দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এবং চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে আজ রাতে বসছে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক।
বৃহস্পতিবার
(২ এপ্রিল) রাত ৯টায় জাতীয়
সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমানের সভাপতিত্বে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
অনুষ্ঠিত হবে।
সংশ্লিষ্ট
সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই বৈঠক থেকেই
মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইন ও অফলাইন; উভয়
পদ্ধতিতে ক্লাস চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
বৈশ্বিক
জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ
ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার নানামুখী পদক্ষেপের কথা ভাবছে। এরই
অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর শিক্ষা এবং
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী
আ ন ম এহছানুল
হক মিলন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন,
মহানগরীর স্কুলগুলোতে মিশ্র পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী
তখন বলেছিলেন, "বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে সব মহানগরীর স্কুলের
ক্লাস অনলাইন ও অফলাইনে দুই
মাধ্যমেই নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। তবে
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।"
মন্ত্রিসভার
আজকের বৈঠক থেকে এ
বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা আসবে বলে আশা
করা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী
আরও জানান, সরকার অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা করছে।
তিনি
বলেন, "যেহেতু বিশ্বব্যাপী সংকট, তার মানে বাংলাদেশও।
আমরা কেউ জানি না,
কতদিন এই সংকট চলবে।
সে কারণে আমরা দেশের স্কুল
ব্যবস্থাকে অনলাইন ও সশরীর; এই
মিশ্র পদ্ধতিতে আনার কথা ভাবছি।"
মন্ত্রণালয়ের
করা এক জরিপে দেখা
গেছে, প্রায় ৫৫ শতাংশ অংশীজন
অনলাইনে ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে
পুরোপুরি অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় সরকার অফলাইনের সঙ্গে সমন্বয় করতে চায়।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "আমরা মন্ত্রণালয় থেকে
প্রস্তাব দেবো, কিন্তু মন্ত্রিসভা যেটা গ্রহণ করবে,
সেটাই হবে।" বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া সব পর্যায়ের
বিশেষ করে মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো
এই পরিকল্পনার আওতায় থাকবে।
শিক্ষার
পাশাপাশি আজকের বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের
লক্ষ্যে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা
রাখার সময়সীমা নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত আসতে
পারে।
সরকারি
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ
স্বাভাবিক থাকলেও গুজব ও অবৈধ
মজুতের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে।
বড় ধরনের সংকট এড়াতে সরকারি
অফিস পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিতে পারে সরকার।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন এবং চলমান বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণে আজ রাতে বসছে মন্ত্রিসভার বিশেষ বৈঠক।
বৃহস্পতিবার
(২ এপ্রিল) রাত ৯টায় জাতীয়
সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক
রহমানের সভাপতিত্বে এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
অনুষ্ঠিত হবে।
সংশ্লিষ্ট
সূত্রগুলো জানিয়েছে, এই বৈঠক থেকেই
মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইন ও অফলাইন; উভয়
পদ্ধতিতে ক্লাস চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসতে পারে।
বৈশ্বিক
জ্বালানি সংকটের প্রভাব বাংলাদেশেও অনুভূত হচ্ছে। এই প্রেক্ষাপটে বিদ্যুৎ
ও জ্বালানি সাশ্রয়ে সরকার নানামুখী পদক্ষেপের কথা ভাবছে। এরই
অংশ হিসেবে গত মঙ্গলবার সচিবালয়ে
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর শিক্ষা এবং
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী
আ ন ম এহছানুল
হক মিলন গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন,
মহানগরীর স্কুলগুলোতে মিশ্র পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার চিন্তা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী
তখন বলেছিলেন, "বৈশ্বিক জ্বালানি সংকটের কারণে সব মহানগরীর স্কুলের
ক্লাস অনলাইন ও অফলাইনে দুই
মাধ্যমেই নেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। তবে
এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে মন্ত্রিসভা।"
মন্ত্রিসভার
আজকের বৈঠক থেকে এ
বিষয়ে স্পষ্ট নির্দেশনা আসবে বলে আশা
করা হচ্ছে।
শিক্ষামন্ত্রী
আরও জানান, সরকার অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রমকে উৎসাহিত করার বিষয়ে বিস্তারিত
আলোচনা করছে।
তিনি
বলেন, "যেহেতু বিশ্বব্যাপী সংকট, তার মানে বাংলাদেশও।
আমরা কেউ জানি না,
কতদিন এই সংকট চলবে।
সে কারণে আমরা দেশের স্কুল
ব্যবস্থাকে অনলাইন ও সশরীর; এই
মিশ্র পদ্ধতিতে আনার কথা ভাবছি।"
মন্ত্রণালয়ের
করা এক জরিপে দেখা
গেছে, প্রায় ৫৫ শতাংশ অংশীজন
অনলাইনে ক্লাসের পক্ষে মত দিয়েছেন। তবে
পুরোপুরি অনলাইন শিক্ষা ব্যবস্থায় শিক্ষার্থীদের সামাজিক দক্ষতা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকায় সরকার অফলাইনের সঙ্গে সমন্বয় করতে চায়।
এ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, "আমরা মন্ত্রণালয় থেকে
প্রস্তাব দেবো, কিন্তু মন্ত্রিসভা যেটা গ্রহণ করবে,
সেটাই হবে।" বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া সব পর্যায়ের
বিশেষ করে মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো
এই পরিকল্পনার আওতায় থাকবে।
শিক্ষার
পাশাপাশি আজকের বৈঠকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয়ের
লক্ষ্যে দোকানপাট ও শপিংমল খোলা
রাখার সময়সীমা নিয়েও নতুন সিদ্ধান্ত আসতে
পারে।
সরকারি
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত ও সরবরাহ
স্বাভাবিক থাকলেও গুজব ও অবৈধ
মজুতের কারণে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে।
বড় ধরনের সংকট এড়াতে সরকারি
অফিস পরিচালনাসহ অন্যান্য ক্ষেত্রেও সাশ্রয়ী পদক্ষেপ নিতে পারে সরকার।

আপনার মতামত লিখুন