ভূ-মধ্যসাগর নৌকাডুবির ঘটনায় দিরাই ও জগন্নাথপুর থানায় ৯ দালালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দিরাই থানায় নিহত সোহানুর রহমানের পিতা ছালিকুর রহমান সোমবার (৩০ মার্চ) গভীর রাতে চার দালালের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। আসামিরা হলেন: দিরাই উপজেলার সালেহ আহমদ, মিকাইল মিয়া, মুজিবুর রহমান ও দোয়ারাবাজার উপজেলার জসিম উদ্দিন। ছালিকুর রহমান অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী মামলাটি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জগন্নাথপুর থানায় দায়েরকৃত মামলার আসামিরা হলেন: ছাতক উপজেলার বিলাল ও দুলাল, জগন্নাথপুরের আজিজুল এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার জসিম উদ্দিন ও এনাম। জগন্নাথপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত শনিবার লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু ঘটে। নিহতদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি, যারা সুনামগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার ১২ জন। নিহতদের মধ্যে দিরাই উপজেলার ৬ জন, দোয়ারাবাজারের ১ জন এবং জগন্নাথপুরের ৫ জন রয়েছেন।
উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের বরাতে জানা গেছে, দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন যাত্রীরা। পরে অনেকে মারা গেলে পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদেহগুলো সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, দিরাই উপজেলার একটি চক্রের সঙ্গে প্রতিজন প্রায় ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করে লিবিয়া হয়ে গ্রিস যাওয়ার উদ্যোগ নেন যাত্রীরা। চুক্তি অনুযায়ী বড় ও নিরাপদ নৌকায় যাত্রা করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় তুলে দেওয়া হয়, যা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
ভূ-মধ্যসাগর নৌকাডুবির ঘটনায় দিরাই ও জগন্নাথপুর থানায় ৯ দালালের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
দিরাই থানায় নিহত সোহানুর রহমানের পিতা ছালিকুর রহমান সোমবার (৩০ মার্চ) গভীর রাতে চার দালালের নাম উল্লেখ করে মামলা করেন। আসামিরা হলেন: দিরাই উপজেলার সালেহ আহমদ, মিকাইল মিয়া, মুজিবুর রহমান ও দোয়ারাবাজার উপজেলার জসিম উদ্দিন। ছালিকুর রহমান অজ্ঞাতনামা আরও কয়েকজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করেছেন। দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী মামলাটি গ্রহণের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জগন্নাথপুর থানায় দায়েরকৃত মামলার আসামিরা হলেন: ছাতক উপজেলার বিলাল ও দুলাল, জগন্নাথপুরের আজিজুল এবং দোয়ারাবাজার উপজেলার জসিম উদ্দিন ও এনাম। জগন্নাথপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
গত শনিবার লিবিয়া থেকে অবৈধভাবে গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ২২ জন অভিবাসীর মৃত্যু ঘটে। নিহতদের মধ্যে ১৮ জন বাংলাদেশি, যারা সুনামগঞ্জ জেলার তিন উপজেলার ১২ জন। নিহতদের মধ্যে দিরাই উপজেলার ৬ জন, দোয়ারাবাজারের ১ জন এবং জগন্নাথপুরের ৫ জন রয়েছেন।
উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের বরাতে জানা গেছে, দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রায় খাবার ও বিশুদ্ধ পানির অভাবে একে একে অসুস্থ হয়ে পড়েন যাত্রীরা। পরে অনেকে মারা গেলে পাচারকারীদের নির্দেশে মৃতদেহগুলো সাগরে ফেলে দেওয়া হয়।
স্বজনদের অভিযোগ, দিরাই উপজেলার একটি চক্রের সঙ্গে প্রতিজন প্রায় ১২ লাখ টাকায় চুক্তি করে লিবিয়া হয়ে গ্রিস যাওয়ার উদ্যোগ নেন যাত্রীরা। চুক্তি অনুযায়ী বড় ও নিরাপদ নৌকায় যাত্রা করার কথা থাকলেও শেষ পর্যন্ত ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ নৌকায় তুলে দেওয়া হয়, যা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার অন্যতম কারণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন