সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

‘জিয়া সার কারখানা হিসেবে পরিচিত’ এএফসিসির জন্য গ্যাস চাইলেন রুমিন


প্রকাশ: ২ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৫ পিএম

‘জিয়া সার কারখানা হিসেবে পরিচিত’ এএফসিসির জন্য গ্যাস চাইলেন রুমিন

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসি)’ গ্যাসের অভাবে সার উৎপাদন করতে পারছে না বলে সংসদকে জানিয়েছেন ওই এলাকার স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

‘জিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা’ নামে পরিচিত এই সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা হবে কিনা, সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাছে প্রশ্ন রেখেছেন তিনি।

১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিডেট (এএফসিসি) নামে এই সার কারখানাটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। ১৯৭৬ সালে কারখানার নির্মাণ কাজ আরম্ভ হয়। প্রাথমিক সময়সূচী অনুযায়ী কোম্পানীর নির্মাণ কাজ ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিলো।

নানা জটিলতায় এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮০ সালে। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে কারখানার পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। ১২ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে তৎকালীন সরকারী সিদ্ধান্তে কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে ‘জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’ নামকরণ করা হয়।

২০১০ সালে একনেকের এক সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ি সার কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে পুনরায় ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড’ নামকরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি রুমিন বলেন, “আমার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে একটা সার কারখানা আছে। এই সার কারখানাটি জিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা নামেই পরিচিত। সেখানে গ্যাসের অভাবে আমরা সার উৎপাদন করতে পারছি না। মন্ত্রীর (জ্বালানিমন্ত্রী) কাছে আমার প্রশ্ন এই সার কারখানায় গ্যাস সাপ্লাই দিতে পারবেন কি না?”

জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “আমরা দ্রুত সময়ে জিয়া সার কারখানায় গ্যাস সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা করবো।”

এর আগে রুমিন ফারহানা বলেন, “মাননীয় মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী বাড়িতে (আবাসিক) আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। তবে যে সংযোগগুলো আছে সেখানেও কিন্তু গ্যাস পাওয়া যায় না।”

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬


‘জিয়া সার কারখানা হিসেবে পরিচিত’ এএফসিসির জন্য গ্যাস চাইলেন রুমিন

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড (এএফসিসি)’ গ্যাসের অভাবে সার উৎপাদন করতে পারছে না বলে সংসদকে জানিয়েছেন ওই এলাকার স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

‘জিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা’ নামে পরিচিত এই সার কারখানায় গ্যাস সরবরাহ করা হবে কিনা, সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকুর কাছে প্রশ্ন রেখেছেন তিনি।

১৯৭৪ সালের অক্টোবর মাসে আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিডেট (এএফসিসি) নামে এই সার কারখানাটি প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হিসেবে নিবন্ধিত হয়। ১৯৭৬ সালে কারখানার নির্মাণ কাজ আরম্ভ হয়। প্রাথমিক সময়সূচী অনুযায়ী কোম্পানীর নির্মাণ কাজ ১৯৭৮ সালের ডিসেম্বর মাসে সমাপ্ত হওয়ার কথা ছিলো।

নানা জটিলতায় এর নির্মাণ কাজ শেষ হয় ১৯৮০ সালে। ১৫ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে কারখানার পরীক্ষামূলক উৎপাদন শুরু হয়। ১২ ডিসেম্বর ১৯৮১ সালে তৎকালীন সরকারী সিদ্ধান্তে কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে ‘জিয়া ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেড’ নামকরণ করা হয়।

২০১০ সালে একনেকের এক সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ি সার কারখানাটির নাম পরিবর্তন করে পুনরায় ‘আশুগঞ্জ ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেড’ নামকরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের এমপি রুমিন বলেন, “আমার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে একটা সার কারখানা আছে। এই সার কারখানাটি জিয়া ফার্টিলাইজার কারখানা নামেই পরিচিত। সেখানে গ্যাসের অভাবে আমরা সার উৎপাদন করতে পারছি না। মন্ত্রীর (জ্বালানিমন্ত্রী) কাছে আমার প্রশ্ন এই সার কারখানায় গ্যাস সাপ্লাই দিতে পারবেন কি না?”

জবাবে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ বলেন, “আমরা দ্রুত সময়ে জিয়া সার কারখানায় গ্যাস সাপ্লাইয়ের ব্যবস্থা করবো।”

এর আগে রুমিন ফারহানা বলেন, “মাননীয় মন্ত্রীর ভাষ্য অনুযায়ী বাড়িতে (আবাসিক) আর গ্যাস সংযোগ দেওয়া হবে না। তবে যে সংযোগগুলো আছে সেখানেও কিন্তু গ্যাস পাওয়া যায় না।”


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত