জাতীয়
সংসদে প্রথমবারের মতো প্রশ্নোত্তর পর্বে
অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান দেশের নারী সমাজের ক্ষমতায়ন
ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপের
কথা তুলে ধরেছেন।
তিনি
জানিয়েছেন, সরকারের প্রবর্তিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ
নিশ্চিত করবে। এই কার্ডটি মূলত
পরিবারের নারী প্রধানের নামে
প্রদান করা হবে, যা
ভবিষ্যতে পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতা ও সামাজিক মর্যাদা
বহুলাংশে বৃদ্ধি করবে।
প্রধানমন্ত্রীর
মতে, এর ফলে কেবল
খাদ্য ও পুষ্টির নিশ্চয়তাই
নয়, বরং জরুরি চিকিৎসা
ও শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকারগুলো
পূরণেও নারীরা সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারবেন। এটি পরিবার ও
সমাজে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী
মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।
বুধবার
জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ
সদস্য এ বি এম
মোশাররফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে
প্রধানমন্ত্রী এ সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
প্রদান করেন।
দায়িত্ব
গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
এটিই ছিল সংসদ সদস্যদের
প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে তার প্রথম দিন।
সংসদীয় রীতি অনুযায়ী অধিবেশনের
প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর
জন্য নির্ধারিত ছিলো, যেখানে তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের
সঙ্গে জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
গত ১০ মার্চ দেশের
১৩টি জেলার ৩টি সিটি কর্পোরেশন
ও ইউনিয়নের মোট ১৫টি ওয়ার্ডে
পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচি চালু
করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক
পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৮১৪টি
নারী প্রধান পরিবারকে ভাতার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের বাকি তিন মাসে
আরও ৩০ হাজার পরিবারকে
এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
আরও ঘোষণা করেন, আগামী চার বছরের মধ্যে
পর্যায়ক্রমে দেশের চার কোটি পরিবারকে
এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে,
যা দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তায়
নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয়
সংসদে প্রথমবারের মতো প্রশ্নোত্তর পর্বে
অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমান দেশের নারী সমাজের ক্ষমতায়ন
ও অর্থনৈতিক মুক্তির লক্ষ্যে এক যুগান্তকারী পদক্ষেপের
কথা তুলে ধরেছেন।
তিনি
জানিয়েছেন, সরকারের প্রবর্তিত ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পরিবারের সম্পদের ওপর নারীর নিয়ন্ত্রণ
নিশ্চিত করবে। এই কার্ডটি মূলত
পরিবারের নারী প্রধানের নামে
প্রদান করা হবে, যা
ভবিষ্যতে পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতা ও সামাজিক মর্যাদা
বহুলাংশে বৃদ্ধি করবে।
প্রধানমন্ত্রীর
মতে, এর ফলে কেবল
খাদ্য ও পুষ্টির নিশ্চয়তাই
নয়, বরং জরুরি চিকিৎসা
ও শিক্ষার মতো মৌলিক অধিকারগুলো
পূরণেও নারীরা সরাসরি ভূমিকা রাখতে পারবেন। এটি পরিবার ও
সমাজে নারীর প্রকৃত ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার একটি শক্তিশালী
মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে।
বুধবার
জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে পটুয়াখালী-৪ আসনের সংসদ
সদস্য এ বি এম
মোশাররফ হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে
প্রধানমন্ত্রী এ সব গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
প্রদান করেন।
দায়িত্ব
গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে
এটিই ছিল সংসদ সদস্যদের
প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে তার প্রথম দিন।
সংসদীয় রীতি অনুযায়ী অধিবেশনের
প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর
জন্য নির্ধারিত ছিলো, যেখানে তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসের
সঙ্গে জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন।
ফ্যামিলি
কার্ড কর্মসূচির বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
সম্পর্কে বিস্তারিত জানাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
গত ১০ মার্চ দেশের
১৩টি জেলার ৩টি সিটি কর্পোরেশন
ও ইউনিয়নের মোট ১৫টি ওয়ার্ডে
পরীক্ষামূলকভাবে এই কর্মসূচি চালু
করা হয়েছে। এর মাধ্যমে প্রাথমিক
পর্যায়ে ৩৭ হাজার ৮১৪টি
নারী প্রধান পরিবারকে ভাতার আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
চলতি অর্থবছরের বাকি তিন মাসে
আরও ৩০ হাজার পরিবারকে
এই সুবিধার আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী
আরও ঘোষণা করেন, আগামী চার বছরের মধ্যে
পর্যায়ক্রমে দেশের চার কোটি পরিবারকে
এই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় নিয়ে আসা হবে,
যা দেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও সামাজিক নিরাপত্তায়
নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

আপনার মতামত লিখুন