চব্বিশ ঘণ্টায় ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার অবৈধভাবে মজুদকৃত জ্বালানি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ )সচিবালয়ের বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানানো হয়।
এ সময় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৩৯১ টি অভিযান পরিচালনা করে ১৯১টি মামলায় সর্বমোট ৯ লাখ ৩৫হাজার ৭০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এ সময় সাতক্ষীরা জেলায় ১ জনকে ২ মাসের, চাঁদপুর জেলায় ১ জনকে ১ বছর, গাজীপুর জেলায় ১ জনকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ৬৪ জেলা থেকে অবৈধভাবে মজুদকৃত ডিজেল ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার, অকটেন ৬ হাজার ৪৪৪ লিটার এবং পেট্রোল ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটারসহ মোট ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার হয়েছে।
এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগরীর উত্তরা বেড়িবাঁধ, গাবতলী, আমিন বাজারসহ অন্যান্য এলাকা্য তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছেন এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এ সময় ধাউর উত্তরা বেড়িবাঁধ এলাকায় রাস্তার পাশে উন্মুক্ত জ্বালানি তেল বিক্রি করতে দেখা যায়। মোবাইল কোর্ট এর গাড়ি দেখামাত্র দোকানদার পালিয়ে যায়। ঐ দোকান থেকে ১০০ লিটার ডিজেল ও ১০ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। যা নিকটবর্তী ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিকট বিক্রি করা হ। বিক্রিত অর্থ চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।
ব্রিফিং এ আরো জানানো হয়, ২৭ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনলাইন সভায় সিদ্ধান্তের আলোকে সারা দেশের সকল পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা ব্যতীত জেলা ও বিভাগীয় শহরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণ ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ তাদের অধিক্ষেত্রাধীন প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন সরকারী কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছেন। ট্যাগ অফিসারগণ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি নির্ধারিত পদ্ধতিতে কাজ করবেন, প্রয়োজনমতো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার আলোকে পদক্ষেপ নেবেন ও প্রতিবেদন পেশ করেবেন।
ব্রিফিংকালে বিভাগওয়ারী ট্যাগ অফিসারের সংখ্যাও জানানো হয়।ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলায় ৪৭৯ জন কর্মকর্তা; চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলায় ৩৩০ জন কর্মকর্তা; রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলায় ৩৪০জন কর্মকর্তা; খুলনা বিভাগের ১০টি জেলায় ৩০১ জন কর্মকর্তারংপুর বিভাগের ৮টি জেলায় ৩৫৬ জন কর্মকর্তা; বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলায় ৬১ জন কর্মকর্তা; ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলায় ১০৪ জন কর্মকর্তা; সিলেট বিভাগের ৪টি জেলায় ১৩৫ জন কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালনের নির্দশ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ১১৬ জন কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ৬২ জন কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালনের নির্দশ প্রদান করা হয়েছে।
ব্রিফিংকালে আরো জানানো হয়, ৩১ মার্চ ডিজেলের প্রকৃত মজুদ ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ মে. টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন ও জেট ফুয়েল আছে ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন। এমন পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করা হয়।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
চব্বিশ ঘণ্টায় ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার অবৈধভাবে মজুদকৃত জ্বালানি উদ্ধার করেছে জেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ )সচিবালয়ের বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের নিয়মিত প্রেস ব্রিফিং এ তথ্য জানানো হয়।
এ সময় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব মনির হোসেন চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, ৬৪ জেলার জেলা প্রশাসন থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী ৩৯১ টি অভিযান পরিচালনা করে ১৯১টি মামলায় সর্বমোট ৯ লাখ ৩৫হাজার ৭০ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। এ সময় সাতক্ষীরা জেলায় ১ জনকে ২ মাসের, চাঁদপুর জেলায় ১ জনকে ১ বছর, গাজীপুর জেলায় ১ জনকে ১ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। ৬৪ জেলা থেকে অবৈধভাবে মজুদকৃত ডিজেল ৬৭ হাজার ৪০০ লিটার, অকটেন ৬ হাজার ৪৪৪ লিটার এবং পেট্রোল ১৩ হাজার ৮৫৬ লিটারসহ মোট ৮৭ হাজার ৭০০ লিটার জ্বালানি উদ্ধার হয়েছে।
এছাড়া জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের ম্যাজিস্ট্রেটগণ মহানগরীর উত্তরা বেড়িবাঁধ, গাবতলী, আমিন বাজারসহ অন্যান্য এলাকা্য তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রেখেছেন এবং জ্বালানি সরবরাহ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। এ সময় ধাউর উত্তরা বেড়িবাঁধ এলাকায় রাস্তার পাশে উন্মুক্ত জ্বালানি তেল বিক্রি করতে দেখা যায়। মোবাইল কোর্ট এর গাড়ি দেখামাত্র দোকানদার পালিয়ে যায়। ঐ দোকান থেকে ১০০ লিটার ডিজেল ও ১০ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়। যা নিকটবর্তী ফিলিং স্টেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিকট বিক্রি করা হ। বিক্রিত অর্থ চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা করা হবে।
ব্রিফিং এ আরো জানানো হয়, ২৭ মার্চ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অনলাইন সভায় সিদ্ধান্তের আলোকে সারা দেশের সকল পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করা হয়েছে। ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় বিপিসি ট্যাগ অফিসার নিয়োগ করেছে।
ঢাকা ও চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকা ব্যতীত জেলা ও বিভাগীয় শহরে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকগণ ও উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারগণ তাদের অধিক্ষেত্রাধীন প্রতিটি পেট্রোল পাম্পের জন্য একজন সরকারী কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসেবে নিয়োগ করেছেন। ট্যাগ অফিসারগণ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ/বিপিসি নির্ধারিত পদ্ধতিতে কাজ করবেন, প্রয়োজনমতো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার আলোকে পদক্ষেপ নেবেন ও প্রতিবেদন পেশ করেবেন।
ব্রিফিংকালে বিভাগওয়ারী ট্যাগ অফিসারের সংখ্যাও জানানো হয়।ঢাকা বিভাগের ১৩টি জেলায় ৪৭৯ জন কর্মকর্তা; চট্টগ্রাম বিভাগের ১১টি জেলায় ৩৩০ জন কর্মকর্তা; রাজশাহী বিভাগের ৮টি জেলায় ৩৪০জন কর্মকর্তা; খুলনা বিভাগের ১০টি জেলায় ৩০১ জন কর্মকর্তারংপুর বিভাগের ৮টি জেলায় ৩৫৬ জন কর্মকর্তা; বরিশাল বিভাগের ৬টি জেলায় ৬১ জন কর্মকর্তা; ময়মনসিংহ বিভাগের ৪টি জেলায় ১০৪ জন কর্মকর্তা; সিলেট বিভাগের ৪টি জেলায় ১৩৫ জন কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালনের নির্দশ প্রদান করা হয়েছে।
এছাড়া ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় ১১৬ জন কর্মকর্তা এবং চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন এলাকায় ৬২ জন কর্মকর্তাকে ট্যাগ অফিসার হিসাবে দায়িত্ব পালনের নির্দশ প্রদান করা হয়েছে।
ব্রিফিংকালে আরো জানানো হয়, ৩১ মার্চ ডিজেলের প্রকৃত মজুদ ১ লাখ ২৮ হাজার ৯৩৯ মেট্রিক টন, অকটেন ৭ হাজার ৯৪০ মে. টন, পেট্রোল ১১ হাজার ৪৩১ মেট্রিক টন ও জেট ফুয়েল আছে ৪৪ হাজার ৬০৯ মেট্রিক টন। এমন পরিস্থিতিতে দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে আশ্বস্ত করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন