টানা বৃষ্টিতে এবার সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার অন্তত ২৯৫ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আর মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই এই ধান ঘরে তোলার কথা ছিল। কিন্তু সেই ফসল এখন পানির নিচে পচছে।
হাওর অঞ্চলে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জলাবদ্ধতা নতুন সমস্যা নয়। অভিযোগ রয়েছে, হাওরের অনেক স্থানে প্রয়োজনীয় স্লুইসগেট নেই। হয়নি খাল খনন। ফসল রক্ষার অনেক বাঁধ দুর্বল। প্রসঙ্গক্রমে টাঙ্গুয়ার হাওরের নজরখালী বাঁধের কথা বলা যায়। রামসার সাইট হওয়ার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড এই বাঁধ নির্মাণ করে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রতি বছর কৃষকরা নিজের টাকায় বাঁধ দেন। এবার অর্থ সংকটে তা-ও সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকরা বলছেন, খাল খনন ও স্লুইসগেট স্থাপন করা হলে এই পরিস্থিতি অনেকটাই সামলানো যেত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, খাল খনন ও স্লুইসগেট নির্মাণ সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।
আমরা বলতে চাই, কেবল পরিকল্পনা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। সরকারের উচিত হাওর অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করা। প্রতি বছর ফসল ডোবার পর আলোচনা করে কমিটি গঠন করলে সমস্যার সমাধান হবে না। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা দেয়ার কথা বিবেচনা করতে হবে। যাতে করে কৃষকরা ঋণের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেই চেষ্টা করতে হবে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
টানা বৃষ্টিতে এবার সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় বোরো ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ধর্মপাশা ও মধ্যনগর উপজেলার অন্তত ২৯৫ হেক্টর জমির ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। আর মাত্র দুই সপ্তাহ পরেই এই ধান ঘরে তোলার কথা ছিল। কিন্তু সেই ফসল এখন পানির নিচে পচছে।
হাওর অঞ্চলে বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে জলাবদ্ধতা নতুন সমস্যা নয়। অভিযোগ রয়েছে, হাওরের অনেক স্থানে প্রয়োজনীয় স্লুইসগেট নেই। হয়নি খাল খনন। ফসল রক্ষার অনেক বাঁধ দুর্বল। প্রসঙ্গক্রমে টাঙ্গুয়ার হাওরের নজরখালী বাঁধের কথা বলা যায়। রামসার সাইট হওয়ার কারণে পানি উন্নয়ন বোর্ড এই বাঁধ নির্মাণ করে না বলে অভিযোগ রয়েছে। ফলে প্রতি বছর কৃষকরা নিজের টাকায় বাঁধ দেন। এবার অর্থ সংকটে তা-ও সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও কৃষকরা বলছেন, খাল খনন ও স্লুইসগেট স্থাপন করা হলে এই পরিস্থিতি অনেকটাই সামলানো যেত। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে, খাল খনন ও স্লুইসগেট নির্মাণ সরকারের পরিকল্পনায় রয়েছে।
আমরা বলতে চাই, কেবল পরিকল্পনা করলেই সমস্যার সমাধান হবে না। পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা জরুরি। সরকারের উচিত হাওর অঞ্চলের জলাবদ্ধতা নিরসনে একটি কার্যকর দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন শুরু করা। প্রতি বছর ফসল ডোবার পর আলোচনা করে কমিটি গঠন করলে সমস্যার সমাধান হবে না। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের দ্রুত সহায়তা দেয়ার কথা বিবেচনা করতে হবে। যাতে করে কৃষকরা ঋণের চাপে ক্ষতিগ্রস্ত না হন সেই চেষ্টা করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন