সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বাড়ছে আতঙ্ক

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর হানা: আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ১৮০০, মৃত্যু ৪


প্রকাশ: ২ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:১৫ পিএম

দেশজুড়ে ডেঙ্গুর হানা: আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ১৮০০, মৃত্যু ৪

  • গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি আরও ২৫ জন

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার কন্ট্রোল রুমের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে হাজার ৮৯৩ জনে। এর মধ্যে এডিস মশার কামড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জন। প্রতিদিন আক্রান্তের এই ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ জন বরিশাল বিভাগের। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে জন, ঢাকা বিভাগে জন এবং ঢাকা উত্তর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে জন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা ময়মনসিংহ বিভাগেও জন করে নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯ জন, মার্চে ৩৫৩ জন এবং এপ্রিলের প্রথম দুই দিনেই ৫০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কীটতত্ত্ববিদরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বাংলাদেশে ডেঙ্গু এখন এক নিরব আতঙ্কের নাম। আগে ডেঙ্গুকে মৌসুমী রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কয়েক বছর ধরে এটি সেই সীমাবদ্ধতা ভেঙে সারা বছরই দাপট দেখাচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা এবং বর্ষা-পরবর্তী সময়ে এর বিস্তার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায় বলে তারা সতর্ক করেছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মশক নিধন কার্যক্রম এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। তারা বলছেন, সিটি করপোরেশনগুলোর মশা দমন কর্মসূচি আরও জোরদার করা জরুরি। সেই সঙ্গে জনসচেতনতার চরম ঘাটতি রয়েছে বলেও তারা মনে করেন।

বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেন, অনেক পরিবার এখনো ডেঙ্গু প্রতিরোধে যথেষ্ট সতর্ক নয়। বাড়ির আঙিনা, ফুলের টব, পানি রাখার কলস, বালতি, ড্রাম কিংবা নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানিতে সহজেই এডিস মশার প্রজনন হচ্ছে, যা এই রোগের বিস্তারকে ত্বরান্বিত করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

আপনার মতামত লিখুন

সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬


দেশজুড়ে ডেঙ্গুর হানা: আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়ালো ১৮০০, মৃত্যু ৪

প্রকাশের তারিখ : ০২ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

  • গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি আরও ২৫ জন

সারাদেশে ডেঙ্গু পরিস্থিতির ক্রমেই অবনতি হচ্ছে। গত চব্বিশ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ২৫ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার কন্ট্রোল রুমের দেওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে হাজার ৮৯৩ জনে। এর মধ্যে এডিস মশার কামড়ে প্রাণ হারিয়েছেন জন। প্রতিদিন আক্রান্তের এই ঊর্ধ্বগতি সাধারণ মানুষের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে সর্বোচ্চ ১১ জন বরিশাল বিভাগের। এ ছাড়া চট্টগ্রাম বিভাগে জন, ঢাকা বিভাগে জন এবং ঢাকা উত্তর দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে জন করে রোগী শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি খুলনা ময়মনসিংহ বিভাগেও জন করে নতুন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

পরিসংখ্যান বলছে, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে হাজার ৮১ জন, ফেব্রুয়ারিতে ৪০৯ জন, মার্চে ৩৫৩ জন এবং এপ্রিলের প্রথম দুই দিনেই ৫০ জন ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছেন।

বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কীটতত্ত্ববিদরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের মতে, বাংলাদেশে ডেঙ্গু এখন এক নিরব আতঙ্কের নাম। আগে ডেঙ্গুকে মৌসুমী রোগ হিসেবে বিবেচনা করা হলেও কয়েক বছর ধরে এটি সেই সীমাবদ্ধতা ভেঙে সারা বছরই দাপট দেখাচ্ছে। বিশেষ করে বর্ষা এবং বর্ষা-পরবর্তী সময়ে এর বিস্তার আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে যায় বলে তারা সতর্ক করেছেন।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, মশক নিধন কার্যক্রম এখনো যথেষ্ট শক্তিশালী নয়। তারা বলছেন, সিটি করপোরেশনগুলোর মশা দমন কর্মসূচি আরও জোরদার করা জরুরি। সেই সঙ্গে জনসচেতনতার চরম ঘাটতি রয়েছে বলেও তারা মনে করেন।

বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেন, অনেক পরিবার এখনো ডেঙ্গু প্রতিরোধে যথেষ্ট সতর্ক নয়। বাড়ির আঙিনা, ফুলের টব, পানি রাখার কলস, বালতি, ড্রাম কিংবা নির্মাণাধীন ভবনে জমে থাকা পানিতে সহজেই এডিস মশার প্রজনন হচ্ছে, যা এই রোগের বিস্তারকে ত্বরান্বিত করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


সংবাদ - ঘটনা যখন সংবাদ তখন

সম্পাদক ও প্রকাশক
আলতামাশ কবির

নির্বাহী সম্পাদক
শাহরিয়ার করিম

প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ
রাশেদ আহমেদ


কপিরাইট © ২০২৬ | সংবাদ | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত