সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

গর্ভবতী মা ও শিশুর ‘জীবন নিয়ে ছিনিমিনি’

বাজারে সয়লাব ‘নকল বিদেশি ইনজেকশন’


বাকী বিল্লাহ
বাকী বিল্লাহ
প্রকাশ: ২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২২ পিএম

বাজারে সয়লাব ‘নকল বিদেশি ইনজেকশন’

  • জীবনরক্ষাকারি হাজার টাকার বিদেশি ইনজেকশন হচ্ছে নকল
  • গর্ভবর্তী মহিলাদের জন্য রোফাইল্যাক খুবই কার্যকর: গাইনি বিশেষজ্ঞ
  • আমদানী নেই, তবুও ওষুধ দোকানে হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি: আমদানীকারক
  • নকলবাজদের ধরতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা চেয়েছে ঔষধ প্রশাসন
  • আমদানিনিষিদ্ধ রোফাইল্যাক ওষুধের মোড়কে বিক্রি হচ্ছে বিষ

দেশের বাজারে গর্ভবতী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি জীবনরক্ষাকারী বিদেশি ইনজেকশন 'রোফাইল্যাক' (হিউম্যান অ্যান্টি-ডি ইমিউনোগ্লোবুলিন) গত দুই বছর ধরে বড় আকারে নকল হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

গর্ভাবস্থায় জটিলতা এড়াতে এবং প্রসবের পরবর্তী ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকরা এই ইনজেকশনটি ব্যবহারের পরামর্শ দেন। অথচ বর্তমানে এই জীবনরক্ষাকারী ওষুধের বৈধ আমদানি বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে একটি চক্র সারাদেশে নকল ওষুধের জাল বিছিয়েছে। আসল ওষুধের সংকটকে পুঁজি করে হাজার থেকে হাজার ৩০০ টাকায় এ সব নকল ইনজেকশন বিক্রি করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেন এই ইনজেকশন এত জরুরি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিউম্যান অ্যান্টি-ডি ইমিউনোগ্লোবুলিন ৩০০ মাইক্রোগ্রাম ইনজেকশনটি মূলত নেগেটিভ ব্ল্যাড গ্রুপের মায়েদের জন্য অপরিহার্য। যদি মায়ের রক্ত নেগেটিভ হয় এবং গর্ভস্থ শিশুর রক্ত পজেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে মায়ের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি রোধ করতে এটি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহে এবং প্রসবের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই ইনজেকশন মায়েদের পুশ করতে হয়। এটি ব্যবহার না করলে পরবর্তী সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা, এমনকি গর্ভপাত বা নবজাতকের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

বিষয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গাইনি চিকিৎসক জানান, "ইনজেকশনটি খুবই জরুরি ব্যয়বহুল। যে সব গর্ভবতী নারীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ স্বামীর ব্লাড গ্রুপ পজিটিভ, তাদের নবজাতক শিশুর সুরক্ষায় এই ইনজেকশন অত্যন্ত কার্যকরী।

তবে নকলের বিষয়ে তিনি বলেন, ইনজেকশনটি যারা নকল করছে তারা কী উপাদান ব্যবহার করছে তার ওপর নির্ভর করে রোগীর ক্ষতির মাত্রা কতটুকু হবে। এটি পরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়।

আমদানি বন্ধের সুযোগে সক্রিয় জালিয়াত চক্র

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রোফাইল্যাক ইনজেকশনটির পূর্ববর্তী আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নানা কারণে এটি বর্তমানে আনছে না। ফলে ২০২৪ সাল থেকে বাজারে আসল ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

একজন ওষুধ আমদানিকারক জানান, "এই ওষুধটি মূলত সুইজারল্যান্ড থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে বাজারে আসল ওষুধ নেই বললেই চলে। অথচ একটি চক্র গোপনে নকল ইনজেকশন তৈরি করে সারা দেশে সরবরাহ করছে। এতে উপকারের চেয়ে গর্ভবতী মায়েরা উল্টো চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন।"

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মুখপাত্র পরিচালক আখতার হোসেন বলেন, "বর্তমানে এই ওষুধের কোনো আমদানি নেই। একটি চক্র সুযোগ বুঝে নকল ওষুধ বিক্রি করছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থাকে জানিয়েছি। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সারাদেশে নকলবাজদের চিহ্নিত করে ড্রাগ আইনে ব্যবস্থা নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন।"

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ হুঁশিয়ারি

নকল ওষুধের ভয়াবহতা নিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে বলেন, "নকল ওষুধ সেবন বা ব্যবহারের ফলে রোগীর কিডনি, লিভার, মস্তিষ্ক ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এমনকি খারাপ কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হলে এটি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।"

তবে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ফার্মাকোলজি বিভাগের একজন সিনিয়র শিক্ষক। তিনি বলেন, "ওষুধ কি নকল হয়? এটা আমার জানা নেই।"

অন্যদিকে, মাঠ পর্যায়ের ওষুধ ব্যবসায়ীরা এই অপরাধের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। ওষুধ দোকানের মালিক জিয়াউর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যারা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ নকল করে তাদের আইনী প্রক্রিয়ায় মৃত্যুদণ্ড হওয়া দরকার। নকলের ভিড়ে আসল চেনা দায় হয়ে পড়েছে। মানুষ ওষুধের নামে বিষ নিচ্ছে, যার পরিণাম হতে পারে মৃত্যু।"

বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতা আল আমিন হোসেন খানও একই দাবি জানিয়ে বলেন, "নকলবাজ যেই হোক তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত। কোনো বিক্রেতা যদি জেনেবুঝে নকল ওষুধ বিক্রি করে, তবে আমরা প্রশাসনের সহায়তায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।"

অভিযান চললেও থামছে না চক্রটি

সম্প্রতি কেরানীগঞ্জের আর্টিবাজার এলাকায় এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি নকল অরেজিস্ট্রিকৃত ওষুধ সরঞ্জাম জব্দ করেছে র‌্যাব  ওষুধ প্রশাসন। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগেও মিটফোর্ডসহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ নকল ওষুধ জব্দ করা হয়।

তবে ড্রাগ কোর্টে মামলা ধরপাকড় চললেও চক্রটি তাদের কৌশল পাল্টাচ্ছে। শহর থেকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এই 'বিষ' পৌঁছে যাচ্ছে গ্রামের ক্ষুদ্র ফার্মেসিতে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়ে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী এ সব নকল ওষুধ ড্রয়ারে বা গোপন গুদামে লুকিয়ে রেখে টার্গেট ক্রেতাদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করছেন।

বর্তমানে 'জনতা ট্রেডার্স' নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই ইনজেকশনটি আমদানির অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলে জানা গেছে। অনুমোদন পেলে সুইজারল্যান্ড থেকে আসল ওষুধ এলে হয়তো এই সংকট কিছুটা দূর হবে।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬


বাজারে সয়লাব ‘নকল বিদেশি ইনজেকশন’

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

  • জীবনরক্ষাকারি হাজার টাকার বিদেশি ইনজেকশন হচ্ছে নকল
  • গর্ভবর্তী মহিলাদের জন্য রোফাইল্যাক খুবই কার্যকর: গাইনি বিশেষজ্ঞ
  • আমদানী নেই, তবুও ওষুধ দোকানে হাজার টাকা মূল্যে বিক্রি: আমদানীকারক
  • নকলবাজদের ধরতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তা চেয়েছে ঔষধ প্রশাসন
  • আমদানিনিষিদ্ধ রোফাইল্যাক ওষুধের মোড়কে বিক্রি হচ্ছে বিষ

দেশের বাজারে গর্ভবতী নারীদের জন্য অত্যন্ত জরুরি জীবনরক্ষাকারী বিদেশি ইনজেকশন 'রোফাইল্যাক' (হিউম্যান অ্যান্টি-ডি ইমিউনোগ্লোবুলিন) গত দুই বছর ধরে বড় আকারে নকল হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে।

গর্ভাবস্থায় জটিলতা এড়াতে এবং প্রসবের পরবর্তী ঝুঁকি কমাতে চিকিৎসকরা এই ইনজেকশনটি ব্যবহারের পরামর্শ দেন। অথচ বর্তমানে এই জীবনরক্ষাকারী ওষুধের বৈধ আমদানি বন্ধ থাকার সুযোগ নিয়ে একটি চক্র সারাদেশে নকল ওষুধের জাল বিছিয়েছে। আসল ওষুধের সংকটকে পুঁজি করে হাজার থেকে হাজার ৩০০ টাকায় এ সব নকল ইনজেকশন বিক্রি করা হচ্ছে, যা জনস্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

কেন এই ইনজেকশন এত জরুরি?

বিশেষজ্ঞদের মতে, হিউম্যান অ্যান্টি-ডি ইমিউনোগ্লোবুলিন ৩০০ মাইক্রোগ্রাম ইনজেকশনটি মূলত নেগেটিভ ব্ল্যাড গ্রুপের মায়েদের জন্য অপরিহার্য। যদি মায়ের রক্ত নেগেটিভ হয় এবং গর্ভস্থ শিশুর রক্ত পজেটিভ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তবে মায়ের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি রোধ করতে এটি ব্যবহার করা হয়। সাধারণত গর্ভাবস্থার ২৮ সপ্তাহে এবং প্রসবের ৭২ ঘণ্টার মধ্যে এই ইনজেকশন মায়েদের পুশ করতে হয়। এটি ব্যবহার না করলে পরবর্তী সন্তান জন্মদানের ক্ষেত্রে মারাত্মক জটিলতা, এমনকি গর্ভপাত বা নবজাতকের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।

বিষয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন গাইনি চিকিৎসক জানান, "ইনজেকশনটি খুবই জরুরি ব্যয়বহুল। যে সব গর্ভবতী নারীর ব্লাড গ্রুপ নেগেটিভ স্বামীর ব্লাড গ্রুপ পজিটিভ, তাদের নবজাতক শিশুর সুরক্ষায় এই ইনজেকশন অত্যন্ত কার্যকরী।

তবে নকলের বিষয়ে তিনি বলেন, ইনজেকশনটি যারা নকল করছে তারা কী উপাদান ব্যবহার করছে তার ওপর নির্ভর করে রোগীর ক্ষতির মাত্রা কতটুকু হবে। এটি পরীক্ষা ছাড়া বলা সম্ভব নয়।

আমদানি বন্ধের সুযোগে সক্রিয় জালিয়াত চক্র

ওষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রোফাইল্যাক ইনজেকশনটির পূর্ববর্তী আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান নানা কারণে এটি বর্তমানে আনছে না। ফলে ২০২৪ সাল থেকে বাজারে আসল ওষুধের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে।

একজন ওষুধ আমদানিকারক জানান, "এই ওষুধটি মূলত সুইজারল্যান্ড থেকে আমদানি করা হয়। বর্তমানে বাজারে আসল ওষুধ নেই বললেই চলে। অথচ একটি চক্র গোপনে নকল ইনজেকশন তৈরি করে সারা দেশে সরবরাহ করছে। এতে উপকারের চেয়ে গর্ভবতী মায়েরা উল্টো চরম স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে পড়ছেন।"

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের মুখপাত্র পরিচালক আখতার হোসেন বলেন, "বর্তমানে এই ওষুধের কোনো আমদানি নেই। একটি চক্র সুযোগ বুঝে নকল ওষুধ বিক্রি করছে। বিষয়টি নিয়ে আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিভিন্ন সংস্থাকে জানিয়েছি। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তারা সারাদেশে নকলবাজদের চিহ্নিত করে ড্রাগ আইনে ব্যবস্থা নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন।"

বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ হুঁশিয়ারি

নকল ওষুধের ভয়াবহতা নিয়ে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনটেনসিভ কেয়ার মেডিসিন বিশেষজ্ঞ সতর্ক করে বলেন, "নকল ওষুধ সেবন বা ব্যবহারের ফলে রোগীর কিডনি, লিভার, মস্তিষ্ক ত্বকের মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে। এমনকি খারাপ কেমিক্যাল দিয়ে তৈরি হলে এটি মৃত্যুর কারণও হতে পারে।"

তবে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন প্রতিষ্ঠানটির ফার্মাকোলজি বিভাগের একজন সিনিয়র শিক্ষক। তিনি বলেন, "ওষুধ কি নকল হয়? এটা আমার জানা নেই।"

অন্যদিকে, মাঠ পর্যায়ের ওষুধ ব্যবসায়ীরা এই অপরাধের কঠোর শাস্তি দাবি করেছেন। ওষুধ দোকানের মালিক জিয়াউর রহমান ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "যারা জীবনরক্ষাকারী ওষুধ নকল করে তাদের আইনী প্রক্রিয়ায় মৃত্যুদণ্ড হওয়া দরকার। নকলের ভিড়ে আসল চেনা দায় হয়ে পড়েছে। মানুষ ওষুধের নামে বিষ নিচ্ছে, যার পরিণাম হতে পারে মৃত্যু।"

বাংলাদেশ কেমিস্টস অ্যান্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নেতা আল আমিন হোসেন খানও একই দাবি জানিয়ে বলেন, "নকলবাজ যেই হোক তার সর্বোচ্চ শাস্তি হওয়া উচিত। কোনো বিক্রেতা যদি জেনেবুঝে নকল ওষুধ বিক্রি করে, তবে আমরা প্রশাসনের সহায়তায় তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবো।"

অভিযান চললেও থামছে না চক্রটি

সম্প্রতি কেরানীগঞ্জের আর্টিবাজার এলাকায় এক বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ট্রাকভর্তি নকল অরেজিস্ট্রিকৃত ওষুধ সরঞ্জাম জব্দ করেছে র‌্যাব  ওষুধ প্রশাসন। অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক আব্দুর রশিদ এই অভিযানের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এর আগেও মিটফোর্ডসহ বিভিন্ন পাইকারি বাজারে যৌথ অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মেয়াদোত্তীর্ণ নকল ওষুধ জব্দ করা হয়।

তবে ড্রাগ কোর্টে মামলা ধরপাকড় চললেও চক্রটি তাদের কৌশল পাল্টাচ্ছে। শহর থেকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে এই 'বিষ' পৌঁছে যাচ্ছে গ্রামের ক্ষুদ্র ফার্মেসিতে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভয়ে অনেক অসাধু ব্যবসায়ী এ সব নকল ওষুধ ড্রয়ারে বা গোপন গুদামে লুকিয়ে রেখে টার্গেট ক্রেতাদের কাছে চড়া দামে বিক্রি করছেন।

বর্তমানে 'জনতা ট্রেডার্স' নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই ইনজেকশনটি আমদানির অনুমোদনের অপেক্ষায় আছে বলে জানা গেছে। অনুমোদন পেলে সুইজারল্যান্ড থেকে আসল ওষুধ এলে হয়তো এই সংকট কিছুটা দূর হবে।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত