দেশের
শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের স্বাবলম্বী
করতে এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতের
বিকাশ ঘটাতে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে
শুরু হয়েছে তিন মাস মেয়াদী
বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স।
বুধবার
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল
মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
সরকারের
এই উদ্যোগের ফলে এখন থেকে
জেলা পর্যায়ে বসেই দক্ষ মেন্টরদের
অধীনে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির পাঠ
নিতে পারবেন প্রশিক্ষার্থীরা। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে যাতায়াত ও খাবার ভাতাসহ
প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণ
কার্যক্রমের উদ্বোধন করে যুব ও
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক
বলেন, "সরকারের নির্বাচনী ইশতিহারে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন
ক্ষেত্র তৈরি করতে ফ্রিল্যান্সিং
প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আজ দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।"
অনুষ্ঠানের
সভাপতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন,
"কর্মসংস্থান বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে শীর্ষে, যেখানে ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন আয়ের
সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।"
প্রশিক্ষণ
প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড
আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম ফ্রিল্যান্সারদের ডাটাবেজ
তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন,
"প্রশিক্ষণের শুরুতেই অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রোফাইল খোলা
হয়, যেখানে তাদের আয় ও অগ্রগতির
তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।"
প্রকল্পের
তথ্যমতে, ২০২৭ সালের মধ্যে
৩৬ হাজার তরুণকে দক্ষ করার লক্ষ্যমাত্রা
নিয়ে ৩৭৩ কোটি টাকার
এই প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৫টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ
নেওয়া ১৪ হাজার ৪০০
জনের মধ্যে ৬০ শতাংশই সফলভাবে
কাজ করছেন। তাদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ প্রায় ২২ কোটি ৭০
লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
এবারের
ষষ্ঠ ব্যাচে অংশ নিতে আবেদন
করেছিলেন প্রায় ৯৭ হাজার চাকরিপ্রত্যাশী।
সেখান থেকে লিখিত ও
মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ৪ হাজার ৮০০
জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ১৮
থেকে ৩৫ বছর বয়সী
এ সব তরুণরা আগামী তিন মাস প্রতিদিন
৮ ঘণ্টা করে মোট ৬০০
ঘণ্টা প্রশিক্ষণ পাবেন।
গ্রাফিক্স
ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং এবং স্মার্টফোনের মাধ্যমে
ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক সব বিষয়ে এখানে
হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া
হবে। কোর্স শেষে সফলদের হাতে
সনদপত্র তুলে দেওয়া হবে
এবং তাদের আয় নিশ্চিত করতে
জেলা পর্যায়ে মেন্টরিং ক্লাসের সহায়তাও অব্যাহত থাকবে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
দেশের
শিক্ষিত বেকার তরুণ-তরুণীদের স্বাবলম্বী
করতে এবং ফ্রিল্যান্সিং খাতের
বিকাশ ঘটাতে দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে
শুরু হয়েছে তিন মাস মেয়াদী
বিশেষ প্রশিক্ষণ কোর্স।
বুধবার
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের
সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ভার্চুয়াল
মাধ্যমে এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের
আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়।
সরকারের
এই উদ্যোগের ফলে এখন থেকে
জেলা পর্যায়ে বসেই দক্ষ মেন্টরদের
অধীনে আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির পাঠ
নিতে পারবেন প্রশিক্ষার্থীরা। প্রশিক্ষণ চলাকালীন প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে যাতায়াত ও খাবার ভাতাসহ
প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ প্রদান করা হবে।
প্রশিক্ষণ
কার্যক্রমের উদ্বোধন করে যুব ও
ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক
বলেন, "সরকারের নির্বাচনী ইশতিহারে তরুণদের জন্য কর্মসংস্থানের নতুন
ক্ষেত্র তৈরি করতে ফ্রিল্যান্সিং
প্রশিক্ষণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। এই উদ্যোগের ধারাবাহিকতায়
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে আজ দেশজুড়ে ফ্রিল্যান্সিং
প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়েছে।"
অনুষ্ঠানের
সভাপতি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম বলেন,
"কর্মসংস্থান বর্তমান সরকারের অগ্রাধিকারগুলোর মধ্যে শীর্ষে, যেখানে ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের জন্য নতুন আয়ের
সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে।"
প্রশিক্ষণ
প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড
আর্নিং লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুদ আলম ফ্রিল্যান্সারদের ডাটাবেজ
তৈরির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন,
"প্রশিক্ষণের শুরুতেই অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রোফাইল খোলা
হয়, যেখানে তাদের আয় ও অগ্রগতির
তথ্য সংরক্ষণ করা হয়।"
প্রকল্পের
তথ্যমতে, ২০২৭ সালের মধ্যে
৩৬ হাজার তরুণকে দক্ষ করার লক্ষ্যমাত্রা
নিয়ে ৩৭৩ কোটি টাকার
এই প্রকল্প পরিচালিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে ৫টি ব্যাচে প্রশিক্ষণ
নেওয়া ১৪ হাজার ৪০০
জনের মধ্যে ৬০ শতাংশই সফলভাবে
কাজ করছেন। তাদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার পরিমাণ প্রায় ২২ কোটি ৭০
লাখ টাকা ছাড়িয়ে গেছে।
এবারের
ষষ্ঠ ব্যাচে অংশ নিতে আবেদন
করেছিলেন প্রায় ৯৭ হাজার চাকরিপ্রত্যাশী।
সেখান থেকে লিখিত ও
মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে ৪ হাজার ৮০০
জনকে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত করা হয়েছে। ১৮
থেকে ৩৫ বছর বয়সী
এ সব তরুণরা আগামী তিন মাস প্রতিদিন
৮ ঘণ্টা করে মোট ৬০০
ঘণ্টা প্রশিক্ষণ পাবেন।
গ্রাফিক্স
ডিজাইন, ডিজিটাল মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং এবং স্মার্টফোনের মাধ্যমে
ফ্রিল্যান্সিংসহ আধুনিক সব বিষয়ে এখানে
হাতে-কলমে শিক্ষা দেওয়া
হবে। কোর্স শেষে সফলদের হাতে
সনদপত্র তুলে দেওয়া হবে
এবং তাদের আয় নিশ্চিত করতে
জেলা পর্যায়ে মেন্টরিং ক্লাসের সহায়তাও অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন