আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশেষ প্রভাব খাটিয়ে বা 'তন্ত্র-মন্ত্রের' মাধ্যমে যারা মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে সরকার।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই
তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
জানান, যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা
নন কিন্তু অবৈধভাবে সনদ নিয়ে সব
ধরণের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের
খুঁজে বের করতে মন্ত্রণালয়
কাজ করে যাচ্ছে।
এ দিন
সংসদ অধিবেশনে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের এক সম্পূরক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান সংসদকে
আশ্বস্ত করে বলেন, অমুক্তিযোদ্ধা
হওয়া সত্ত্বেও যারা বিভিন্ন কৌশলে
মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়
অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে।
বিশেষ করে বিগত সরকারের
সময় অনিয়মের মাধ্যমে যারা তালিকায় ঢুকে
পড়েছেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে
না।
আলোচনা
চলাকালে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন,
এই ধরণের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা শুধু
নিজেদের নামই তালিকায় তোলেননি,
বরং ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ ও প্রভাব কাজে
লাগিয়ে তাদের সন্তানদেরও সরকারি চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। তারা দীর্ঘ সময়
ধরে অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে সুযোগ-সুবিধা
গ্রহণ করে আসছেন। এ সব ভুয়া
মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে
শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী
বলেন, যারা তন্ত্র-মন্ত্র
দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় সন্নিবেশিত হয়েছেন, তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং তারা নিজেরাও
বিভিন্নভাবে বেনিফিটেড হয়েছেন অবৈধভাবে, তাদের শনাক্ত করতে আমরা কাজ
করছি।
ভুয়া
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, আশা
করি অল্পদিনের মধ্যে আমরা এ ধরনের
অমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে পারবো এবং জাতিকেও জানাতে
পারবো। সরকার এই কলঙ্কজনক অধ্যায়
মুছে ফেলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের
সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর।
খুব
দ্রুতই এই তদন্তের ফলাফল
জনসম্মুখে আনা হবে বলেও
তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বিশেষ প্রভাব খাটিয়ে বা 'তন্ত্র-মন্ত্রের' মাধ্যমে যারা মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় নাম লিখিয়েছেন, তাদের চিহ্নিত করতে ব্যাপক তৎপরতা শুরু করেছে সরকার।
মঙ্গলবার
জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এই
তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি
জানান, যারা প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা
নন কিন্তু অবৈধভাবে সনদ নিয়ে সব
ধরণের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করছেন, তাদের
খুঁজে বের করতে মন্ত্রণালয়
কাজ করে যাচ্ছে।
এ দিন
সংসদ অধিবেশনে গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ
সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকনের এক সম্পূরক প্রশ্নের
জবাবে মন্ত্রী এ সব কথা বলেন।
মন্ত্রী আহমেদ আযম খান সংসদকে
আশ্বস্ত করে বলেন, অমুক্তিযোদ্ধা
হওয়া সত্ত্বেও যারা বিভিন্ন কৌশলে
মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন, বিষয়টি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়
অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে কাজ করছে।
বিশেষ করে বিগত সরকারের
সময় অনিয়মের মাধ্যমে যারা তালিকায় ঢুকে
পড়েছেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে
না।
আলোচনা
চলাকালে মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন,
এই ধরণের ভুয়া মুক্তিযোদ্ধারা শুধু
নিজেদের নামই তালিকায় তোলেননি,
বরং ‘তন্ত্র-মন্ত্র’ ও প্রভাব কাজে
লাগিয়ে তাদের সন্তানদেরও সরকারি চাকরি পাইয়ে দিয়েছেন। তারা দীর্ঘ সময়
ধরে অবৈধভাবে রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে সুযোগ-সুবিধা
গ্রহণ করে আসছেন। এ সব ভুয়া
মুক্তিযোদ্ধাদের শনাক্ত করার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে
শুরু হয়েছে।
মন্ত্রী
বলেন, যারা তন্ত্র-মন্ত্র
দিয়ে মুক্তিযোদ্ধা তালিকায় সন্নিবেশিত হয়েছেন, তাদের সন্তানদের চাকরি দিয়েছেন এবং তারা নিজেরাও
বিভিন্নভাবে বেনিফিটেড হয়েছেন অবৈধভাবে, তাদের শনাক্ত করতে আমরা কাজ
করছি।
ভুয়া
মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা প্রকাশ প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, আশা
করি অল্পদিনের মধ্যে আমরা এ ধরনের
অমুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা সুনির্দিষ্টভাবে জানতে পারবো এবং জাতিকেও জানাতে
পারবো। সরকার এই কলঙ্কজনক অধ্যায়
মুছে ফেলে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের
সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর।
খুব
দ্রুতই এই তদন্তের ফলাফল
জনসম্মুখে আনা হবে বলেও
তিনি সংসদকে অবহিত করেন।

আপনার মতামত লিখুন