জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে প্রশ্নোত্তর
পর্বে তিনি বিএনপি ঘোষিত
ইশতেহারের আলোকে আগামী ১৮০ দিন, আসন্ন
অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ
বছরের মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
সিলেট-২ আসনের সংসদ
সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর এক লিখিত প্রশ্নের
জবাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে
সরকারের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
সংসদ
নেতা তারেক রহমান বলেন, "সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়
ও বিভাগ আগামী ১৮০ দিন, আসন্ন
অর্থবছর এবং আগামী ৫
বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এরই মধ্যে কতিপয়
গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে।"
ইশতেহারের
অন্যতম চমক হিসেবে কৃষি
খাতের অভাবনীয় ছাড়ের কথা উল্লেখ করেন
প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, নির্বাচনি
অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার এরই মধ্যে শস্য,
পশুপালন ও মৎস্য খাতে
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ
মওকুফ করেছে। একইসঙ্গে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের
মানুষের জন্য ১৩টি জেলায়
৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। এ
ছাড়া কৃষকদের ডিজিটাল সুরক্ষায় ‘কৃষক কার্ড’ এবং
খুলনায় ২৫ লাখ ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের
কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কোমলমতি
শিক্ষার্থীদের জন্য চলতি অর্থবছরেই
২ লাখ স্কুল ড্রেস
বিতরণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
ধর্মীয়
সম্প্রীতি ও পরিবেশ রক্ষায়
বিশেষ নজর দিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ঈদ-উল-ফিতরের
আগেই ৯ হাজার ১০২
জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও সেবাইতের ব্যাংক
অ্যাকাউন্টে রাষ্ট্রীয় সম্মানী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২০
হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে
সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।
প্রযুক্তি
ও তরুণ প্রজন্মের উন্নয়নে
বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
"কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা
উন্নয়নে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার শিক্ষককে
ট্যাব প্রদান করা হবে এবং
৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।"
২০২৬
সালের মধ্যে ৪১৮টি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই
চালুর পাশাপাশি ইতালিয়ান ও জাপানিজ ভাষা
শিক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমনকি পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ ও উচ্চশিক্ষায় ল্যাংগুয়েজ
স্টুডেন্ট ভিসায় জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ থেকে
বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা
করা হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের জন্য চালু হয়েছে
বিশেষ ক্রীড়া ভাতা।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
জাতীয় সংসদ অধিবেশনে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের সুনির্দিষ্ট রূপরেখা তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বুধবার
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ষষ্ঠ দিনে প্রশ্নোত্তর
পর্বে তিনি বিএনপি ঘোষিত
ইশতেহারের আলোকে আগামী ১৮০ দিন, আসন্ন
অর্থবছর এবং পরবর্তী পাঁচ
বছরের মহাপরিকল্পনা ঘোষণা করেন।
সিলেট-২ আসনের সংসদ
সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদীর এক লিখিত প্রশ্নের
জবাবে প্রধানমন্ত্রী দেশের প্রান্তিক মানুষের সুরক্ষা, শিক্ষা ও কর্মসংস্থান নিয়ে
সরকারের ভবিষ্যৎ পদক্ষেপ দেশবাসীর সামনে তুলে ধরেন।
সংসদ
নেতা তারেক রহমান বলেন, "সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে ঘোষিত কার্যক্রমগুলো বাস্তবায়নের জন্য সব মন্ত্রণালয়
ও বিভাগ আগামী ১৮০ দিন, আসন্ন
অর্থবছর এবং আগামী ৫
বছরের কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করছে। এরই মধ্যে কতিপয়
গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম বাস্তবায়নে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতিও অর্জিত হয়েছে।"
ইশতেহারের
অন্যতম চমক হিসেবে কৃষি
খাতের অভাবনীয় ছাড়ের কথা উল্লেখ করেন
প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, নির্বাচনি
অঙ্গীকার অনুযায়ী সরকার এরই মধ্যে শস্য,
পশুপালন ও মৎস্য খাতে
১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ
মওকুফ করেছে। একইসঙ্গে প্রান্তিক ও নিম্ন আয়ের
মানুষের জন্য ১৩টি জেলায়
৩৭ হাজার ৮১৪টি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হয়েছে। এ
ছাড়া কৃষকদের ডিজিটাল সুরক্ষায় ‘কৃষক কার্ড’ এবং
খুলনায় ২৫ লাখ ‘ই-হেলথ কার্ড’ প্রদানের
কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
কোমলমতি
শিক্ষার্থীদের জন্য চলতি অর্থবছরেই
২ লাখ স্কুল ড্রেস
বিতরণের পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।
ধর্মীয়
সম্প্রীতি ও পরিবেশ রক্ষায়
বিশেষ নজর দিয়েছে সরকার।
প্রধানমন্ত্রী জানান, ঈদ-উল-ফিতরের
আগেই ৯ হাজার ১০২
জন ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও সেবাইতের ব্যাংক
অ্যাকাউন্টে রাষ্ট্রীয় সম্মানী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষায় আগামী ৫ বছরে ২০
হাজার কিলোমিটার খাল খনন এবং
২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে
সবুজ কর্মসংস্থান সৃষ্টির বিশাল কর্মযজ্ঞ শুরু হয়েছে।
প্রযুক্তি
ও তরুণ প্রজন্মের উন্নয়নে
বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন,
"কারিগরি ও ভাষা দক্ষতা
উন্নয়নে আগামী ১৮০ দিনের মধ্যে
কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯ হাজার শিক্ষককে
ট্যাব প্রদান করা হবে এবং
৩ হাজার ৮৩২টি মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম স্থাপন করা হবে।"
২০২৬
সালের মধ্যে ৪১৮টি প্রতিষ্ঠানে ফ্রি ওয়াই-ফাই
চালুর পাশাপাশি ইতালিয়ান ও জাপানিজ ভাষা
শিক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এমনকি পেপ্যাল চালুর উদ্যোগ ও উচ্চশিক্ষায় ল্যাংগুয়েজ
স্টুডেন্ট ভিসায় জামানতবিহীন ঋণসীমা ৩ লাখ থেকে
বাড়িয়ে ১০ লাখ টাকা
করা হয়েছে। ক্রীড়াবিদদের জন্য চালু হয়েছে
বিশেষ ক্রীড়া ভাতা।

আপনার মতামত লিখুন