সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ভেজাল ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে নিজেদের জিরো টলারেন্সের জন্য ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জে এক ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বুধবার (০১ এপ্রিল) র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং র্যাব-১০ এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত কেরাণীগঞ্জের জুয়াইল ও আটিবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ, শিশু খাদ্য এবং প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করেছে।
এ সময় এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদানসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযান চলাকালে আটিবাজার এলাকায় জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নকল পণ্য উৎপাদনের দায়ে অভিযুক্ত মো. সাইদ হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই সাথে জুয়াইল এলাকায় অস্বাস্থ্যকর ও অবৈধভাবে পণ্য মজুতের অভিযোগে ফিরোজা বেগমকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও বিএসটিআই এর কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল সামগ্রী বাজারজাত করে আসছিলেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, তাঁরা অধিক মুনাফার আশায় এ কাজ করছিলেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান দুটিকে জনস্বার্থে সীলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
র্যাব-১০ এর অধিনায়কের পক্ষে সিনি. সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তাপস কর্মকার এই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমরা সংশ্লিষ্ট আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে র্যাবের জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং জনস্বার্থে কোনো প্রকার প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডকে ছাড় দেওয়া হবে না।

বুধবার, ০১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৬
সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এবং ভেজাল ও নকল পণ্যের বিরুদ্ধে নিজেদের জিরো টলারেন্সের জন্য ঢাকা জেলার কেরাণীগঞ্জে এক ঝটিকা অভিযান পরিচালনা করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)।
বুধবার (০১ এপ্রিল) র্যাব সদর দপ্তরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট এবং র্যাব-১০ এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই ভ্রাম্যমাণ আদালত কেরাণীগঞ্জের জুয়াইল ও আটিবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ অনুমোদনহীন ও মেয়াদোত্তীর্ণ ঔষধ, শিশু খাদ্য এবং প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ করেছে।
এ সময় এক ব্যক্তিকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড প্রদানসহ দুই প্রতিষ্ঠানকে সর্বমোট ৩ লক্ষ টাকা জরিমানা এবং প্রতিষ্ঠান সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
অভিযান চলাকালে আটিবাজার এলাকায় জনস্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর নকল পণ্য উৎপাদনের দায়ে অভিযুক্ত মো. সাইদ হোসেনকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ অনুযায়ী এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড এবং ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
একই সাথে জুয়াইল এলাকায় অস্বাস্থ্যকর ও অবৈধভাবে পণ্য মজুতের অভিযোগে ফিরোজা বেগমকে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
র্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন ধরে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তর ও বিএসটিআই এর কোনো প্রকার অনুমোদন ছাড়াই মেয়াদোত্তীর্ণ ও ভেজাল সামগ্রী বাজারজাত করে আসছিলেন।
প্রাথমিক অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে, তাঁরা অধিক মুনাফার আশায় এ কাজ করছিলেন, যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিষ্ঠান দুটিকে জনস্বার্থে সীলগালা করে দেওয়া হয়েছে।
র্যাব-১০ এর অধিনায়কের পক্ষে সিনি. সহকারী পুলিশ সুপার ও সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) তাপস কর্মকার এই অভিযানের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আমরা সংশ্লিষ্ট আইনে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।
তিনি আরও জোর দিয়ে বলেন, এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে র্যাবের জিরো টলারেন্স নীতি ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে এবং জনস্বার্থে কোনো প্রকার প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ডকে ছাড় দেওয়া হবে না।

আপনার মতামত লিখুন