বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ঘাটে রিজার্ভ করা একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবে গেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থেকে চরমোনাইয়ের বার্ষিক মাহফিলে যাত্রী নিয়ে এসেছিল।
ডুবে যাওয়া এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি গতকাল মঙ্গলবার রাতে প্রায় তিনশ যাত্রী নিয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি বুধবার ভোর রাতে যাত্রী নামিয়ে ঘাটেই অবস্থান করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে জোয়ারের সময় পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে লঞ্চটি বালুভর্তি বস্তার ওপর উঠে যায়। পরে দুপুরে ভাটা শুরু হলে পানি কমতে থাকে এবং লঞ্চটি হেলে পড়ে ডুবে যায়।
লঞ্চ সংশ্লিষ্ট ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, লঞ্চটি মজবুতভাবে বেঁধে না রাখায় পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ সময় লঞ্চের ভেতরে কোনো যাত্রী বা লঞ্চের কর্মী না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লঞ্চের ভেতরে রাখা মুসল্লিদের বেশ কিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বরিশাল ইউনিটের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। এছাড়া উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লঞ্চটি উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।
চরমোনাই মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লঞ্চডুবির ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, লঞ্চটি ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পানির স্রোতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মুসল্লিদের মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সবাই নিরাপদ আছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে চরমোনাইয়ে তিন দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল শুরু হয়েছে। এই মাহফিলকে কেন্দ্র করেই লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে এসেছিল।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ঘাটে রিজার্ভ করা একটি যাত্রীবাহী লঞ্চ ডুবে গেছে। বুধবার (১ এপ্রিল) দুপুর ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ডুবে যাওয়া লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জের সিরাজদিখান থেকে চরমোনাইয়ের বার্ষিক মাহফিলে যাত্রী নিয়ে এসেছিল।
ডুবে যাওয়া এমভি মানিক-৪ লঞ্চটি গতকাল মঙ্গলবার রাতে প্রায় তিনশ যাত্রী নিয়ে মুন্সিগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসে। লঞ্চটি বুধবার ভোর রাতে যাত্রী নামিয়ে ঘাটেই অবস্থান করছিল।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে জোয়ারের সময় পানির উচ্চতা বেড়ে গেলে লঞ্চটি বালুভর্তি বস্তার ওপর উঠে যায়। পরে দুপুরে ভাটা শুরু হলে পানি কমতে থাকে এবং লঞ্চটি হেলে পড়ে ডুবে যায়।
লঞ্চ সংশ্লিষ্ট ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, লঞ্চটি মজবুতভাবে বেঁধে না রাখায় পানি কমে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই এ দুর্ঘটনা ঘটে। তবে এ সময় লঞ্চের ভেতরে কোনো যাত্রী বা লঞ্চের কর্মী না থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। লঞ্চের ভেতরে রাখা মুসল্লিদের বেশ কিছু মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স বরিশাল ইউনিটের ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে। এছাড়া উদ্ধারকারী জাহাজ ‘হামজা’ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, লঞ্চটি উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে এবং পরিস্থিতির ওপর নিবিড় নজর রাখা হচ্ছে।
চরমোনাই মাহফিল বাস্তবায়ন কমিটির মিডিয়া সমন্বয়ক কে এম শরীয়াতুল্লাহ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লঞ্চডুবির ঘটনায় কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তিনি বলেন, লঞ্চটি ঘাটে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় পানির স্রোতে এ দুর্ঘটনা ঘটে। মুসল্লিদের মালামাল ক্ষতিগ্রস্ত হলেও সবাই নিরাপদ আছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উদ্বোধনী বয়ানের মধ্য দিয়ে চরমোনাইয়ে তিন দিনব্যাপী বার্ষিক মাহফিল শুরু হয়েছে। এই মাহফিলকে কেন্দ্র করেই লঞ্চটি মুন্সিগঞ্জ থেকে যাত্রী নিয়ে এসেছিল।

আপনার মতামত লিখুন