রাজধানীতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় বড়সড় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমাতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোট ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত
করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী
আসাদুল হাবিব দুলু।
ভূমিকম্পের
মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সামাল দিতে সরকার কেবল
পরিকাঠামো নয়, বরং জনসচেতনতার
ওপরও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। মন্ত্রী জানান, জনমানসে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার
পাঠ্যসূচিতে ভূমিকম্প মোকাবিলা ও করণীয় বিষয়ক
অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা
হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ
হিসেবে সারাদেশের শিক্ষকদেরও বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে যাতে
তারা শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে
পারেন।
দুর্যোগ
পরবর্তী উদ্ধার অভিযান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
রাখার জন্য বিশাল এক
স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী গঠনের কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে
রয়েছে। মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, "ঢাকা
উত্তর ও দক্ষিণ মিলিয়ে
৪৪৫টি আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে।"
উদ্ধার
তৎপরতা জোরদার করার বিষয়ে মন্ত্রী
আরও যোগ করেন, ভূমিকম্প
পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সংস্থা থেকে ইতোমধ্যে এক
লাখ ৪৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের
একটি খসড়া তালিকা তৈরি
করা হয়েছে। এই বিশাল বাহিনীকে
যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে যে কোনো জরুরি
অবস্থা মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত রাখা হবে। সরকারের এই
বহুমুখী পদক্ষেপ ঢাকাবাসীর মধ্যে দুর্যোগ আতঙ্ক কমিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলে মনে করা
হচ্ছে। সচিবালয়ের এই বৈঠকে দেশের
সামগ্রিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানীতে বড় ধরনের ভূমিকম্পের ঝুঁকি মোকাবিলায় বড়সড় প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে সরকার। দুর্যোগ পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি কমাতে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় মোট ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার
সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক
শেষে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত
করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী
আসাদুল হাবিব দুলু।
ভূমিকম্পের
মতো প্রাকৃতিক দুর্যোগ সামাল দিতে সরকার কেবল
পরিকাঠামো নয়, বরং জনসচেতনতার
ওপরও সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। মন্ত্রী জানান, জনমানসে সচেতনতা তৈরির লক্ষ্যে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষার
পাঠ্যসূচিতে ভূমিকম্প মোকাবিলা ও করণীয় বিষয়ক
অধ্যায় অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা করা
হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ার অংশ
হিসেবে সারাদেশের শিক্ষকদেরও বিশেষ প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে যাতে
তারা শিক্ষার্থীদের সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে
পারেন।
দুর্যোগ
পরবর্তী উদ্ধার অভিযান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে
রাখার জন্য বিশাল এক
স্বেচ্ছাসেবী বাহিনী গঠনের কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে
রয়েছে। মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, "ঢাকা
উত্তর ও দক্ষিণ মিলিয়ে
৪৪৫টি আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে।"
উদ্ধার
তৎপরতা জোরদার করার বিষয়ে মন্ত্রী
আরও যোগ করেন, ভূমিকম্প
পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সংস্থা থেকে ইতোমধ্যে এক
লাখ ৪৫ হাজার স্বেচ্ছাসেবকের
একটি খসড়া তালিকা তৈরি
করা হয়েছে। এই বিশাল বাহিনীকে
যথাযথ প্রশিক্ষণ দিয়ে যে কোনো জরুরি
অবস্থা মোকাবিলায় সর্বদা প্রস্তুত রাখা হবে। সরকারের এই
বহুমুখী পদক্ষেপ ঢাকাবাসীর মধ্যে দুর্যোগ আতঙ্ক কমিয়ে আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলে মনে করা
হচ্ছে। সচিবালয়ের এই বৈঠকে দেশের
সামগ্রিক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা
করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন