদা ডিবেট হতে পারতো। যত পরিসংখ্যান তিনি দিয়েছেন, ২৪-এর ৫ আগস্টের পর থেকে এই ২৬-এর জানুয়ারি পর্যন্ত, সে পরিসংখ্যানটা আমার কাছে নাই। তবে আমাদের কাছে অনুমান আছে। আমরা সরকারের দায়িত্ব পেয়েছি— আমরা এই রেসপন্সিবিলিটি পেয়েছি। এই দায়িত্ব নেয়ার পর থেকে আজকে আমরা প্রায় ৪৫ দিনও এখনো হয়নি।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এর মধ্যে ঠিক মব নয়, মবের মতো—কারণ এখানে ডেফিনিশন আলাদা করতে হবে। গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে থানায় গিয়ে হামলা, সেটা কি মব হবে? না কি ২১ ফেব্রুয়ারিতে সংসদ সদস্যের (রুমিন ফারহানা) ওপর হামলা হয়েছে, সেটা কি মব হবে? নাকি উত্তরা একটা বিজনেস সেন্টার, উত্তরা স্কয়ারে ঘেরাও করে দোকানপাট বন্ধ করেছে, সেটা কি মব হবে? সবকিছুকে মব বলা ঠিক হবে না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “কিছু আছে সংগঠিত, পরিকল্পিত অপরাধ। তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং সেটা তদন্ত হয়, গ্রেপ্তার হয় এবং বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়। কিন্তু স্পষ্ট উচ্চারণ আমরা করেছি দায়িত্ব নেয়ার পরে—বাংলাদেশে কোনো রকমের মব কালচার আর থাকবে না।”

মহাসড়ক-সড়ক অবরোধ কলে দাবি আদায়ের বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাস্তাতে যেকোনো দাবি নিয়ে মহাসড়ক-সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের যে প্রবণতা অন্তর্বর্তী সরকারের সময় দেখা গিয়েছে, ক্ষেত্রবিশেষে সরকারের দুর্বলতার কারণে ইন্সপায়ার্ড হয়েছে, সেটাকে আমরা আর কখনো অ্যালাউ করব না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি থাকবে সেই দাবির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে মন্ত্রণালয়ের কাছে ডিপার্টমেন্টের কাছে অবশ্যই দাবিনামা স্মারকলিপি দেওয়া যাবে।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “কিছু আছে সংগঠিত পরিকল্পিত অপরাধ তার বিরুদ্ধে মামলা হয় এবং সেটা তদন্ত হয়। গ্রেফতার হয় এবং বিচারের জন্য সোপর্দ করা হয়। কিন্তু স্পষ্ট উচ্চারণ আমরা করেছি দায়িত্ব নেয়ার পরে বাংলাদেশে কোনো রকমের মব কালচার আর থাকবে না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “রাস্তাতে যেকোনো দাবি নিয়ে মহাসড়ক সড়ক অবরোধ করে দাবি আদায়ের যে প্রবণতা ইন্টারিম গভমেন্টের সময় দেখা গিয়েছে। ক্ষেত্র বিশেষে সেই গভর্নমেন্টের দুর্বলতার কারণে ইন্সপায়ারড হয়েছে সেটাকে আমরা আর কখনো এলাও করব না।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, “গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে দাবি থাকবে, সেই দাবির জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে, মন্ত্রণালয়ের কাছে, ডিপার্টমেন্টের কাছে অবশ্যই দাবিনামা স্মারকলিপি দেয়া যাবে। সেজন্য জনমত সৃষ্টির জন্য সেমিনার, সিম্পোজিয়াম আয়োজন করা যাবে। প্রয়োজনে সেটা একটা জনসভার মাধ্যমে প্রকাশ করা যাবে। রাইট টু অ্যাসোসিয়েশন, রাইট টু স্পিক—এগুলো আমরা এনশিওর করবো। সেটা করা যাবে, ইটস ডেমোক্র্যাটিক কালচার।”

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “কিন্তু মবের মাধ্যমে যেন আমরা সবাই এই সমস্ত দাবি আদায়ের প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসি। যখন সেটা মব হবে, মবের ডেফিনিশন আলাদা। স্পেসিফিক ক্রাইম হবে, ক্রাইমের ডেফিনিশন আলাদা। কোথাও থানায় গিয়ে আক্রমণ হবে সেটা আলাদা।”

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আমি এই প্রসঙ্গটা এখানে তুলছি না। কারণ এটা একটা রাজনৈতিক বক্তব্য হয়ে যাবে তখন। কোনোদিন যদি সেই বিষয়ে কেউ নোটিশ দেয়, সেটা করবো। অথবা আমারও ইচ্ছা আছে দুই-একদিন পরে ৩০০ বিধিতে আমি একটা বিবৃতি দেব।”


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত