কক্সবাজারের চকরিয়ায় বদরখালীতে জেলা পরিষদের পুরনো জেটিঘাটের পাশে নদীর চর দখল করে চিংড়ি ঘের তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ইজারাদার সংশ্লিষ্ট সমিতির নাম ব্যবহার করে চরের অংশে মাটির বাঁধ দিয়ে ঘেরের আয়তন বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এতে নদীর গতিপথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে বদরখালী-মহেশখালী নৌ-চ্যানেলে নাব্য কমে যেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অপরিকল্পিত ঘের সম্প্রসারণ নদীর প্রবাহকে প্রভাবিত করবে। এর ফলে নৌযান চলাচল বিঘ্নিত হতে পারে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
অভিযোগের জবাবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চরে বাঁধ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বর্তমান কমিটি নেয়নি। বাঁধ ভেঙে চরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, উক্ত স্থান সমিতির লিজকৃত ২৩০ একরের মধ্যে পড়ে। তাই জেলা পরিষদের জায়গা দখলের প্রশ্ন ওঠে না।
চকরিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেছেন, চরটি যদি জেলা পরিষদের হয় তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদারকি প্রয়োজন। ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। জেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নদীর তীরে জেগে ওঠা চর রাষ্ট্রের সম্পদ। ব্যক্তিগত স্বার্থে এই সম্পদ দখল করা আইনত দণ্ডনীয়। আমরা বলতে চাই, রাষ্ট্রের সম্পদ সুরক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের। নদীর স্বাভাবিক গতিপথ অক্ষুণ্ন রাখা সবার দায়িত্ব। এ ধরনের দখলের চেষ্টা যাতে না চলতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। নদী ও চ্যানেলের নাব্য রক্ষা করা শুধু পরিবেশের জন্য জরুরি।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
কক্সবাজারের চকরিয়ায় বদরখালীতে জেলা পরিষদের পুরনো জেটিঘাটের পাশে নদীর চর দখল করে চিংড়ি ঘের তৈরির অভিযোগ উঠেছে। ইজারাদার সংশ্লিষ্ট সমিতির নাম ব্যবহার করে চরের অংশে মাটির বাঁধ দিয়ে ঘেরের আয়তন বাড়ানোর চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন। এতে নদীর গতিপথ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ নিয়ে সংবাদে বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে।
নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে বদরখালী-মহেশখালী নৌ-চ্যানেলে নাব্য কমে যেতে পারে। স্থানীয় বাসিন্দারা এ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলেছেন, অপরিকল্পিত ঘের সম্প্রসারণ নদীর প্রবাহকে প্রভাবিত করবে। এর ফলে নৌযান চলাচল বিঘ্নিত হতে পারে এবং জীববৈচিত্র্য ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
অভিযোগের জবাবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চরে বাঁধ দেওয়ার সিদ্ধান্ত বর্তমান কমিটি নেয়নি। বাঁধ ভেঙে চরকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের দাবি, উক্ত স্থান সমিতির লিজকৃত ২৩০ একরের মধ্যে পড়ে। তাই জেলা পরিষদের জায়গা দখলের প্রশ্ন ওঠে না।
চকরিয়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত ইউএনও ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেছেন, চরটি যদি জেলা পরিষদের হয় তবে সংশ্লিষ্ট বিভাগের তদারকি প্রয়োজন। ঘটনাস্থলে লোক পাঠিয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হবে। জেলা পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুসারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
নদীর তীরে জেগে ওঠা চর রাষ্ট্রের সম্পদ। ব্যক্তিগত স্বার্থে এই সম্পদ দখল করা আইনত দণ্ডনীয়। আমরা বলতে চাই, রাষ্ট্রের সম্পদ সুরক্ষার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট কর্তাব্যক্তিদের। নদীর স্বাভাবিক গতিপথ অক্ষুণ্ন রাখা সবার দায়িত্ব। এ ধরনের দখলের চেষ্টা যাতে না চলতে পারে সেজন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ও স্বচ্ছ তদন্ত করে যথাযথ পদক্ষেপ নিতে হবে। নদী ও চ্যানেলের নাব্য রক্ষা করা শুধু পরিবেশের জন্য জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন