বিদ্যমান
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সরকারের কার্যক্রমে
অসন্তোষ জানিয়ে রাজপথে বড় ধরনের শোডাউনের
প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী
ঐক্য।
আগামী
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে
রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এক বিশাল
বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি
ঘোষণা করেছে এই জোটটি। বৃহস্পতিবার
দুপুরে লিয়াজোঁ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আয়োজিত
এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা
করা হয়।
সংবাদ
সম্মেলনে জোটের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি সরকারের বর্তমান
ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে
বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায়
ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই
ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটছে।
তার
অভিযোগ, সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মূল দাবিগুলোকে ধামাচাপা
দিয়ে কেবল সংবিধানের কাটছাঁট
বা সংশোধনীর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে,
যা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
১১ দলীয় জোটের এই
শীর্ষ নেতা আরও বলেন,
সংস্কারকে ধামাচাপা দিয়ে সরকার সংবিধানে
শুধু সংশোধনী আনতে চায়। রাজপথের
আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের
আর কোনো বিকল্প নেই।
জনগণের
অধিকার আদায়ে এবং সরকারের একঘেয়েমি
ভাঙতে এই আন্দোলন অব্যাহত
থাকবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি
দেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শনিবারের সমাবেশকে
সফল করতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি
শুরু করেছে জোটভুক্ত দলগুলো।
বিক্ষোভ
সমাবেশের কর্মসূচির পাশাপাশি জোটের পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে আগামী
৭ এপ্রিল ১১ দলীয় নির্বাচনী
ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যমান
রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও সরকারের কার্যক্রমে
অসন্তোষ জানিয়ে রাজপথে বড় ধরনের শোডাউনের
প্রস্তুতি নিচ্ছে জামায়াতে ইসলামীসহ ১১ দলীয় নির্বাচনী
ঐক্য।
আগামী
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকেলে
রাজধানীর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে এক বিশাল
বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচি
ঘোষণা করেছে এই জোটটি। বৃহস্পতিবার
দুপুরে লিয়াজোঁ কমিটির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শেষে আয়োজিত
এক সংবাদ সম্মেলনে এই কর্মসূচি ঘোষণা
করা হয়।
সংবাদ
সম্মেলনে জোটের পক্ষে বক্তব্য রাখেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ। তিনি সরকারের বর্তমান
ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করে
বলেন, সরকারি দল সংসদ পরিচালনায়
ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। বর্তমান সরকার শেখ হাসিনার মতোই
ফ্যাসিবাদী পথে হাঁটছে।
তার
অভিযোগ, সরকার রাষ্ট্রীয় সংস্কারের মূল দাবিগুলোকে ধামাচাপা
দিয়ে কেবল সংবিধানের কাটছাঁট
বা সংশোধনীর দিকে মনোযোগ দিচ্ছে,
যা জনগণের আকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী।
১১ দলীয় জোটের এই
শীর্ষ নেতা আরও বলেন,
সংস্কারকে ধামাচাপা দিয়ে সরকার সংবিধানে
শুধু সংশোধনী আনতে চায়। রাজপথের
আন্দোলন ছাড়া ১১ দলের
আর কোনো বিকল্প নেই।
জনগণের
অধিকার আদায়ে এবং সরকারের একঘেয়েমি
ভাঙতে এই আন্দোলন অব্যাহত
থাকবে বলে তিনি হুঁশিয়ারি
দেন। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, শনিবারের সমাবেশকে
সফল করতে ইতোমধ্যে প্রস্তুতি
শুরু করেছে জোটভুক্ত দলগুলো।
বিক্ষোভ
সমাবেশের কর্মসূচির পাশাপাশি জোটের পরবর্তী করণীয় ঠিক করতে আগামী
৭ এপ্রিল ১১ দলীয় নির্বাচনী
ঐক্যের শীর্ষ নেতাদের একটি উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন