জাতীয় সংসদে গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার সূচনায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদে অনেক অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য আছেন। আমি কিন্তু নতুন। এই পার্লামেন্টে আমি চার দিনের শিশু।
মঙ্গলবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি
নিজেকে সংসদের অভিজ্ঞতার বিচারে অত্যন্ত নবীন হিসেবে আখ্যায়িত
করেন।
অধিবেশনের
শুরুতে স্পিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে ডা. শফিকুর
রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা
নিয়ে কথা বলেন। তিনি
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জনগণের রায়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন জনরায়কে সম্মান
জানাই। আমরা সব কিছুর
সমাধান চাই ন্যায্যতার ভিত্তিতে।
আলোচনার
এক পর্যায়ে নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান
হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি মহান
মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বিরোধীদলীয় নেতা
বলেন, আপনি একজন গর্বিত
বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরবিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি
শহীদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন,
আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের
সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য
হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আজ ৫৪ বছর
অতিক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক
সরকারই গঠিত হয়েছে এবং
পরিবর্তন হয়েছে।
নিজের
দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে
তিনি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সকল পক্ষকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। ডা. শফিকুর রহমান
তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের চেতনা এবং জাতীয় সনদের
প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোকপাত করেন।
তিনি
মনে করেন, দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক পরিক্রমায় মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই এখন মূল
চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞ ও প্রবীণ সংসদ
সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি সংসদীয়
কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ মার্চ ২০২৬
জাতীয় সংসদে গণভোট ও জুলাই সনদ নিয়ে আলোচনার সূচনায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, এই সংসদে অনেক অভিজ্ঞ সংসদ সদস্য আছেন। আমি কিন্তু নতুন। এই পার্লামেন্টে আমি চার দিনের শিশু।
মঙ্গলবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিয়ে তিনি
নিজেকে সংসদের অভিজ্ঞতার বিচারে অত্যন্ত নবীন হিসেবে আখ্যায়িত
করেন।
অধিবেশনের
শুরুতে স্পিকারের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে ডা. শফিকুর
রহমান দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও জনমানুষের আকাঙ্ক্ষা
নিয়ে কথা বলেন। তিনি
দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে জনগণের রায়কে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, আসুন জনরায়কে সম্মান
জানাই। আমরা সব কিছুর
সমাধান চাই ন্যায্যতার ভিত্তিতে।
আলোচনার
এক পর্যায়ে নিজেকে শহীদ পরিবারের সন্তান
হিসেবে পরিচয় দিয়ে তিনি মহান
মুক্তিযুদ্ধের ত্যাগের কথা স্মরণ করেন।
স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বিরোধীদলীয় নেতা
বলেন, আপনি একজন গর্বিত
বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীরবিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি
শহীদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছেন,
আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের
সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য
হয়েছে। বাংলাদেশের স্বাধীনতার আজ ৫৪ বছর
অতিক্রান্ত হয়েছে। এর মধ্যে অনেক
সরকারই গঠিত হয়েছে এবং
পরিবর্তন হয়েছে।
নিজের
দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে
তিনি দেশের ভবিষ্যৎ গঠনে সকল পক্ষকে
দায়িত্বশীল ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান। ডা. শফিকুর রহমান
তার বক্তব্যে জুলাই বিপ্লবের চেতনা এবং জাতীয় সনদের
প্রয়োজনীয়তা নিয়েও আলোকপাত করেন।
তিনি
মনে করেন, দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক পরিক্রমায় মানুষের অধিকার নিশ্চিত করাই এখন মূল
চ্যালেঞ্জ। অভিজ্ঞ ও প্রবীণ সংসদ
সদস্যদের সহযোগিতা কামনা করে তিনি সংসদীয়
কার্যক্রমে সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

আপনার মতামত লিখুন