গত ২১ মার্চ ২০২৬, আনুমানিক রাত ৩টা, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় রেললাইনে একটি বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে ১২ জন প্রাণ হারান। সংঘর্ষের পর বাসটি প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় ট্রেন, কারণ বাসটি ইঞ্জিনের সঙ্গে আটকে ছিল। এ ঘটনার জন্য গেটম্যানকে দায়ী করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু একজন কর্মীকে দায়ী করলেই কি ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা বন্ধ হবে বাস্তবতা হলো, এ দুর্ঘটনার পেছনে রেলব্যবস্থাপনার কাঠামোগত দুর্বলতাও সমানভাবে দায়ী।
বিশ্ব যখন দ্রুত আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে, তখন আমাদের রেলক্রসিংগুলো এখনও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রতুল ও অনিরাপদ। যেখানে ট্রেন আসার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সড়ক বন্ধ হয়ে যায়— এমন ব্যবস্থা জরুরি। অনেক স্থানে গেট রেললাইন থেকে খুব কাছে হওয়ায় দ্রুতগতির যানবাহন সময়মতো থামতে পারে না। আবার অনেক ক্রসিংয়ে পর্যাপ্ত আলোর অভাবও ঝুঁকি বাড়ায়। ত্রুটিপূর্ণ বাঁকযুক্ত রেললাইনও বড় সমস্যা, যেখানে ট্রেন আসছে কি না বোঝা যায় না। শুধু দায় চাপিয়ে নয়, সমাধানের দিকে নজর দিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ওভারপাস নির্মাণ, আধুনিক গেটব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং নিরাপদ নকশার রেললাইন নিশ্চিত করতে হবে। চালকদেরও সতর্কতা বাড়াতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া এই প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব নয়।
মো. রিমেল

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
গত ২১ মার্চ ২০২৬, আনুমানিক রাত ৩টা, কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় রেললাইনে একটি বাসের সঙ্গে ট্রেনের সংঘর্ষে ১২ জন প্রাণ হারান। সংঘর্ষের পর বাসটি প্রায় এক কিলোমিটার পর্যন্ত টেনে নিয়ে যায় ট্রেন, কারণ বাসটি ইঞ্জিনের সঙ্গে আটকে ছিল। এ ঘটনার জন্য গেটম্যানকে দায়ী করে চাকরি থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। কিন্তু প্রশ্ন হলো, শুধু একজন কর্মীকে দায়ী করলেই কি ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা বন্ধ হবে বাস্তবতা হলো, এ দুর্ঘটনার পেছনে রেলব্যবস্থাপনার কাঠামোগত দুর্বলতাও সমানভাবে দায়ী।
বিশ্ব যখন দ্রুত আধুনিক ও স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে, তখন আমাদের রেলক্রসিংগুলো এখনও অনেক ক্ষেত্রে অপ্রতুল ও অনিরাপদ। যেখানে ট্রেন আসার সঙ্গে সঙ্গে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সড়ক বন্ধ হয়ে যায়— এমন ব্যবস্থা জরুরি। অনেক স্থানে গেট রেললাইন থেকে খুব কাছে হওয়ায় দ্রুতগতির যানবাহন সময়মতো থামতে পারে না। আবার অনেক ক্রসিংয়ে পর্যাপ্ত আলোর অভাবও ঝুঁকি বাড়ায়। ত্রুটিপূর্ণ বাঁকযুক্ত রেললাইনও বড় সমস্যা, যেখানে ট্রেন আসছে কি না বোঝা যায় না। শুধু দায় চাপিয়ে নয়, সমাধানের দিকে নজর দিতে হবে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে ওভারপাস নির্মাণ, আধুনিক গেটব্যবস্থা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা এবং নিরাপদ নকশার রেললাইন নিশ্চিত করতে হবে। চালকদেরও সতর্কতা বাড়াতে হবে। দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা ছাড়া এই প্রাণহানি ঠেকানো সম্ভব নয়।
মো. রিমেল

আপনার মতামত লিখুন