সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের মৌসুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, সুন্দরবনে ডাকাতি করে সন্তানকে ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার বানানো সম্ভব নয়-বরং সন্তানও বড় হয়ে ডাকাত হবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় শ্যামনগরের ৭১ নং বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মধু মৌসুমের সূচনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আপনি সুন্দরবনে ডাকাতি করবেন আর আপনার সন্তান ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবে-এটা সম্ভব না। আপনার সন্তান আরও বড় ডাকাত হবে। আপনি একটা খারাপ কাজ করবেন, তা বিক্রি করে সন্তানকে খাওয়াবেন, আপনার সন্তানও খারাপ মানুষ হবে।’
তিনি সন্তান ও পরিবারের স্বার্থে, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় মধুতে কেউ যেন ভেজাল না দেয় সেদিকে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং ভেজালকারীদের ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সুন্দরবন উপকূলের মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস এই মধু। বনজীবীদের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। এ সময় তিনি বন বিভাগকে মৌয়ালদের সুবিধার্থে নিয়মিত তদারকি করার নির্দেশ দেন।
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল, জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমত উল্লাহ পলাশ ও যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মো. মনিরুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় বনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
আজ মধু সংগ্রহের উদ্বোধনের পর থেকে যথাযথ পারমিটধারী মৌয়ালরা সুন্দরবনের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী সাতক্ষীরা সদরের কুমড়ার খাল খনন কাজে অংশ নেন।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
সুন্দরবনে মধু সংগ্রহের মৌসুমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, সুন্দরবনে ডাকাতি করে সন্তানকে ডাক্তার কিংবা ইঞ্জিনিয়ার বানানো সম্ভব নয়-বরং সন্তানও বড় হয়ে ডাকাত হবে।
বুধবার (১ এপ্রিল) বেলা সাড়ে ১১টায় শ্যামনগরের ৭১ নং বুড়িগোয়ালিনী ফরেস্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মধু মৌসুমের সূচনা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময়ও করেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘আপনি সুন্দরবনে ডাকাতি করবেন আর আপনার সন্তান ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার হবে-এটা সম্ভব না। আপনার সন্তান আরও বড় ডাকাত হবে। আপনি একটা খারাপ কাজ করবেন, তা বিক্রি করে সন্তানকে খাওয়াবেন, আপনার সন্তানও খারাপ মানুষ হবে।’
তিনি সন্তান ও পরিবারের স্বার্থে, সামাজিক সম্প্রীতি রক্ষায় মধুতে কেউ যেন ভেজাল না দেয় সেদিকে সবার সহযোগিতা কামনা করেন এবং ভেজালকারীদের ধরিয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, সুন্দরবন উপকূলের মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস এই মধু। বনজীবীদের নিরাপত্তা ও জীবনমান উন্নয়নে সরকার বদ্ধপরিকর। এ সময় তিনি বন বিভাগকে মৌয়ালদের সুবিধার্থে নিয়মিত তদারকি করার নির্দেশ দেন।
সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এ জেড এম হাছানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল, জেলা প্রশাসক আফরোজা আখতার, পুলিশ সুপার আরেফিন জুয়েল, সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক এইচ এম রহমত উল্লাহ পলাশ ও যুগ্ম আহ্বায়ক ড. মো. মনিরুজ্জামান। এ সময় স্থানীয় বনজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।
আজ মধু সংগ্রহের উদ্বোধনের পর থেকে যথাযথ পারমিটধারী মৌয়ালরা সুন্দরবনের অভিমুখে যাত্রা শুরু করেছেন।
অনুষ্ঠান শেষে প্রতিমন্ত্রী সাতক্ষীরা সদরের কুমড়ার খাল খনন কাজে অংশ নেন।

আপনার মতামত লিখুন