ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন ২৩ লাখ টাকা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচনের ভোট হয়। পরদিন ২৯৭ আসনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ করা হয়। নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করে বিএনপি, তারেক রহমান হন প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচনী ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ১১ মার্চ রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেন তার নির্বাচনি এজেন্ট।
সোমবার (৩০ মার্চ) ইসির যু্গ্ম-সচিব (নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২) মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, “প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ডাকযোগে আসছে। মাঠ কর্মকর্তারাও ইসি সচিবালয়ে নির্ধারিত ছকে তথ্য দেবেন; একীভূত তথ্য পেতে একটু সময় লাগবে। ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হলে আরপিও অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
প্রচার, পরিবহন, জনসভা, নির্বাচনি ক্যাম্প, এজেন্ট ও স্টাফ খরচ, আবাসন ও প্রশাসনিক খরচ এবং সোশাল মিডিয়ায় প্রচারে এ ব্যয় হয়েছে বলে তারেক রহমানের ব্যয় বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে ঢাকা-১৭ আসনে ৩৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ের সুযোগ ছিল। প্রচার বাবদ ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা বাবদ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় দেখিয়েছেন তারেক রহমান।
এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খরচ বাবদ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, আবাসন ও প্রশাসনিক খরচ ৬৬ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বাবদ খরচ ৫০ হাজার টাকা। ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন; এবার ভোটার প্রতি ১০ টাকা করে ব্যয়ের সুযোগ ছিল।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে ২০২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী সব প্রার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয় বিবরণী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। ব্যর্থ হলে অথবা এই আদেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানাসহ দুই বছর থেকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
৯০ দিনের মধ্যে দলের ব্যয়ের হিসাব
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী দলগুলোকেও ফল প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়।
দলগুলোকে নির্ধারিত সময়ে ইসি সচিবালয়ে ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইসির উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২) মোহাম্মদ মনির হোসেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫০টি দলের ১৭৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে বিএনপির সর্বোচ্চ ২৯১ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন, জামায়াতে ইসলামীর ২২৪ জন, জাতীয় পার্টির ২০০ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৯৪ জন আর এনসিপির ৩২ জন ভোটে ছিলেন।
কোনো দলের প্রার্থী ২০০ জনের বেশি হলে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রার্থীর সংখ্য ১০০ থেকে ২০০ জনের কম হলে ৩ কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিল। কোনো দলের প্রার্থীর সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ হলে দেড় কোটি টাকা এবং ৫০ জনের কম হলে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করার বিধান রয়েছে।

সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ মার্চ ২০২৬
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচিত বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান তার নির্বাচনী ব্যয় দেখিয়েছেন ২৩ লাখ টাকা।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি এই নির্বাচনের ভোট হয়। পরদিন ২৯৭ আসনে নির্বাচিতদের গেজেট প্রকাশ করা হয়। নির্বাচনে জিতে সরকার গঠন করে বিএনপি, তারেক রহমান হন প্রধানমন্ত্রী।
নির্বাচনী ফলাফলের গেজেট প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন জমার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। বিএনপি চেয়ারম্যানের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ১১ মার্চ রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দেন তার নির্বাচনি এজেন্ট।
সোমবার (৩০ মার্চ) ইসির যু্গ্ম-সচিব (নির্বাচন ব্যবস্থাপনা-২) মো. মঈন উদ্দীন খান বলেন, “প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনী ব্যয়ের হিসাব ডাকযোগে আসছে। মাঠ কর্মকর্তারাও ইসি সচিবালয়ে নির্ধারিত ছকে তথ্য দেবেন; একীভূত তথ্য পেতে একটু সময় লাগবে। ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে ব্যর্থ হলে আরপিও অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।”
প্রচার, পরিবহন, জনসভা, নির্বাচনি ক্যাম্প, এজেন্ট ও স্টাফ খরচ, আবাসন ও প্রশাসনিক খরচ এবং সোশাল মিডিয়ায় প্রচারে এ ব্যয় হয়েছে বলে তারেক রহমানের ব্যয় বিবরণীতে উল্লেখ করা হয়েছে।
এবারের নির্বাচনে ভোটার প্রতি ১০ টাকা হারে ঢাকা-১৭ আসনে ৩৩ লাখ টাকার বেশি ব্যয়ের সুযোগ ছিল। প্রচার বাবদ ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা, পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা বাবদ ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প বাবদ ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় দেখিয়েছেন তারেক রহমান।
এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খরচ বাবদ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা, আবাসন ও প্রশাসনিক খরচ ৬৬ হাজার টাকা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার বাবদ খরচ ৫০ হাজার টাকা। ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন; এবার ভোটার প্রতি ১০ টাকা করে ব্যয়ের সুযোগ ছিল।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে ২০২৮ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নির্বাচনি আইন অনুযায়ী সব প্রার্থীকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ব্যয় বিবরণী রিটার্নিং অফিসারের কাছে জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। ব্যর্থ হলে অথবা এই আদেশ লঙ্ঘন করলে জরিমানাসহ দুই বছর থেকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।
৯০ দিনের মধ্যে দলের ব্যয়ের হিসাব
গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, ফল গেজেট আকারে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে প্রত্যেক প্রার্থীকে নির্বাচনি ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়। এছাড়া অংশগ্রহণকারী দলগুলোকেও ফল প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে ব্যয়ের বিবরণী দাখিল করতে হয়।
দলগুলোকে নির্ধারিত সময়ে ইসি সচিবালয়ে ব্যয় রিটার্ন জমা দিতে চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে জানান ইসির উপসচিব (নির্বাচন পরিচালনা-২) মোহাম্মদ মনির হোসেন।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫০টি দলের ১৭৫৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এরমধ্যে বিএনপির সর্বোচ্চ ২৯১ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৮ জন, জামায়াতে ইসলামীর ২২৪ জন, জাতীয় পার্টির ২০০ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৯৪ জন আর এনসিপির ৩২ জন ভোটে ছিলেন।
কোনো দলের প্রার্থী ২০০ জনের বেশি হলে সর্বোচ্চ ৪ কোটি ৫০ লাখ টাকা এবং প্রার্থীর সংখ্য ১০০ থেকে ২০০ জনের কম হলে ৩ কোটি টাকা ব্যয় করার সুযোগ ছিল। কোনো দলের প্রার্থীর সংখ্যা ৫০ থেকে ১০০ হলে দেড় কোটি টাকা এবং ৫০ জনের কম হলে সর্বোচ্চ ৭৫ লাখ টাকা ব্যয় করার বিধান রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন