রাজধানীতে স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন সশরীরে ও তিন দিন অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে কী কী বিকল্প ব্যবস্থা হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলেছেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর একটি স্কুলে ১৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ১০০টি গাড়ি ভিড় করে, এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদেরও প্রতিষ্ঠানে আসতে বেগ পেতে হয়।
একই দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি সভায় সপ্তাহে তিন দিন অনলাইনে ও তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সাংবাদিকদের জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব ও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে বাসে যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনা করে অনলাইনে ক্লাসের ভাবনা।
প্রস্তাবনাটি আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
রোজার ছুটি ও বিভিন্ন আন্দোলনের কারণে স্কুলের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তা পুষিয়ে নিতে স্কুল আওয়ার সপ্তাহে ছয় দিন করা হচ্ছে। জোড়-বিজোড় ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস নেবেন।
অনলাইনে ক্লাসের বিষয়ে একটি জরিপে ব্যবহারকারীদের বড় অংশ ইতিবাচক মত দিয়েছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সম্পূর্ণ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থায় গেলে শিক্ষার্থীরা অসামাজিক হয়ে যেতে পারে। তাই ভেবেচিন্তেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাতের পর জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত ও নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
রাজধানীতে স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প ব্যবস্থা খোঁজার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পাশাপাশি বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন সশরীরে ও তিন দিন অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করেন।
বৈঠক শেষে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে কী কী বিকল্প ব্যবস্থা হতে পারে, তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করতে বলেছেন।
অতিরিক্ত প্রেস সচিব উদাহরণ দিয়ে বলেন, রাজধানীর একটি স্কুলে ১৫০ জন শিক্ষার্থীর জন্য ১০০টি গাড়ি ভিড় করে, এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীদেরও প্রতিষ্ঠানে আসতে বেগ পেতে হয়।
একই দিন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জরুরি সভায় সপ্তাহে তিন দিন অনলাইনে ও তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন সাংবাদিকদের জানান, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাব ও বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের কারণে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে বাসে যাতায়াতের বিষয়টি বিবেচনা করে অনলাইনে ক্লাসের ভাবনা।
প্রস্তাবনাটি আগামী বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করা হবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।
রোজার ছুটি ও বিভিন্ন আন্দোলনের কারণে স্কুলের অনেক সময় নষ্ট হয়েছে জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, তা পুষিয়ে নিতে স্কুল আওয়ার সপ্তাহে ছয় দিন করা হচ্ছে। জোড়-বিজোড় ভাগ করে অনলাইন ও অফলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষকরা স্কুলে এসে ক্লাস নেবেন।
অনলাইনে ক্লাসের বিষয়ে একটি জরিপে ব্যবহারকারীদের বড় অংশ ইতিবাচক মত দিয়েছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, সম্পূর্ণ অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থায় গেলে শিক্ষার্থীরা অসামাজিক হয়ে যেতে পারে। তাই ভেবেচিন্তেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সচিবালয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সাক্ষাতের পর জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত ও নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন।

আপনার মতামত লিখুন