হুঁশিয়ারি দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, রুটি-রুজির কথা ভেবে আজ সুযোগ দিলেও সামনে হবে জেল-জরিমানা
রাজধানীর
ব্যস্ততম এলাকার ফুটপাতগুলো পথচারীদের চলাচলের উপযোগী করতে বিশেষ অভিযানে
নেমেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
(ডিএমপি)।
প্রাথমিক
পদক্ষেপ হিসেবে এ দিন দখলদারদের উচ্ছেদ করার পাশাপাশি কঠোরভাবে
সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার
ফার্মগেট এলাকার ইন্দিরা রোডে এই অভিযান
পরিচালনা করা হয়। অভিযান
শেষে ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ফয়সাল
জানান, এবার শুধু সতর্ক
করা হলেও ভবিষ্যতে পুনরায়
ফুটপাত দখল করলে কোনো
ছাড় দেওয়া হবে না।
অভিযান
চলাকালে দেখা যায়, ফুটপাতের
ওপর স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য
দোকান গড়ে ওঠায় পথচারীদের
মূল সড়কে নেমে চলাচল
করতে হচ্ছে। ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালত এসব অবৈধ স্থাপনা
সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ম্যাজিস্ট্রেট
মো. আল ফয়সাল বলেন,
"জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ব্যবসায়ীদের সরতে
অনুরোধ করা হয়েছে, কিন্তু
পুনরায় ফুটপাত দখল করলে কঠোর
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মূলত
মানবিক দিক বিবেচনা করে
প্রথম দফায় কাউকে জেল
বা জরিমানা করা হয়নি বলে
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো
হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের
প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ম্যাজিস্ট্রেট আরও
বলেন, "এখানকার ফুটপাতে যাদের দোকান রয়েছে, সেসবের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের রুটি রোজগার জড়িত।
আমরা আজকের অভিযানে তাদের বুঝিয়েছি, আপনারা এখান থেকে চলে
যান। আগামীতে এই অভিযান চলমান
থাকবে এবং প্রতিনিয়তই কেউ
না কেউ তদারকিতে থাকবে।
দ্বিতীয়বারের মতো কেউ যদি
এখানে দোকান দিয়ে বসে, তাহলে
আমরা অ্যাকশনে যাবো, জরিমানা করবো ও মালামাল
জব্দ করবো।"
তিনি
স্পষ্ট করে দেন, তদারকি
দল নিয়মিত তদারকি করবে যাতে উচ্ছেদ
করা জায়গাগুলো আবার দখল না
হয়।
ফুটপাত
ছাড়িয়ে রাস্তার ওপর দোকানের বর্ধিত
অংশ বা এক্সটেনশন নিয়ে
ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিযান পরিচালনাকারী
কর্মকর্তারা। এ প্রসঙ্গে মো.
আল ফয়সাল বলেন, "আমাদের মোটিভ তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া। যারা এক্সটেনশন করেছে,
আমরা সেগুলো উচ্ছেদ করেছি। কিন্তু কেউ যদি আবার
এক্সটেনশন করে, আমরা সে
ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেব।"
জনস্বার্থে
ডিএমপির এই উচ্ছেদ ও
তদারকি কার্যক্রম রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে চালানো হবে বলে ডিএমপি
সূত্রে জানানো হয়েছে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
হুঁশিয়ারি দিয়ে ম্যাজিস্ট্রেট বললেন, রুটি-রুজির কথা ভেবে আজ সুযোগ দিলেও সামনে হবে জেল-জরিমানা
রাজধানীর
ব্যস্ততম এলাকার ফুটপাতগুলো পথচারীদের চলাচলের উপযোগী করতে বিশেষ অভিযানে
নেমেছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ
(ডিএমপি)।
প্রাথমিক
পদক্ষেপ হিসেবে এ দিন দখলদারদের উচ্ছেদ করার পাশাপাশি কঠোরভাবে
সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।
বুধবার
ফার্মগেট এলাকার ইন্দিরা রোডে এই অভিযান
পরিচালনা করা হয়। অভিযান
শেষে ডিএমপির স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আল ফয়সাল
জানান, এবার শুধু সতর্ক
করা হলেও ভবিষ্যতে পুনরায়
ফুটপাত দখল করলে কোনো
ছাড় দেওয়া হবে না।
অভিযান
চলাকালে দেখা যায়, ফুটপাতের
ওপর স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য
দোকান গড়ে ওঠায় পথচারীদের
মূল সড়কে নেমে চলাচল
করতে হচ্ছে। ডিএমপির ভ্রাম্যমাণ আদালত এসব অবৈধ স্থাপনা
সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন।
ম্যাজিস্ট্রেট
মো. আল ফয়সাল বলেন,
"জীবিকার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ব্যবসায়ীদের সরতে
অনুরোধ করা হয়েছে, কিন্তু
পুনরায় ফুটপাত দখল করলে কঠোর
ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
মূলত
মানবিক দিক বিবেচনা করে
প্রথম দফায় কাউকে জেল
বা জরিমানা করা হয়নি বলে
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো
হয়েছে।
ব্যবসায়ীদের
প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে ম্যাজিস্ট্রেট আরও
বলেন, "এখানকার ফুটপাতে যাদের দোকান রয়েছে, সেসবের সঙ্গে ব্যবসায়ীদের রুটি রোজগার জড়িত।
আমরা আজকের অভিযানে তাদের বুঝিয়েছি, আপনারা এখান থেকে চলে
যান। আগামীতে এই অভিযান চলমান
থাকবে এবং প্রতিনিয়তই কেউ
না কেউ তদারকিতে থাকবে।
দ্বিতীয়বারের মতো কেউ যদি
এখানে দোকান দিয়ে বসে, তাহলে
আমরা অ্যাকশনে যাবো, জরিমানা করবো ও মালামাল
জব্দ করবো।"
তিনি
স্পষ্ট করে দেন, তদারকি
দল নিয়মিত তদারকি করবে যাতে উচ্ছেদ
করা জায়গাগুলো আবার দখল না
হয়।
ফুটপাত
ছাড়িয়ে রাস্তার ওপর দোকানের বর্ধিত
অংশ বা এক্সটেনশন নিয়ে
ক্ষোভ প্রকাশ করেন অভিযান পরিচালনাকারী
কর্মকর্তারা। এ প্রসঙ্গে মো.
আল ফয়সাল বলেন, "আমাদের মোটিভ তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দেওয়া। যারা এক্সটেনশন করেছে,
আমরা সেগুলো উচ্ছেদ করেছি। কিন্তু কেউ যদি আবার
এক্সটেনশন করে, আমরা সে
ক্ষেত্রে পদক্ষেপ নেব।"
জনস্বার্থে
ডিএমপির এই উচ্ছেদ ও
তদারকি কার্যক্রম রাজধানীর অন্যান্য এলাকাতেও পর্যায়ক্রমে চালানো হবে বলে ডিএমপি
সূত্রে জানানো হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন