দেশে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে চলমান উদ্বেগের মাঝে স্বস্তির খবর দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। আগামীকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুই জাহাজে করে ৬০ হাজার টন ডিজেল চট্টগ্রামে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া চলতি মাসেই আরও অন্তত চারটি বড় জাহাজ আসার নিশ্চয়তা পাওয়ায় দেশে ডিজেল সরবরাহে আপাতত কোনো শঙ্কার কারণ নেই বলে জানানো হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, চলতি এপ্রিল মাসে
দেশে ডিজেলের মোট চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। বর্তমানে মজুত আছে সোয়া লাখ টন, যার বাইরে
আরও ৮০ হাজার টন জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত আছে। এ মাসে মোট সোয়া তিন
লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় একটি অংশের নিশ্চয়তা ইতিমধ্যে পাওয়া
গেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে:
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচলে টানাপোড়েন তৈরি
হওয়ায় সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে। ইতিমধ্যে এ অ্যান্ড এ এনার্জি, পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনাল
এবং এক্সন মোবিল কাজাখস্তানের মতো নতুন উৎস থেকে ডিজেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে
সরকার। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজাখস্তান, নাইজেরিয়া
এবং আজারবাইজান থেকে তেল আমদানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমনকি আগামী দুই মাসে রাশিয়া
থেকেও ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অবরুদ্ধ থাকা হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের
অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ। ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের
জ্বালানিবাহী ছয়টি জাহাজকে এই পথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। এর ফলে জ্বালানি
তেল ও এলএনজি সরবরাহে গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ
টুকু জানিয়েছেন, চাহিদার চেয়ে বাড়তি তেল কেনা হয়েছে এবং তিন মাসের আগাম মজুত তৈরির
পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাই সংকটের কোনো সম্ভাবনা নেই।
বিপিসি আরও জানিয়েছে, অকটেন ও পেট্রল নিয়েও কোনো দুশ্চিন্তা
নেই। এপ্রিলে চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত অকটেন আমদানি হচ্ছে এবং স্থানীয় উৎস থেকে পেট্রলের
জোগান নিশ্চিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
দেশে জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে চলমান উদ্বেগের মাঝে স্বস্তির খবর দিয়েছে জ্বালানি বিভাগ। আগামীকাল শুক্রবার (৩ এপ্রিল) দুই জাহাজে করে ৬০ হাজার টন ডিজেল চট্টগ্রামে এসে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এছাড়া চলতি মাসেই আরও অন্তত চারটি বড় জাহাজ আসার নিশ্চয়তা পাওয়ায় দেশে ডিজেল সরবরাহে আপাতত কোনো শঙ্কার কারণ নেই বলে জানানো হয়েছে।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের তথ্যমতে, চলতি এপ্রিল মাসে
দেশে ডিজেলের মোট চাহিদা প্রায় ৪ লাখ টন। বর্তমানে মজুত আছে সোয়া লাখ টন, যার বাইরে
আরও ৮০ হাজার টন জরুরি প্রয়োজনে ব্যবহারের জন্য সংরক্ষিত আছে। এ মাসে মোট সোয়া তিন
লাখ টন ডিজেল আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় একটি অংশের নিশ্চয়তা ইতিমধ্যে পাওয়া
গেছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) সূত্র জানিয়েছে:
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচলে টানাপোড়েন তৈরি
হওয়ায় সরকার বিকল্প উৎস খুঁজছে। ইতিমধ্যে এ অ্যান্ড এ এনার্জি, পেট্রোগ্যাস ইন্টারন্যাশনাল
এবং এক্সন মোবিল কাজাখস্তানের মতো নতুন উৎস থেকে ডিজেল কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছে
সরকার। এছাড়া জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে কাজাখস্তান, নাইজেরিয়া
এবং আজারবাইজান থেকে তেল আমদানির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমনকি আগামী দুই মাসে রাশিয়া
থেকেও ৬ লাখ টন ডিজেল আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে অবরুদ্ধ থাকা হরমুজ প্রণালি ব্যবহারের
অনুমতি পেয়েছে বাংলাদেশ। ইরানি রাষ্ট্রদূত জলিল রহিমি জাহানাবাদি জানিয়েছেন, বাংলাদেশের
জ্বালানিবাহী ছয়টি জাহাজকে এই পথ দিয়ে চলাচলের অনুমতি দিয়েছে ইরান। এর ফলে জ্বালানি
তেল ও এলএনজি সরবরাহে গতি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ
টুকু জানিয়েছেন, চাহিদার চেয়ে বাড়তি তেল কেনা হয়েছে এবং তিন মাসের আগাম মজুত তৈরির
পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাই সংকটের কোনো সম্ভাবনা নেই।
বিপিসি আরও জানিয়েছে, অকটেন ও পেট্রল নিয়েও কোনো দুশ্চিন্তা
নেই। এপ্রিলে চাহিদার বিপরীতে পর্যাপ্ত অকটেন আমদানি হচ্ছে এবং স্থানীয় উৎস থেকে পেট্রলের
জোগান নিশ্চিত করা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন