দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত ফরিদপুর শহর বাস্তবে নিজের অধিবাসীদের স্বাস্থ্য নিয়েই যেন ছিনিমিনি খেলছে। শহরের আনাচে-কানাচে রাস্তার সঙ্গে সংলগ্ন উন্মুক্ত ময়লার ভাগাড়গুলো এর জ্বলন্ত প্রমাণ। নির্দিষ্ট স্থানের নামে গড়ে ওঠা এই উন্মুক্ত ও দুর্গন্ধময় ভাগাড়গুলোতে বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্টাংশ থেকে শুরু করে মানববর্জ্য— সবই মিশে থাকে। ফরিদপুর শহরে প্রতিদিন প্রায় ১২০ টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়।
পৌরসভার নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ থাকলেও তাদের কার্যক্রম মূলত রাস্তার পাশের নির্দিষ্ট ভাগাড়গুলো থেকে বর্জ্য সংগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তা ছাড়া এই ভাগাড়গুলোর একটি থেকে আরেকটির দূরত্ব অনেক বেশি। নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ময়লা সংগ্রহ করার মতো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা শহরে নেই বললেই চলে। অথচ এই বিপুল পরিমাণ কঠিন বর্জ্যকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদে বা পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীতে রূপান্তর করা গেলে শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি তা একটি টেকসই সমাধান হতে পারত।
এমতাবস্থায়, ফরিদপুর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ, অনতিবিলম্বে ওয়ার্ডভিত্তিক বাড়ি বাড়ি গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক এবং উন্মুক্ত ভাগাড়গুলোর সুষ্ঠু ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হোক।
খন্দকার রামীম হাসান পায়েল

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত ফরিদপুর শহর বাস্তবে নিজের অধিবাসীদের স্বাস্থ্য নিয়েই যেন ছিনিমিনি খেলছে। শহরের আনাচে-কানাচে রাস্তার সঙ্গে সংলগ্ন উন্মুক্ত ময়লার ভাগাড়গুলো এর জ্বলন্ত প্রমাণ। নির্দিষ্ট স্থানের নামে গড়ে ওঠা এই উন্মুক্ত ও দুর্গন্ধময় ভাগাড়গুলোতে বাসাবাড়ির উচ্ছিষ্টাংশ থেকে শুরু করে মানববর্জ্য— সবই মিশে থাকে। ফরিদপুর শহরে প্রতিদিন প্রায় ১২০ টন বর্জ্য উৎপন্ন হয়।
পৌরসভার নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ থাকলেও তাদের কার্যক্রম মূলত রাস্তার পাশের নির্দিষ্ট ভাগাড়গুলো থেকে বর্জ্য সংগ্রহের মধ্যেই সীমাবদ্ধ। তা ছাড়া এই ভাগাড়গুলোর একটি থেকে আরেকটির দূরত্ব অনেক বেশি। নিয়মিত বাড়ি বাড়ি গিয়ে ময়লা সংগ্রহ করার মতো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা শহরে নেই বললেই চলে। অথচ এই বিপুল পরিমাণ কঠিন বর্জ্যকে আধুনিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে পুনর্ব্যবহারযোগ্য সম্পদে বা পরিবেশবান্ধব নির্মাণসামগ্রীতে রূপান্তর করা গেলে শহরের পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি তা একটি টেকসই সমাধান হতে পারত।
এমতাবস্থায়, ফরিদপুর পৌরসভার বর্জ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ, অনতিবিলম্বে ওয়ার্ডভিত্তিক বাড়ি বাড়ি গিয়ে বর্জ্য সংগ্রহের কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হোক এবং উন্মুক্ত ভাগাড়গুলোর সুষ্ঠু ও স্বাস্থ্যসম্মত ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা হোক।
খন্দকার রামীম হাসান পায়েল

আপনার মতামত লিখুন