সারা দেশে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার নির্দেশ
আগামী
রবিবার থেকে সারা দেশে
জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে
সরকার।
বুধবার
(১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে
এ ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার
সাখাওয়াত হোসেন। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে
এবং হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এই বিশেষ উদ্যোগ
গ্রহণ করা হয়েছে বলে
জানান তিনি।
মন্ত্রণালয়ে
ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন,
রবিবার থেকে পুরো জেনারেশন
কাভার হওয়া পর্যন্ত ৬
মাস থেকে ১০ বছর
বয়সী বাচ্চাদের হামের টিকা দেওয়া হবে।
পাশাপাশি এপিআই এর অন্য টিকা
কার্যক্রমও চলবে।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, এই টিকাদান কর্মসূচি
নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়া পর্যন্ত
অব্যাহত থাকবে যাতে কোনো শিশু
এই সুরক্ষা থেকে বাদ না
পড়ে।
দেশের
প্রতিটি অঞ্চলের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগকে
সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রেখেই এই
অতিরিক্ত হামের টিকা প্রদান করা
হবে। নির্ধারিত বয়সের শিশুদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সরকারি
এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বৃদ্ধি এবং হাম নির্মূলে
বড় ধরনের সাফল্য আসবে বলে আশা
করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত এই সেবা পৌঁছে
দিতে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের
প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
সারা দেশে ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনার নির্দেশ
আগামী
রবিবার থেকে সারা দেশে
জরুরি ভিত্তিতে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করতে যাচ্ছে
সরকার।
বুধবার
(১ এপ্রিল) স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে
এ ঘোষণা দেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার
সাখাওয়াত হোসেন। দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে স্বাস্থ্যঝুঁকি থেকে মুক্ত রাখতে
এবং হামের প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে এই বিশেষ উদ্যোগ
গ্রহণ করা হয়েছে বলে
জানান তিনি।
মন্ত্রণালয়ে
ব্রিফিংকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কর্মসূচির বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন,
রবিবার থেকে পুরো জেনারেশন
কাভার হওয়া পর্যন্ত ৬
মাস থেকে ১০ বছর
বয়সী বাচ্চাদের হামের টিকা দেওয়া হবে।
পাশাপাশি এপিআই এর অন্য টিকা
কার্যক্রমও চলবে।
তিনি
আরও উল্লেখ করেন, এই টিকাদান কর্মসূচি
নির্দিষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জন না হওয়া পর্যন্ত
অব্যাহত থাকবে যাতে কোনো শিশু
এই সুরক্ষা থেকে বাদ না
পড়ে।
দেশের
প্রতিটি অঞ্চলের শিশুদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য বিভাগকে
সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়মিত টিকাদান কর্মসূচির (ইপিআই) স্বাভাবিক কার্যক্রম বজায় রেখেই এই
অতিরিক্ত হামের টিকা প্রদান করা
হবে। নির্ধারিত বয়সের শিশুদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে নিয়ে আসার জন্য
অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
সরকারি
এই বিশেষ উদ্যোগের মাধ্যমে শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
বৃদ্ধি এবং হাম নির্মূলে
বড় ধরনের সাফল্য আসবে বলে আশা
করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। দেশের তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত এই সেবা পৌঁছে
দিতে মাঠ পর্যায়ের স্বাস্থ্যকর্মীদের
প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন