২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচিতে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর তাগিদ
দেশের
প্রতিটি নদী, খাল ও
জলাশয়কে দখলমুক্ত করতে প্রশাসনকে কঠোর
ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার
সচিবালয়ে খাল খনন কর্মসূচি
নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায়
সভাপতিত্বকালে তিনি এই নির্দেশনা
দেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, উন্নয়নের
স্বার্থে প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষায় কোনো ধরনের আপোস
করা হবে না। সভা
শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ প্রধানমন্ত্রীর এই
নির্দেশনার কথা গণমাধ্যমকে জানান।
পানিসম্পদ
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "এখন যে খাল
খনন কর্মসূচি শুরু করেছি, এটা
কিন্তু আমরা শক্তভাবে এবং
স্ব-স্ব এলাকার জনগণকে
সম্পৃক্ত করে বাস্তবায়ন করার
চেষ্টা করছি। বিগত দিনের মতো
কেউ যেন আর খাল,
নদী, জলাশয় দখল করে আবার
ভরাট করতে না পারে।
এটার জন্য আজকে প্রধানমন্ত্রী
আমাদেরকে স্টেটমেন্ট দিলেন, আমাদের দিক-নির্দেশনা দিলেন।
মন্ত্রীসহ আমরা সেটা ধারণ
করলাম।"
তিনি
আরও জানান, এই কার্যক্রম নিয়মিত
তদারকির জন্য প্রতিটি জেলায়
জেলা প্রশাসক এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের
সমন্বয়ে একটি বিশেষ মনিটরিং
সেল গঠন করা হবে।
সরকারের
এই মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী
আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "ইনশাল্লাহ,
এই খাল খননের মধ্যদিয়ে
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন দেশকে খাদ্যে
স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন, ইনশাল্লাহ আমাদের এ সরকার, তারেক
রহমানের সরকারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো।"
তিনি
মনে করেন, সঠিক সেচ ব্যবস্থা
নিশ্চিত করা গেলে কৃষি
উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
মৃতপ্রায়
নদী উদ্ধার এবং অবৈধ স্থাপনা
উচ্ছেদ প্রসঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী
এ্যানি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করেন।
তিনি
বলেন, "এর সঙ্গেই সবকিছু
জড়িত। কারণ ২০ হাজার
কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি
যখন আমরা সমাপ্ত করতে
যাবো, তাহলে বুঝতেই হবে যে এখানে
অনেকগুলো প্রতিবন্ধকতা আছে, অনেকগুলো বাধা
আছে। অনেক জায়গায় বিভিন্ন
শিল্প কলকারখানার বর্জ্য-আবর্জনা এখানে স্তূপ হয়ে আছে। অনেক
জায়গায় কেউ দোকান, কেউ
বাড়িঘর নির্মাণ করেছেন।"
মন্ত্রী
প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, সকল
বাধা অতিক্রম করেই জলাধারগুলো পুনরুদ্ধার
করা হবে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচিতে জনগণের সম্পৃক্ততা বাড়ানোর তাগিদ
দেশের
প্রতিটি নদী, খাল ও
জলাশয়কে দখলমুক্ত করতে প্রশাসনকে কঠোর
ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার
সচিবালয়ে খাল খনন কর্মসূচি
নিয়ে আয়োজিত এক গুরুত্বপূর্ণ সভায়
সভাপতিত্বকালে তিনি এই নির্দেশনা
দেন। প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, উন্নয়নের
স্বার্থে প্রাকৃতিক জলাধার রক্ষায় কোনো ধরনের আপোস
করা হবে না। সভা
শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ প্রধানমন্ত্রীর এই
নির্দেশনার কথা গণমাধ্যমকে জানান।
পানিসম্পদ
প্রতিমন্ত্রী বলেন, "এখন যে খাল
খনন কর্মসূচি শুরু করেছি, এটা
কিন্তু আমরা শক্তভাবে এবং
স্ব-স্ব এলাকার জনগণকে
সম্পৃক্ত করে বাস্তবায়ন করার
চেষ্টা করছি। বিগত দিনের মতো
কেউ যেন আর খাল,
নদী, জলাশয় দখল করে আবার
ভরাট করতে না পারে।
এটার জন্য আজকে প্রধানমন্ত্রী
আমাদেরকে স্টেটমেন্ট দিলেন, আমাদের দিক-নির্দেশনা দিলেন।
মন্ত্রীসহ আমরা সেটা ধারণ
করলাম।"
তিনি
আরও জানান, এই কার্যক্রম নিয়মিত
তদারকির জন্য প্রতিটি জেলায়
জেলা প্রশাসক এবং মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের
সমন্বয়ে একটি বিশেষ মনিটরিং
সেল গঠন করা হবে।
সরকারের
এই মহাপরিকল্পনার লক্ষ্য তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী
আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, "ইনশাল্লাহ,
এই খাল খননের মধ্যদিয়ে
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যেমন দেশকে খাদ্যে
স্বয়ংসম্পূর্ণ করেছিলেন, ইনশাল্লাহ আমাদের এ সরকার, তারেক
রহমানের সরকারও খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হবো।"
তিনি
মনে করেন, সঠিক সেচ ব্যবস্থা
নিশ্চিত করা গেলে কৃষি
উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে।
মৃতপ্রায়
নদী উদ্ধার এবং অবৈধ স্থাপনা
উচ্ছেদ প্রসঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী
এ্যানি বিদ্যমান চ্যালেঞ্জের কথা স্বীকার করেন।
তিনি
বলেন, "এর সঙ্গেই সবকিছু
জড়িত। কারণ ২০ হাজার
কিলোমিটার খাল খনন কর্মসূচি
যখন আমরা সমাপ্ত করতে
যাবো, তাহলে বুঝতেই হবে যে এখানে
অনেকগুলো প্রতিবন্ধকতা আছে, অনেকগুলো বাধা
আছে। অনেক জায়গায় বিভিন্ন
শিল্প কলকারখানার বর্জ্য-আবর্জনা এখানে স্তূপ হয়ে আছে। অনেক
জায়গায় কেউ দোকান, কেউ
বাড়িঘর নির্মাণ করেছেন।"
মন্ত্রী
প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, সকল
বাধা অতিক্রম করেই জলাধারগুলো পুনরুদ্ধার
করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন