সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

মিঠামইনে রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আহত কৃষকের মৃত্যু


প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
প্রকাশ: ০১ এপ্রিল ২০২৬

মিঠামইনে রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আহত কৃষকের মৃত্যু
ছবি : সংগৃহীত

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত কৃষক রহম আলী (৭০) মারা গেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গত ২৩ মার্চ সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর তিনি সেখানে আট দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নিহিত রহম আলী উপজেলার কেওয়াড়জোড় ইউনিয়নের লাউকুড়া গ্রামের মৃত জবর আলীর ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের চাচা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেওয়াড়জোড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের সঙ্গে একই এলাকার নজীর আহমেদ ও বুলবুলদের এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।

আবুল কাশেম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আর নজীর আহমেদ বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত। সরকার পরিবর্তনের পর আবুল কাশেমকে একটি পুরোনো হত্যা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। মামলা না তোলায় গত ২৩ মার্চ সোমবার সকালে নজীর আহমেদের লোকজন আবুল কাশেমের অনুসারীদের বাড়িতে হামলা চালান। এতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে।

ওই সংঘর্ষে রহম আলীসহ দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রহম আলীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬


মিঠামইনে রাজনৈতিক আধিপত্য নিয়ে সংঘর্ষে আহত কৃষকের মৃত্যু

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

কিশোরগঞ্জের মিঠামইনে দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত কৃষক রহম আলী (৭০) মারা গেছেন। বুধবার (১ এপ্রিল) সকালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। গত ২৩ মার্চ সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর তিনি সেখানে আট দিন চিকিৎসাধীন ছিলেন।

নিহিত রহম আলী উপজেলার কেওয়াড়জোড় ইউনিয়নের লাউকুড়া গ্রামের মৃত জবর আলীর ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের চাচা ছিলেন।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কেওয়াড়জোড় ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবুল কাশেমের সঙ্গে একই এলাকার নজীর আহমেদ ও বুলবুলদের এলাকায় আধিপত্য নিয়ে দীর্ঘদিনের বিরোধ ছিল।

আবুল কাশেম আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত আর নজীর আহমেদ বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত। সরকার পরিবর্তনের পর আবুল কাশেমকে একটি পুরোনো হত্যা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হচ্ছিল। মামলা না তোলায় গত ২৩ মার্চ সোমবার সকালে নজীর আহমেদের লোকজন আবুল কাশেমের অনুসারীদের বাড়িতে হামলা চালান। এতে দুই পক্ষের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ বাধে।

ওই সংঘর্ষে রহম আলীসহ দুই পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় রহম আলীকে উদ্ধার করে প্রথমে স্থানীয় হাসপাতালে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সকালে তার মৃত্যু হয়।

মিঠামইন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লিয়াকত আলী নিহতের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত