যন্ত্রণায় কাঁদছে শিশুরা। এ পরিস্থিতি দেখে পাশে মাও কাঁদছে। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেও দৃশ্য এটি।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীর চাপে হাসপাতালে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। হামের নতুন এই ঢেউ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
তবে, এটি কেবল এই হাসপাতালের চিত্র নয়। রাজধানীর বেশ কয়েকটি হাসপাতালের চিত্র এটি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে শিশু রোগীর ভিড়, উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের অপেক্ষা আর চিকিৎসকদের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে সর্বত্রই চাপের একই বাস্তবতা।
হঠাৎ করেই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা-জ্বরসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের পাশাপাশি হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চিকিৎসকরা জানান, চিকিৎসা নিতে আসা অনেক শিশুই টিকার আওতার বাইরে, অথবা নির্ধারিত ডোজ সম্পূর্ণ করেনি। তাদের ভাষায়, “টিকাদানে এই ঘাটতিই বর্তমান প্রাদুর্ভাবের প্রধান কারণ।”
চিকিৎসকরা বলছেন, অনেক শিশু একসঙ্গে নিউমোনিয়া, জ্বর ও হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। যা চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি করছে। ফলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতা ও প্রস্তুতি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
চলতি বছর দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মার্চ মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু। রাজধানীর পাশাপাশি রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বেশি ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে রাজধানীর মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল-এ। এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এ ৬ জন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪ জন এবং রাজশাহী ও পাবনায় ১ জন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা ছাড়া বিকল্প নেই। পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
যন্ত্রণায় কাঁদছে শিশুরা। এ পরিস্থিতি দেখে পাশে মাও কাঁদছে। রাজধানীর বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের প্রায় প্রতিটি ওয়ার্ডেও দৃশ্য এটি।
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা রোগীর চাপে হাসপাতালে এখন তিল ধারণের ঠাঁই নেই। হামের নতুন এই ঢেউ সামলাতে রীতিমতো হিমশিম খাচ্ছেন স্বাস্থ্যকর্মীরা।
তবে, এটি কেবল এই হাসপাতালের চিত্র নয়। রাজধানীর বেশ কয়েকটি হাসপাতালের চিত্র এটি। বিভিন্ন ওয়ার্ডে শিশু রোগীর ভিড়, উদ্বিগ্ন অভিভাবকদের অপেক্ষা আর চিকিৎসকদের ব্যস্ততা সব মিলিয়ে সর্বত্রই চাপের একই বাস্তবতা।
হঠাৎ করেই নিউমোনিয়া, ঠান্ডা-জ্বরসহ বিভিন্ন সংক্রামক রোগের পাশাপাশি হামের প্রাদুর্ভাব পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলেছে। চিকিৎসকরা জানান, চিকিৎসা নিতে আসা অনেক শিশুই টিকার আওতার বাইরে, অথবা নির্ধারিত ডোজ সম্পূর্ণ করেনি। তাদের ভাষায়, “টিকাদানে এই ঘাটতিই বর্তমান প্রাদুর্ভাবের প্রধান কারণ।”
চিকিৎসকরা বলছেন, অনেক শিশু একসঙ্গে নিউমোনিয়া, জ্বর ও হামে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে। যা চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় বাড়তি চাপ তৈরি করছে। ফলে পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাড়তি সতর্কতা ও প্রস্তুতি প্রয়োজন হয়ে পড়েছে।
চলতি বছর দেশে হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ৩৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে মার্চ মাসেই মারা গেছে ৩২ শিশু। রাজধানীর পাশাপাশি রাজশাহী, ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় রোগটি ছড়িয়ে পড়েছে।
সবচেয়ে বেশি ২১ শিশুর মৃত্যু হয়েছে রাজধানীর মহাখালী সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতাল-এ। এছাড়া বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট-এ ৬ জন, ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৫ জন, চাঁপাইনবাবগঞ্জে ৪ জন এবং রাজশাহী ও পাবনায় ১ জন করে শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে দ্রুত ও ব্যাপক টিকাদান কার্যক্রম জোরদার করা ছাড়া বিকল্প নেই। পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতনতা বাড়ানোও জরুরি বলে মনে করছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন