ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মধ্যেই শিক্ষা ব্যবস্থায় নিয়ে আসা হচ্ছে নতুন মাত্রা। তবে পুরো দেশ নয়, প্রথম ধাপে শুধু মহানগরীর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই সশরীরে পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালু করার সুপারিশ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
ঢাকা মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সূত্র বলছে, সিটি করপোরেশনের অধীন বিদ্যালয় ও কলেজগুলোকে প্রথম ধাপে এই সিদ্ধান্তের আওতায় আনার কথা ভাবছে সরকার। কিন্তু মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সিদ্ধান্তের খবর মেলেনি।
কেন শুধু মহানগর
জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্তের ভাবনা বলে জানাচ্ছে সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র।তবে সারা দেশে হঠাৎ করে অনলাইন নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে এখনও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার মতো অবকাঠামো ও ইন্টারনেট সুবিধা নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলকভাবে ডিজিটাল অবকাঠামোতে এগিয়ে। সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়েরই ইন্টারনেট ও স্মার্ট ডিভাইসের প্রবেশাধিকার বেশি। তাই প্রথম ধাপে ঢাকা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি চালু করে দেখা হবে কতটা কার্যকর।
‘ব্লেন্ডেড’ পদ্ধতি
করোনাকালের মতো পুরোপুরি অনলাইন নির্ভর না হয়ে এবার ভাবা হচ্ছে ‘ব্লেন্ডেড’ বা সমন্বিত ক্লাস পদ্ধতির কথা। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস রেখে এর মধ্যে জোড়–বিজোড় মিলিয়ে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর পাঠদানের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, “সভায় সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইনে শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষকেরা এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।”
তবে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির। তিনি বলেন, “সভায় আলোচনা হয়েছে কিন্তু এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে।”
কেন এই ভাবনা
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণে বাড়তি চাপে আছে বাংলাদেশও। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জের ধরে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ে বিকল্প পথ খুঁজছে সরকার।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, “আমরা আলোচনা করেছি যে, অনলাইনে এডুকেশনটা প্রমোশন করব..।আমরা এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করব।”
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “৮৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছে, তারা যেন অনলাইনে যায়। কিন্তু পুরোটাই অনলাইনে যদি যাওয়া হয় আমরা আবার আনসোশাল হয়ে যাব। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি।”
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কী হচ্ছে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুপারিশের খবর মেলেনি। মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য অনলাইন ক্লাস কার্যকর নয় বলে মনে করছেন তারা। ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য আলাদা সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
মফস্বল-গ্রামাঞ্চল নিয়ে ভাবনা কী
প্রথম ধাপে শুধু মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই সিদ্ধান্তের আওতায় আনার ভাবনা থাকলেও মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রামাঞ্চলে অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সেখানে সশরীরে ক্লাস চলমান রাখার কথাই ভাবছে সরকার। তবে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে পরবর্তী ধাপে মফস্বলেও এই পদ্ধতি চালু হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাবনা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোকে উৎসাহিত করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশ জ্বালানি সংকটে রয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ে তাই দেশের স্কুলব্যবস্থাকে অনলাইন ও সশরীর—এই মিশ্র পদ্ধতিতে আনার কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে ছুটি ও বিভিন্ন আন্দোলন মিলিয়ে নির্ধারিত কিছু ক্লাস হয়নি। এ জন্য স্কুলকে সপ্তাহে ছয় দিন করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে বা মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হলে তা চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।
কী বলছেন শিক্ষামন্ত্রী
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জরিপ করে দেখা গেছে ৫৫ শতাংশ অংশীজন চাচ্ছেন অনলাইনে যেতে। কিন্তু পুরোপুরি অনলাইন হয়ে গেলে অসামাজিক হয়ে যাবে কি না, সেটাও ভাবছেন। মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বাদে সব পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কথা ভাবা হচ্ছে।বিশেষ করে মহানগরী বা মেট্রোপলিটন সিটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
ইরান যুদ্ধের কারণে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের মধ্যেই শিক্ষা ব্যবস্থায় নিয়ে আসা হচ্ছে নতুন মাত্রা। তবে পুরো দেশ নয়, প্রথম ধাপে শুধু মহানগরীর মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানেই সশরীরে পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালু করার সুপারিশ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
ঢাকা মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধান, শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) আয়োজিত মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভাপতিত্ব করেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সূত্র বলছে, সিটি করপোরেশনের অধীন বিদ্যালয় ও কলেজগুলোকে প্রথম ধাপে এই সিদ্ধান্তের আওতায় আনার কথা ভাবছে সরকার। কিন্তু মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য এখন পর্যন্ত তেমন কোনো সিদ্ধান্তের খবর মেলেনি।
কেন শুধু মহানগর
জ্বালানি সাশ্রয়ের কথা মাথায় রেখেই এমন সিদ্ধান্তের ভাবনা বলে জানাচ্ছে সভায় অংশ নেওয়া একাধিক সূত্র।তবে সারা দেশে হঠাৎ করে অনলাইন নির্ভর শিক্ষা ব্যবস্থায় যাওয়া সম্ভব নয়। কারণ মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলে এখনও অনেক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার মতো অবকাঠামো ও ইন্টারনেট সুবিধা নেই।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো তুলনামূলকভাবে ডিজিটাল অবকাঠামোতে এগিয়ে। সেখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থী উভয়েরই ইন্টারনেট ও স্মার্ট ডিভাইসের প্রবেশাধিকার বেশি। তাই প্রথম ধাপে ঢাকা ও সিটি করপোরেশন এলাকায় পরীক্ষামূলকভাবে এই পদ্ধতি চালু করে দেখা হবে কতটা কার্যকর।
‘ব্লেন্ডেড’ পদ্ধতি
করোনাকালের মতো পুরোপুরি অনলাইন নির্ভর না হয়ে এবার ভাবা হচ্ছে ‘ব্লেন্ডেড’ বা সমন্বিত ক্লাস পদ্ধতির কথা। প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে ছয় দিন ক্লাস রেখে এর মধ্যে জোড়–বিজোড় মিলিয়ে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন সশরীর পাঠদানের প্রস্তাব বিবেচনায় রয়েছে।
ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাজেদা বেগম বলেন, “সভায় সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইনে শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। শিক্ষকেরা এ বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন।”
তবে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির। তিনি বলেন, “সভায় আলোচনা হয়েছে কিন্তু এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে।”
কেন এই ভাবনা
বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের কারণে বাড়তি চাপে আছে বাংলাদেশও। ইরানে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার জের ধরে তেলের বাজারে অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে জ্বালানি সাশ্রয়ে বিকল্প পথ খুঁজছে সরকার।
এর আগে মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী মিলন বলেন, “আমরা আলোচনা করেছি যে, অনলাইনে এডুকেশনটা প্রমোশন করব..।আমরা এ বিষয়ে একটি প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে উপস্থাপন করব।”
শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, “৮৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছে, তারা যেন অনলাইনে যায়। কিন্তু পুরোটাই অনলাইনে যদি যাওয়া হয় আমরা আবার আনসোশাল হয়ে যাব। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি।”
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কী হচ্ছে
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো সুপারিশের খবর মেলেনি। মন্ত্রণালয় সূত্র বলছে, প্রাথমিক স্তরের শিশুদের জন্য অনলাইন ক্লাস কার্যকর নয় বলে মনে করছেন তারা। ফলে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর জন্য আলাদা সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
মফস্বল-গ্রামাঞ্চল নিয়ে ভাবনা কী
প্রথম ধাপে শুধু মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এই সিদ্ধান্তের আওতায় আনার ভাবনা থাকলেও মফস্বল ও গ্রামাঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
মন্ত্রণালয়ের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রামাঞ্চলে অনলাইন ক্লাসের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত সেখানে সশরীরে ক্লাস চলমান রাখার কথাই ভাবছে সরকার। তবে জ্বালানি সংকট দীর্ঘায়িত হলে পরবর্তী ধাপে মফস্বলেও এই পদ্ধতি চালু হতে পারে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ভাবনা
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক সভায় অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম চালানোকে উৎসাহিত করার ব্যাপারে আলোচনা হয়েছে।সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশ জ্বালানি সংকটে রয়েছে। জ্বালানি সাশ্রয়ে তাই দেশের স্কুলব্যবস্থাকে অনলাইন ও সশরীর—এই মিশ্র পদ্ধতিতে আনার কথা ভাবছে মন্ত্রণালয়।
পবিত্র রমজান উপলক্ষে ছুটি ও বিভিন্ন আন্দোলন মিলিয়ে নির্ধারিত কিছু ক্লাস হয়নি। এ জন্য স্কুলকে সপ্তাহে ছয় দিন করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবনা প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদন পেলে বা মন্ত্রিসভায় সিদ্ধান্ত হলে তা চূড়ান্ত হিসেবে গণ্য হবে। আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রস্তাব উপস্থাপন করা হবে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।
কী বলছেন শিক্ষামন্ত্রী
সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, সশরীর ক্লাসের পাশাপাশি অনলাইন ক্লাস চালুর বিষয়ে আলোচনা হচ্ছে। ইতিমধ্যে জরিপ করে দেখা গেছে ৫৫ শতাংশ অংশীজন চাচ্ছেন অনলাইনে যেতে। কিন্তু পুরোপুরি অনলাইন হয়ে গেলে অসামাজিক হয়ে যাবে কি না, সেটাও ভাবছেন। মন্ত্রী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় বাদে সব পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কথা ভাবা হচ্ছে।বিশেষ করে মহানগরী বা মেট্রোপলিটন সিটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন