দেশের সুশাসন নিশ্চিত করতে এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতাকে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, একটি
দেশে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠিত
না হয়, তবে সেই
রাষ্ট্র ব্যর্থতার তকমা পাওয়ার ঝুঁকিতে
থাকে, যা শেষ পর্যন্ত
বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত করে
দেয়।
বৃহস্পতিবার
দুপুরে রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত
এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এ সব কথা
বলেন।
রুহুল
কবির রিজভী তার বক্তব্যে জাতীয়
ঐক্যের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন। তিনি বলেন, সুশাসন
প্রতিষ্ঠিত না হলে ব্যর্থ
রাষ্ট্রের তকমা দিয়ে বিদেশি
শক্তির হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা থাকে। তবে আমাদের নিজেদের
মধ্যে যদি ইস্পাতকঠিন ঐক্য
বজায় থাকে, তাহলে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি
আমাদের গ্রাস করতে পারবে না।
দেশের
সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতান্ত্রিক ধারা
সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দলনিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা এখন
সময়ের দাবি বলে তিনি
মন্তব্য করেন।
ইতিহাসের
বিকৃতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ
করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা
বলেন, বিগত সরকার দেশের
প্রকৃত ইতিহাসকে পদদলিত করে নিজেদের সুবিধামতো
নতুন করে ইতিহাস রচনা
করেছিলো। তারা সত্যকে আড়াল
করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর
এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলো।
এ সময়
তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, পার্শ্ববর্তী
দেশ ভারত আমাদের মহান
মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের সঙ্গে পাকিস্তানের যুদ্ধ বলে কৌশলে প্রচার
করে। এই ধরণের প্রচারণা
আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ
এবং স্বাধীনতার মূল চেতনাকে অবমূল্যায়ন
করার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই
নয়।
অনুষ্ঠানে
রিজভী তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে
বলেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে এর
সুফল প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। আর
এর জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছতা
ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা।
কোনো
বিশেষ মহলের ‘তল্পিবাহক’ না হয়ে প্রশাসনকে
জনগণের সেবক হিসেবে কাজ
করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,
শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
উপস্থিত ছিলেন।

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬
দেশের সুশাসন নিশ্চিত করতে এবং রাষ্ট্রীয় স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে প্রশাসনের নিরপেক্ষতাকে অপরিহার্য বলে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি
হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, একটি
দেশে যদি সুশাসন প্রতিষ্ঠিত
না হয়, তবে সেই
রাষ্ট্র ব্যর্থতার তকমা পাওয়ার ঝুঁকিতে
থাকে, যা শেষ পর্যন্ত
বিদেশি শক্তির হস্তক্ষেপের পথ প্রশস্ত করে
দেয়।
বৃহস্পতিবার
দুপুরে রাজধানীর নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে
মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত
এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে তিনি এ সব কথা
বলেন।
রুহুল
কবির রিজভী তার বক্তব্যে জাতীয়
ঐক্যের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ
করেন। তিনি বলেন, সুশাসন
প্রতিষ্ঠিত না হলে ব্যর্থ
রাষ্ট্রের তকমা দিয়ে বিদেশি
শক্তির হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা থাকে। তবে আমাদের নিজেদের
মধ্যে যদি ইস্পাতকঠিন ঐক্য
বজায় থাকে, তাহলে কোনো আধিপত্যবাদী শক্তি
আমাদের গ্রাস করতে পারবে না।
দেশের
সার্বভৌমত্ব রক্ষা ও গণতান্ত্রিক ধারা
সমুন্নত রাখতে প্রশাসনের প্রতিটি স্তরে দলনিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করা এখন
সময়ের দাবি বলে তিনি
মন্তব্য করেন।
ইতিহাসের
বিকৃতি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ
করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা
বলেন, বিগত সরকার দেশের
প্রকৃত ইতিহাসকে পদদলিত করে নিজেদের সুবিধামতো
নতুন করে ইতিহাস রচনা
করেছিলো। তারা সত্যকে আড়াল
করে একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর
এজেন্ডা বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিলো।
এ সময়
তিনি প্রতিবেশী রাষ্ট্র ভারতের ভূমিকার সমালোচনা করে বলেন, পার্শ্ববর্তী
দেশ ভারত আমাদের মহান
মুক্তিযুদ্ধকে নিজেদের সঙ্গে পাকিস্তানের যুদ্ধ বলে কৌশলে প্রচার
করে। এই ধরণের প্রচারণা
আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মত্যাগ
এবং স্বাধীনতার মূল চেতনাকে অবমূল্যায়ন
করার অপচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই
নয়।
অনুষ্ঠানে
রিজভী তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে
বলেন, স্বাধীনতাকে অর্থবহ করতে হলে এর
সুফল প্রতিটি মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে। আর
এর জন্য প্রয়োজন স্বচ্ছতা
ও জবাবদিহিমূলক শাসন ব্যবস্থা।
কোনো
বিশেষ মহলের ‘তল্পিবাহক’ না হয়ে প্রশাসনকে
জনগণের সেবক হিসেবে কাজ
করার আহ্বান জানান তিনি। সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক,
শিক্ষার্থী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিরা
উপস্থিত ছিলেন।

আপনার মতামত লিখুন