‘হত্যাযজ্ঞ-নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় সাবেক উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল জলিল মণ্ডলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
প্রায় এক যুগ আগে ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আবদুল জলিলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ গ্রেপ্তারের এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি এ মামলায় আবদুল জলিলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ এপ্রিল দিন ধার্য রয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ঠিক করেন।
একই মামলায় বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন পাঁচজন। তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের এ ‘হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
আব্দুল জলিল ২০১৩ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ছিলেন। এছাড়া র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
‘হত্যাযজ্ঞ-নির্যাতনসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের’ মামলায় সাবেক উপ-মহাপুলিশ পরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল জলিল মণ্ডলকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠিয়েছে ট্রাইব্যুনাল।
প্রায় এক যুগ আগে ২০১৩ সালে রাজধানীর মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজত ইসলামের সমাবেশে হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেওয়া হয়।
এর আগে বেলা সাড়ে ১২টার দিকে আবদুল জলিলকে ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর সদস্য বিচারক মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরীর একক বেঞ্চ গ্রেপ্তারের এ আদেশ দেন।
ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউশনের পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম। তিনি এ মামলায় আবদুল জলিলকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। শুনানি শেষে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
এর আগে সোমবার (৩০ মার্চ) সন্ধ্যায় রাজধানীর সবুজবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ছিল।
এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৫ এপ্রিল দিন ধার্য রয়েছে। গত ৫ ফেব্রুয়ারি ট্রাইব্যুনাল-১ এ দিন ঠিক করেন।
একই মামলায় বর্তমানে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন পাঁচজন। তারা হলেন- সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) একেএম শহিদুল হক, পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম ও একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের এ ‘হত্যাকাণ্ড’ নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে অভিযুক্ত করা হয়।
আব্দুল জলিল ২০১৩ সালে ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ছিলেন। এছাড়া র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালকের দায়িত্বও পালন করেছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন